ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

বাকৃবিতে টিম উৎসবের আয়োজনে ‘এবং এক কাপ চা’

চায়ের আমেজ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজিত হয়েছে “এবং এক কাপ চা”। টিম উৎসবের আয়োজনে তৃতীয়বারের মত উদযাপিত হচ্ছে এ চা উৎসব।

বৃহস্পতিবার (৮ই জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়াম সংলগ্ন মাঠে এ উৎসবের শুরু হয়। উৎসবের প্রথম পর্বের নাম ছিল ‘এক কাপ চা’ এবং দ্বিতীয়টি ছিল ‘আরো এক কাপ চা’।

আয়োজকরা জানান, এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য চা শ্রমিকদের জীবন সংগ্রামের কথাগুলো সবার সামনে তুলে আনা। এর পাশাপাশি চায়ের সাথে মিশে থাকা আমাদের যে আবেগ ও অনুভূতিগুলো আছে, তা যেন দর্শকরা সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারে, সেই সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন করা হয়েছে, রয়েছে বিভিন্ন খাবারের, জুয়েলারি এবং খেলাধুলার স্টলের ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীরা এতে বিভিন্ন ধরনের গান, নাচ , গীতিকাব্য এবং স্ট্যান্ড আপ কমেডি পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্টল ছিল ৭ টি, এছাড়াও ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ‘বিখ্যাত নানির চা’ এবং বিভিন্ন পিঠাঘরের স্টলও ছিল।

আয়োজক কমিটির হেড অফ কমিউনিকেশনস আদিবা জানান, “চা উৎসব আমাদের হৃদয়ের অনেক কাছাকাছি। আমরা এ বছর তৃতীয়বারের মত সফলভাবে চা উৎসব উদযাপন করেছি। আমরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি এবং সবাই বেশ ভালোভাবে এনজয় করেছে বলে মনে করি। এবারের আমাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একটা অন্যতম আয়োজন বলব স্ট্যান্ড আপ কমেডি । যেটা হয়তো বাকৃবিতে এবারই প্রথম হচ্ছে। তো আমরা খুশি যে আমরা এতো ভালো সাড়া পেয়েছি।”

টিম উৎসবের সাধারণ সম্পাদক নুবাহ নাশিতা ফারিহাত বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের সংস্কৃতি এমন যে, প্রতি বেলা খাবারের পর চা না খেলে যেন একটা অপূর্ণতা থেকে যায়। সেই বিশেষ অনুভূতি থেকেই আমরা এই উৎসবের পরিকল্পনা করেছি। আমাদের প্রায় ৫০ জন সদস্যের টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে যাতে এই শীতের আমেজে সবার মনে কিছুটা আনন্দ এবং আরামদায়ক অনুভূতি পৌঁছে দেওয়া যায়। আশা করি সবার এই আয়োজনটি অনেক ভালো লেগেছে।”

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

বাকৃবিতে টিম উৎসবের আয়োজনে ‘এবং এক কাপ চা’

প্রকাশিত ১১:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

চায়ের আমেজ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজিত হয়েছে “এবং এক কাপ চা”। টিম উৎসবের আয়োজনে তৃতীয়বারের মত উদযাপিত হচ্ছে এ চা উৎসব।

বৃহস্পতিবার (৮ই জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়াম সংলগ্ন মাঠে এ উৎসবের শুরু হয়। উৎসবের প্রথম পর্বের নাম ছিল ‘এক কাপ চা’ এবং দ্বিতীয়টি ছিল ‘আরো এক কাপ চা’।

আয়োজকরা জানান, এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য চা শ্রমিকদের জীবন সংগ্রামের কথাগুলো সবার সামনে তুলে আনা। এর পাশাপাশি চায়ের সাথে মিশে থাকা আমাদের যে আবেগ ও অনুভূতিগুলো আছে, তা যেন দর্শকরা সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারে, সেই সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন করা হয়েছে, রয়েছে বিভিন্ন খাবারের, জুয়েলারি এবং খেলাধুলার স্টলের ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীরা এতে বিভিন্ন ধরনের গান, নাচ , গীতিকাব্য এবং স্ট্যান্ড আপ কমেডি পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্টল ছিল ৭ টি, এছাড়াও ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ‘বিখ্যাত নানির চা’ এবং বিভিন্ন পিঠাঘরের স্টলও ছিল।

আয়োজক কমিটির হেড অফ কমিউনিকেশনস আদিবা জানান, “চা উৎসব আমাদের হৃদয়ের অনেক কাছাকাছি। আমরা এ বছর তৃতীয়বারের মত সফলভাবে চা উৎসব উদযাপন করেছি। আমরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি এবং সবাই বেশ ভালোভাবে এনজয় করেছে বলে মনে করি। এবারের আমাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একটা অন্যতম আয়োজন বলব স্ট্যান্ড আপ কমেডি । যেটা হয়তো বাকৃবিতে এবারই প্রথম হচ্ছে। তো আমরা খুশি যে আমরা এতো ভালো সাড়া পেয়েছি।”

টিম উৎসবের সাধারণ সম্পাদক নুবাহ নাশিতা ফারিহাত বলেন, “বাংলাদেশে আমাদের সংস্কৃতি এমন যে, প্রতি বেলা খাবারের পর চা না খেলে যেন একটা অপূর্ণতা থেকে যায়। সেই বিশেষ অনুভূতি থেকেই আমরা এই উৎসবের পরিকল্পনা করেছি। আমাদের প্রায় ৫০ জন সদস্যের টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে যাতে এই শীতের আমেজে সবার মনে কিছুটা আনন্দ এবং আরামদায়ক অনুভূতি পৌঁছে দেওয়া যায়। আশা করি সবার এই আয়োজনটি অনেক ভালো লেগেছে।”