ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা Logo গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ Logo জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হলেন যবিপ্রবির শিক্ষক

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১০:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • ১৬৫ বার পঠিত

জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহানাজ পারভীন। তার এ নিয়োগের মেয়াদকাল থাকবে আগামী দুই বছর।

সোমবার (১২ ই মে) কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট তাকাশি ওয়াদা স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

নিয়োগপত্রে বলা হয়, ড.শাহানাজ পারভীনকে ১২ মে ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর/সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়া, গবেষণায় যৌথ অংশগ্রহণ, শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবেন ড.শাহানাজ পারভীন। এতে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও যবিপ্রবির মধ্যে গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সম্পর্কে অনুভূতি জানতে চাইলে ড.শাহানাজ পারভীন বলেন, যবিপ্রবির একজন এলামনাই হিসেবে আমি এই অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি এবং নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েছি এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়।
আগামী সেপ্টেম্বর ও এপ্রিল মাসে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রোগ্রাম বিষয়ে যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচিতিমূলক কার্যক্রম আয়োজন করার মাধ্যমে আমার কাজ শুরু করব।

গবেষণায় সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের কেমিকৌশল বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করবে। এতে আমাদের গবেষণাগারগুলোতে কী কী ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে অগ্রসর হওয়া সহজ হবে। যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যাবে, গবেষণায় অংশ নেবে এবং ভবিষ্যতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সেবা দিয়ে যাবে এটাই আমার প্রত্যাশা।

জনপ্রিয়

তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হলেন যবিপ্রবির শিক্ষক

প্রকাশিত ১০:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহানাজ পারভীন। তার এ নিয়োগের মেয়াদকাল থাকবে আগামী দুই বছর।

সোমবার (১২ ই মে) কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট তাকাশি ওয়াদা স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

নিয়োগপত্রে বলা হয়, ড.শাহানাজ পারভীনকে ১২ মে ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর/সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়া, গবেষণায় যৌথ অংশগ্রহণ, শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবেন ড.শাহানাজ পারভীন। এতে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও যবিপ্রবির মধ্যে গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোলাবোরেটিভ প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সম্পর্কে অনুভূতি জানতে চাইলে ড.শাহানাজ পারভীন বলেন, যবিপ্রবির একজন এলামনাই হিসেবে আমি এই অবস্থানে পৌছাতে পেরেছি এবং নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েছি এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়।
আগামী সেপ্টেম্বর ও এপ্রিল মাসে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রোগ্রাম বিষয়ে যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচিতিমূলক কার্যক্রম আয়োজন করার মাধ্যমে আমার কাজ শুরু করব।

গবেষণায় সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের কেমিকৌশল বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা করবে। এতে আমাদের গবেষণাগারগুলোতে কী কী ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে অগ্রসর হওয়া সহজ হবে। যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যাবে, গবেষণায় অংশ নেবে এবং ভবিষ্যতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সেবা দিয়ে যাবে এটাই আমার প্রত্যাশা।