ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার

ইবিতে ‘জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১০:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৯০ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে পাবলিক অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটি (পিএডিএস)।

আজ বুধবার (৬ আগস্ট) মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের ২০৪ নং কক্ষে দুপুর ১২:৫০টায় বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। এসময় বিতর্কিকসহ প্রায় ২০জনকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী। এছাড়াও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।

এছাড়া বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. ফকরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, প্রফেসর মোহাম্মদ সেলিম, প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান এবং প্রফেসর ড. মো. লুৎফর রহমান।

সংসদীয় পদ্ধতি দুটি দলের মধ্যে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।‌ এতে সরকারী দলে ছিলেন শামিমা আক্তার ( প্রধানমন্ত্রী), শারমিন স্বর্ণা ( মন্ত্রী) ও শাকিল মীর ( সংসদ সদস্য ) এবং বিরোধী দলে ছিলেন মুনতাকিম রহমান ( বিরোধী দলীয় নেতা), আব্দুল্লাহ আল নোমান ( উপনেতা) ও সেতু খানম ( সংসদ সদস্য)। সরকারি দলের উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল এ সংসদ মনে করে, “জুলাই আগস্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তিতে সফল হয়েছে”। বিতর্ক শেষে প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হয়।

এসময় সরকারী দল বিভিন্ন সংস্কার কমিশন এবং তাদের অগ্রগতি, পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, কর্ম কমিশন সংস্কার, বিডা সম্মেলন, তত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, বৈদেশিক বানিজ্য অগ্রগতি ইত্যাদি ব্যাপারগুলোকে তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন। অন্যদিকে বিরোধী বিচার ব্যবস্থার ধীরগতি, সংস্কার দীর্ঘমেয়াদী,অবকাঠামোগত, পরিবর্তনের অভাব, গণতন্ত্রের অনিশ্চয়তা ইত্যাদি ব্যাপারে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহবলেন, বিতর্ক চিন্তার দ্বার উন্মুক্ত করে, সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। আল্লাহতায়ালা আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কোন-না-কোন সৃজনশীলতা দিয়ে পাঠিয়েছেন। সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে গেলেই তার চর্চা করতে হবে। মানুষের কাছে যুক্তি উপস্থাপন করার একটা শৈল্পিক চরিত্র আছে। তর্ক শত্রুতা ও বিভেদ সৃষ্টি করে। কিন্তু যুক্তি সৃজনশীলতার সাথে সম্পর্কিত।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

ইবিতে ‘জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত ১০:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘জুলাই-আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক সংসদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে পাবলিক অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটি (পিএডিএস)।

আজ বুধবার (৬ আগস্ট) মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের ২০৪ নং কক্ষে দুপুর ১২:৫০টায় বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। এসময় বিতর্কিকসহ প্রায় ২০জনকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী। এছাড়াও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।

এছাড়া বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. ফকরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, প্রফেসর মোহাম্মদ সেলিম, প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান এবং প্রফেসর ড. মো. লুৎফর রহমান।

সংসদীয় পদ্ধতি দুটি দলের মধ্যে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।‌ এতে সরকারী দলে ছিলেন শামিমা আক্তার ( প্রধানমন্ত্রী), শারমিন স্বর্ণা ( মন্ত্রী) ও শাকিল মীর ( সংসদ সদস্য ) এবং বিরোধী দলে ছিলেন মুনতাকিম রহমান ( বিরোধী দলীয় নেতা), আব্দুল্লাহ আল নোমান ( উপনেতা) ও সেতু খানম ( সংসদ সদস্য)। সরকারি দলের উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল এ সংসদ মনে করে, “জুলাই আগস্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তিতে সফল হয়েছে”। বিতর্ক শেষে প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হয়।

এসময় সরকারী দল বিভিন্ন সংস্কার কমিশন এবং তাদের অগ্রগতি, পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, কর্ম কমিশন সংস্কার, বিডা সম্মেলন, তত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, বৈদেশিক বানিজ্য অগ্রগতি ইত্যাদি ব্যাপারগুলোকে তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন। অন্যদিকে বিরোধী বিচার ব্যবস্থার ধীরগতি, সংস্কার দীর্ঘমেয়াদী,অবকাঠামোগত, পরিবর্তনের অভাব, গণতন্ত্রের অনিশ্চয়তা ইত্যাদি ব্যাপারে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহবলেন, বিতর্ক চিন্তার দ্বার উন্মুক্ত করে, সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। আল্লাহতায়ালা আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কোন-না-কোন সৃজনশীলতা দিয়ে পাঠিয়েছেন। সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে গেলেই তার চর্চা করতে হবে। মানুষের কাছে যুক্তি উপস্থাপন করার একটা শৈল্পিক চরিত্র আছে। তর্ক শত্রুতা ও বিভেদ সৃষ্টি করে। কিন্তু যুক্তি সৃজনশীলতার সাথে সম্পর্কিত।