ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাবি হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন-এর ২য় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা  Logo বাকৃবি ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১০দিন ব্যাপি কুরআন শিক্ষা কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছাত্রদল সভাপতির ইফতার Logo যবিপ্রবিতে ইকসাসের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কুবি বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ২৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান Logo পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দায়িত্ব হস্তান্তর Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo হাবিপ্রবিস্থ বৃহত্তর রাজশাহী ছাত্র কল্যাণ সমিতির ইফতার মাহফিল ও আহবায়ক কমিটি ঘোষণা Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো

বাংলাদেশকে হারিয়ে মান বাঁচাল পাকিস্তান, সিরিজ ২-১ এ টাইগারদের

বাংলাদেশকে হারিয়ে মান বাঁচাল পাকিস্তান, সিরিজ ২-১ এ টাইগারদের

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল পাকিস্তান। তাই শেষ ম্যাচটি ছিল কেবল মান রক্ষার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সফল হয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ৭৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতে কিছুটা সান্ত্বনা পেয়েছে পাকিস্তান। তবে সিরিজ জয়ের হাসি রয়ে গেছে টাইগারদের মুখেই, ২-১ ব্যবধানে।

সিরিজ নিশ্চিত করায় আজকের ম্যাচে একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন এনে সাইড বেঞ্চ পরখ করে দেখেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই পরীক্ষামূলক একাদশ ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ। বিশেষ করে ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে পাকিস্তান। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান একাই রীতিমতো তাণ্ডব চালান। মাত্র ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৬৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে আউট হন। সায়িম আইয়ুব ১৫ বলে ২১ রান করেন। মিডল অর্ডারে হাসান নাওয়াজ ঝড় তোলেন ১৭ বলে ৩৩ রানে। মোহাম্মদ নাওয়াজও খেলেন কার্যকর ১৬ বলে ২৭ রানের ইনিংস। তবে হারিস, তালাত, ফাহিমের ব্যাটে রান আসেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ, ৩টি উইকেট নেন তিনি। নাসুম আহমেদ পান ২টি, সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট। ১৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলেই তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও পাকিস্তানের নেওয়া রিভিউয়ে বদলায় সিদ্ধান্ত। অধিনায়ক লিটন দাস ৮ বলে ৮ রান করে ফিরে গেলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। এরপর একে একে মিরাজ (৯), জাকের আলি (১), শেখ মেহেদি (০) দ্রুত বিদায় নেন। ২৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ২৯/৫।

মিডল ও লোয়ার অর্ডারে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। শামীম করেন মাত্র ৫ রান। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, যিনি ৩৪ বলে অপরাজিত ৩৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে তার এই ইনিংস হার ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে সালমান মির্জা ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার, ৩ উইকেট নেন তিনি। ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ২টি করে উইকেট নেন। আর আহমেদ দানিয়েল, হোসাইন তালাত ও সালমান আঘা নেন ১টি করে উইকেট।

সিরিজ শেষ হয়েছে ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশের পক্ষে। তবে শেষ ম্যাচে এমন বড় ব্যবধানে হার কিছুটা হতাশারই। যদিও মূল সিরিজ জয় টাইগারদের আত্মবিশ্বাসে বাড়তি শক্তি যোগাবে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে।

জনপ্রিয়

রাবি হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন-এর ২য় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা 

বাংলাদেশকে হারিয়ে মান বাঁচাল পাকিস্তান, সিরিজ ২-১ এ টাইগারদের

প্রকাশিত ০১:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল পাকিস্তান। তাই শেষ ম্যাচটি ছিল কেবল মান রক্ষার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সফল হয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ৭৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতে কিছুটা সান্ত্বনা পেয়েছে পাকিস্তান। তবে সিরিজ জয়ের হাসি রয়ে গেছে টাইগারদের মুখেই, ২-১ ব্যবধানে।

সিরিজ নিশ্চিত করায় আজকের ম্যাচে একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন এনে সাইড বেঞ্চ পরখ করে দেখেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই পরীক্ষামূলক একাদশ ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ। বিশেষ করে ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে পাকিস্তান। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান একাই রীতিমতো তাণ্ডব চালান। মাত্র ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৬৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে আউট হন। সায়িম আইয়ুব ১৫ বলে ২১ রান করেন। মিডল অর্ডারে হাসান নাওয়াজ ঝড় তোলেন ১৭ বলে ৩৩ রানে। মোহাম্মদ নাওয়াজও খেলেন কার্যকর ১৬ বলে ২৭ রানের ইনিংস। তবে হারিস, তালাত, ফাহিমের ব্যাটে রান আসেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ, ৩টি উইকেট নেন তিনি। নাসুম আহমেদ পান ২টি, সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট। ১৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলেই তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও পাকিস্তানের নেওয়া রিভিউয়ে বদলায় সিদ্ধান্ত। অধিনায়ক লিটন দাস ৮ বলে ৮ রান করে ফিরে গেলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। এরপর একে একে মিরাজ (৯), জাকের আলি (১), শেখ মেহেদি (০) দ্রুত বিদায় নেন। ২৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ২৯/৫।

মিডল ও লোয়ার অর্ডারে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। শামীম করেন মাত্র ৫ রান। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, যিনি ৩৪ বলে অপরাজিত ৩৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে তার এই ইনিংস হার ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে সালমান মির্জা ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার, ৩ উইকেট নেন তিনি। ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ২টি করে উইকেট নেন। আর আহমেদ দানিয়েল, হোসাইন তালাত ও সালমান আঘা নেন ১টি করে উইকেট।

সিরিজ শেষ হয়েছে ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশের পক্ষে। তবে শেষ ম্যাচে এমন বড় ব্যবধানে হার কিছুটা হতাশারই। যদিও মূল সিরিজ জয় টাইগারদের আত্মবিশ্বাসে বাড়তি শক্তি যোগাবে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে।