ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’ Logo পাবিপ্রবিতে বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা Logo হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের Logo ডিআরইউ সঙ্গে পুপরোয়া’র মতবিনিময় সভা Logo শিক্ষকদের পাঠ মুল্যায়নে অনলাইন ফিডব্যাক বাধ্যতামুলক করলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় Logo মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

বাংলাদেশকে হারিয়ে মান বাঁচাল পাকিস্তান, সিরিজ ২-১ এ টাইগারদের

বাংলাদেশকে হারিয়ে মান বাঁচাল পাকিস্তান, সিরিজ ২-১ এ টাইগারদের

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল পাকিস্তান। তাই শেষ ম্যাচটি ছিল কেবল মান রক্ষার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সফল হয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ৭৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতে কিছুটা সান্ত্বনা পেয়েছে পাকিস্তান। তবে সিরিজ জয়ের হাসি রয়ে গেছে টাইগারদের মুখেই, ২-১ ব্যবধানে।

সিরিজ নিশ্চিত করায় আজকের ম্যাচে একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন এনে সাইড বেঞ্চ পরখ করে দেখেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই পরীক্ষামূলক একাদশ ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ। বিশেষ করে ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে পাকিস্তান। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান একাই রীতিমতো তাণ্ডব চালান। মাত্র ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৬৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে আউট হন। সায়িম আইয়ুব ১৫ বলে ২১ রান করেন। মিডল অর্ডারে হাসান নাওয়াজ ঝড় তোলেন ১৭ বলে ৩৩ রানে। মোহাম্মদ নাওয়াজও খেলেন কার্যকর ১৬ বলে ২৭ রানের ইনিংস। তবে হারিস, তালাত, ফাহিমের ব্যাটে রান আসেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ, ৩টি উইকেট নেন তিনি। নাসুম আহমেদ পান ২টি, সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট। ১৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলেই তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও পাকিস্তানের নেওয়া রিভিউয়ে বদলায় সিদ্ধান্ত। অধিনায়ক লিটন দাস ৮ বলে ৮ রান করে ফিরে গেলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। এরপর একে একে মিরাজ (৯), জাকের আলি (১), শেখ মেহেদি (০) দ্রুত বিদায় নেন। ২৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ২৯/৫।

মিডল ও লোয়ার অর্ডারে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। শামীম করেন মাত্র ৫ রান। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, যিনি ৩৪ বলে অপরাজিত ৩৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে তার এই ইনিংস হার ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে সালমান মির্জা ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার, ৩ উইকেট নেন তিনি। ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ২টি করে উইকেট নেন। আর আহমেদ দানিয়েল, হোসাইন তালাত ও সালমান আঘা নেন ১টি করে উইকেট।

সিরিজ শেষ হয়েছে ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশের পক্ষে। তবে শেষ ম্যাচে এমন বড় ব্যবধানে হার কিছুটা হতাশারই। যদিও মূল সিরিজ জয় টাইগারদের আত্মবিশ্বাসে বাড়তি শক্তি যোগাবে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে।

জনপ্রিয়

বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশকে হারিয়ে মান বাঁচাল পাকিস্তান, সিরিজ ২-১ এ টাইগারদের

প্রকাশিত ০১:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল পাকিস্তান। তাই শেষ ম্যাচটি ছিল কেবল মান রক্ষার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সফল হয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ৭৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতে কিছুটা সান্ত্বনা পেয়েছে পাকিস্তান। তবে সিরিজ জয়ের হাসি রয়ে গেছে টাইগারদের মুখেই, ২-১ ব্যবধানে।

সিরিজ নিশ্চিত করায় আজকের ম্যাচে একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন এনে সাইড বেঞ্চ পরখ করে দেখেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই পরীক্ষামূলক একাদশ ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ। বিশেষ করে ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে পাকিস্তান। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান একাই রীতিমতো তাণ্ডব চালান। মাত্র ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৬৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে আউট হন। সায়িম আইয়ুব ১৫ বলে ২১ রান করেন। মিডল অর্ডারে হাসান নাওয়াজ ঝড় তোলেন ১৭ বলে ৩৩ রানে। মোহাম্মদ নাওয়াজও খেলেন কার্যকর ১৬ বলে ২৭ রানের ইনিংস। তবে হারিস, তালাত, ফাহিমের ব্যাটে রান আসেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ, ৩টি উইকেট নেন তিনি। নাসুম আহমেদ পান ২টি, সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট। ১৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলেই তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও পাকিস্তানের নেওয়া রিভিউয়ে বদলায় সিদ্ধান্ত। অধিনায়ক লিটন দাস ৮ বলে ৮ রান করে ফিরে গেলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। এরপর একে একে মিরাজ (৯), জাকের আলি (১), শেখ মেহেদি (০) দ্রুত বিদায় নেন। ২৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ২৯/৫।

মিডল ও লোয়ার অর্ডারে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। শামীম করেন মাত্র ৫ রান। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, যিনি ৩৪ বলে অপরাজিত ৩৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে তার এই ইনিংস হার ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে সালমান মির্জা ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার, ৩ উইকেট নেন তিনি। ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ২টি করে উইকেট নেন। আর আহমেদ দানিয়েল, হোসাইন তালাত ও সালমান আঘা নেন ১টি করে উইকেট।

সিরিজ শেষ হয়েছে ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশের পক্ষে। তবে শেষ ম্যাচে এমন বড় ব্যবধানে হার কিছুটা হতাশারই। যদিও মূল সিরিজ জয় টাইগারদের আত্মবিশ্বাসে বাড়তি শক্তি যোগাবে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে।