ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইউসিবির ওয়েবভিত্তিক সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ Logo সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি Logo ‘২০০’ ছুঁয়ে রাশিদ খানের অনন্য কীর্তি Logo সরকারি বাসা থেকে শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া অপসারণের নির্দেশ Logo খাগড়াছড়িতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাপ্রধান Logo ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: অনিয়ম ও বলপ্রয়োগের অভিযোগ জামায়াতের Logo ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, অর্থনীতি পড়তে পারে নদীতে: মাহবুব উল্লাহ Logo বিরোধী জোটে যাওয়ার পরিকল্পনা ইউটিজের, চাপে নেতানিয়াহু Logo পূর্বাচল ক্লাব নিয়ে হচ্ছেটা কী? Logo সম্পর্কে ‘টানাপোড়েন’, তবুও অধিনায়ক ফের্নান্দসেই ‘আস্থা’ ক্যারিকের

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হলেন যবিপ্রবির শিক্ষক

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১০:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • ১৮৭ বার পঠিত

জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহানাজ পারভীন। তার এ নিয়োগের মেয়াদকাল থাকবে আগামী দুই বছর।

সোমবার (১২ ই মে) কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট তাকাশি ওয়াদা স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

নিয়োগপত্রে বলা হয়, ড.শাহানাজ পারভীনকে ১২ মে ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর/সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়া, গবেষণায় যৌথ অংশগ্রহণ, শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবেন ড.শাহানাজ পারভীন। এতে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও যবিপ্রবির মধ্যে গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সম্পর্কে অনুভূতি জানতে চাইলে ড.শাহানাজ পারভীন বলেন, যবিপ্রবির একজন এলামনাই হিসেবে আমি এই অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি এবং নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েছি এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়।
আগামী সেপ্টেম্বর ও এপ্রিল মাসে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রোগ্রাম বিষয়ে যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচিতিমূলক কার্যক্রম আয়োজন করার মাধ্যমে আমার কাজ শুরু করব।

গবেষণায় সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের কেমিকৌশল বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করবে। এতে আমাদের গবেষণাগারগুলোতে কী কী ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে অগ্রসর হওয়া সহজ হবে। যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যাবে, গবেষণায় অংশ নেবে এবং ভবিষ্যতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সেবা দিয়ে যাবে এটাই আমার প্রত্যাশা।

জনপ্রিয়

ইউসিবির ওয়েবভিত্তিক সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হলেন যবিপ্রবির শিক্ষক

প্রকাশিত ১০:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহানাজ পারভীন। তার এ নিয়োগের মেয়াদকাল থাকবে আগামী দুই বছর।

সোমবার (১২ ই মে) কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট তাকাশি ওয়াদা স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

নিয়োগপত্রে বলা হয়, ড.শাহানাজ পারভীনকে ১২ মে ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর/সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়া, গবেষণায় যৌথ অংশগ্রহণ, শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবেন ড.শাহানাজ পারভীন। এতে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও যবিপ্রবির মধ্যে গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সম্পর্কে অনুভূতি জানতে চাইলে ড.শাহানাজ পারভীন বলেন, যবিপ্রবির একজন এলামনাই হিসেবে আমি এই অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি এবং নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েছি এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়।
আগামী সেপ্টেম্বর ও এপ্রিল মাসে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রোগ্রাম বিষয়ে যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচিতিমূলক কার্যক্রম আয়োজন করার মাধ্যমে আমার কাজ শুরু করব।

গবেষণায় সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের কেমিকৌশল বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করবে। এতে আমাদের গবেষণাগারগুলোতে কী কী ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে অগ্রসর হওয়া সহজ হবে। যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যাবে, গবেষণায় অংশ নেবে এবং ভবিষ্যতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সেবা দিয়ে যাবে এটাই আমার প্রত্যাশা।