ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ইবি শিবির সভাপতি

আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না, বাঁধ ভেঙে গেলে পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৯:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৭ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেছেন, “আমরা ধৈর্য ধরছি, আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না।” শেরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে জামায়াত নেতা হত্যাসহ দেশব্যাপী বিএনপির নৈরাজ্য ও নারী হেনস্থার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক বক্তব্যে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, “তারা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তারা বলছে কেউ যদি নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে যাও তাহলে হাত-পা ভেঙে দেব। আমরা তাদেরকে বলে দিতে চাই এদেশের ছাত্রসমাজ, ইসলামী ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন ধরে বাঘের সাথে লড়াই করে আসছে। সুতরাং কোনো বানর যদি আমাদেরকে ভয় দেখাতে আসে, লেজ ধরে দুইটা ঘুরানি দিয়ে ছেড়ে দেব, মামুর বাড়ি যেয়ে পড়তে বাধ্য হবে। আমরা ধৈর্য ধরছি, আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না।”

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বর বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করে সংগঠনটি। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শুরুর স্থানে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী ও সেক্রটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে।

বিক্ষোভ মিছিলে ‘প্লান প্লান কোন প্লান, মানুষ মারার মাষ্টার প্লান,’ ‘বিএনপির অনেক গুন, নির্বাচনে মানুষ খুন,’ ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, চাঁদাবাজি ছেড়ে দে,’ ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না,’ ‘লীগ গেছে যেই পথে, দল যাবে সেই পথে,’ ‘বিএনপির অনেক গুন, হারার ভয়ে মানুষ খুন,’ ‘আমার ভাই মরল কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,’ ‘আমার ভাই শহীদ কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।
ইউসুব আলী বলেন, “আমরা জুলাই আন্দোলনে রক্ত দিয়েছি এদেশে ইনসাফ কায়েমের জন্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র দেখেছি ভিন্ন। একটি দল তারা মনে করেছে যে আমরা ক্ষমতায় এসে গিয়েছি। এই ভেবে, এই ভেবে তারা বিভিন্ন প্রকার অপকর্মের সাথে লিপ্ত হতে শুরু করেছে। তারা লাগামহীনভাবে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। তারা লাগামহীনভাবে খুন-ধর্ষণসহ বিভিন্ন প্রকার অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা আমার ভাই, শেরপুরের জামায়াত নেতাকে হত্যা করেছে। আমরা আজকের এই সমাবেশ থেকে এই হত্যার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।”

জকসুর পরাজিত জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কোবরার মন্তব্য সম্পর্কে বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাদের এক নেত্রী একটা টকশোতে বলেছেন— শিবিরকে কি চাঁদাবাজ মুক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাকি? আমরা বলতে চাই, শুধু চাঁদাবাজ কেন? এই দেশে কোনো প্রকার অন্যায় আমরা সহ্য করব না। অন্যায় কায়েম নির্মূল করার জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির যথাযথ কাজ করে যাবে। আমি ঐ বোনকে বলতে চাই, আপনি তো নিজেকে ইসলামিস্ট দাবি করেন, আপনি একটু এই হাদিসের কথা মনে করবেন যে হাদিসে রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন তোমাদের সামনে যদি কোনো অন্যায় হয় তাহলে তোমরা সেটা হাত দ্বারা প্রতিরোধ করো। তা যদি না পারো তাহলে মুখ দ্বারা প্রতিরোধ করো, তাও যদি না পারো অন্ততপক্ষে অন্তর দ্বারা ঘৃণা করো। সুতরাং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইমানি দায়িত্ব থেকে বিরোধিতা করবে।”

উদ্দেশ্যপ্রণীত অপপ্রচার সম্পর্কে বলেন, “শেরপুরের ঘটনার পর পরই বিএনপির এক নেতা লাইভে এসে বলেছেন—আমি নিহত হই নাই, আমাকে মারা হয় নাই। এটা বলার কারণ কী জানেন? কারণ বিএনপি অলরেডি প্রচার করা শুরু করেছে যে আমাদের ঐ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা নিজেরাই হত্যা করে জামায়াতে ইসলামীর ওপর বা ছাত্রশিবিরের ওপর দায় দেওয়ার জন্য তারা পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু তার তো জীবনের মায়া আছে, জীবন বাঁচাতে যেয়ে ফেসবুক লাইভে এসে বাধ্য হয়েছে। আমরা বলতে চাই, এরকম অপরাজনীতি করবেন না। আপনারা ভেবেছেন যে আমরা নব্বইয়ের দশকের রাজনীতিতে আবার ফিরে যাব। কিন্তু এ যুগের ছাত্রসমাজ, এ যুগের মানুষ সচেতন; তারা আপনাকে নব্বইয়ের রাজনীতিতে ফিরে যেতে দেবে না। আসুন, আপনারা আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতি চর্চা করি।”

বিএনপির রাজনৈতিক অপতৎপরতা সম্পর্কে বলেন, “আমরা দেখেছি এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যখন আগস্টের পরবর্তী সময়ে যখন দেখেছিল যে আমরাই ক্ষমতায় এসেছি এটা ভেবে তারা যে অপকর্ম শুরু করেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই অপকর্ম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। যতদিন গেছে তত তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছে। সেই জনপ্রিয়তা হারিয়ে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তো, তাই তো তাদের মধ্য থেকে কিছু কুলাঙ্গার কাপুরুষ আমার মা-বোনদের গায়ে পর্যন্ত হাত তুলেছে। আমরা দেখেছি তারা লাগামহীনভাবে মা-বোনদের হেনস্তা করা শুরু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত না। যে নেতাকর্মীরা আমার মা-বোনদের গায়ে হাত তুলেছে, তাদের বলতে চাই আমার মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়ার আগে একবার চিন্তা করে নেবেন, হাত-পা না থাকলে হাত-পা অবশ হয়ে গেলে কীভাবে চলতে হয়।”

প্রসঙ্গত, শেরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ ঝিনাইগাতী উপজেলার জামায়াত সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ইবি শিবির সভাপতি

আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না, বাঁধ ভেঙে গেলে পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না

প্রকাশিত ০৯:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেছেন, “আমরা ধৈর্য ধরছি, আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না।” শেরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে জামায়াত নেতা হত্যাসহ দেশব্যাপী বিএনপির নৈরাজ্য ও নারী হেনস্থার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক বক্তব্যে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, “তারা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তারা বলছে কেউ যদি নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে যাও তাহলে হাত-পা ভেঙে দেব। আমরা তাদেরকে বলে দিতে চাই এদেশের ছাত্রসমাজ, ইসলামী ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন ধরে বাঘের সাথে লড়াই করে আসছে। সুতরাং কোনো বানর যদি আমাদেরকে ভয় দেখাতে আসে, লেজ ধরে দুইটা ঘুরানি দিয়ে ছেড়ে দেব, মামুর বাড়ি যেয়ে পড়তে বাধ্য হবে। আমরা ধৈর্য ধরছি, আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না।”

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বর বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করে সংগঠনটি। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শুরুর স্থানে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী ও সেক্রটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে।

বিক্ষোভ মিছিলে ‘প্লান প্লান কোন প্লান, মানুষ মারার মাষ্টার প্লান,’ ‘বিএনপির অনেক গুন, নির্বাচনে মানুষ খুন,’ ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, চাঁদাবাজি ছেড়ে দে,’ ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না,’ ‘লীগ গেছে যেই পথে, দল যাবে সেই পথে,’ ‘বিএনপির অনেক গুন, হারার ভয়ে মানুষ খুন,’ ‘আমার ভাই মরল কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,’ ‘আমার ভাই শহীদ কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।
ইউসুব আলী বলেন, “আমরা জুলাই আন্দোলনে রক্ত দিয়েছি এদেশে ইনসাফ কায়েমের জন্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র দেখেছি ভিন্ন। একটি দল তারা মনে করেছে যে আমরা ক্ষমতায় এসে গিয়েছি। এই ভেবে, এই ভেবে তারা বিভিন্ন প্রকার অপকর্মের সাথে লিপ্ত হতে শুরু করেছে। তারা লাগামহীনভাবে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। তারা লাগামহীনভাবে খুন-ধর্ষণসহ বিভিন্ন প্রকার অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা আমার ভাই, শেরপুরের জামায়াত নেতাকে হত্যা করেছে। আমরা আজকের এই সমাবেশ থেকে এই হত্যার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।”

জকসুর পরাজিত জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কোবরার মন্তব্য সম্পর্কে বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাদের এক নেত্রী একটা টকশোতে বলেছেন— শিবিরকে কি চাঁদাবাজ মুক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাকি? আমরা বলতে চাই, শুধু চাঁদাবাজ কেন? এই দেশে কোনো প্রকার অন্যায় আমরা সহ্য করব না। অন্যায় কায়েম নির্মূল করার জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির যথাযথ কাজ করে যাবে। আমি ঐ বোনকে বলতে চাই, আপনি তো নিজেকে ইসলামিস্ট দাবি করেন, আপনি একটু এই হাদিসের কথা মনে করবেন যে হাদিসে রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন তোমাদের সামনে যদি কোনো অন্যায় হয় তাহলে তোমরা সেটা হাত দ্বারা প্রতিরোধ করো। তা যদি না পারো তাহলে মুখ দ্বারা প্রতিরোধ করো, তাও যদি না পারো অন্ততপক্ষে অন্তর দ্বারা ঘৃণা করো। সুতরাং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইমানি দায়িত্ব থেকে বিরোধিতা করবে।”

উদ্দেশ্যপ্রণীত অপপ্রচার সম্পর্কে বলেন, “শেরপুরের ঘটনার পর পরই বিএনপির এক নেতা লাইভে এসে বলেছেন—আমি নিহত হই নাই, আমাকে মারা হয় নাই। এটা বলার কারণ কী জানেন? কারণ বিএনপি অলরেডি প্রচার করা শুরু করেছে যে আমাদের ঐ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা নিজেরাই হত্যা করে জামায়াতে ইসলামীর ওপর বা ছাত্রশিবিরের ওপর দায় দেওয়ার জন্য তারা পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু তার তো জীবনের মায়া আছে, জীবন বাঁচাতে যেয়ে ফেসবুক লাইভে এসে বাধ্য হয়েছে। আমরা বলতে চাই, এরকম অপরাজনীতি করবেন না। আপনারা ভেবেছেন যে আমরা নব্বইয়ের দশকের রাজনীতিতে আবার ফিরে যাব। কিন্তু এ যুগের ছাত্রসমাজ, এ যুগের মানুষ সচেতন; তারা আপনাকে নব্বইয়ের রাজনীতিতে ফিরে যেতে দেবে না। আসুন, আপনারা আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতি চর্চা করি।”

বিএনপির রাজনৈতিক অপতৎপরতা সম্পর্কে বলেন, “আমরা দেখেছি এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যখন আগস্টের পরবর্তী সময়ে যখন দেখেছিল যে আমরাই ক্ষমতায় এসেছি এটা ভেবে তারা যে অপকর্ম শুরু করেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই অপকর্ম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। যতদিন গেছে তত তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলেছে। সেই জনপ্রিয়তা হারিয়ে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তো, তাই তো তাদের মধ্য থেকে কিছু কুলাঙ্গার কাপুরুষ আমার মা-বোনদের গায়ে পর্যন্ত হাত তুলেছে। আমরা দেখেছি তারা লাগামহীনভাবে মা-বোনদের হেনস্তা করা শুরু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত না। যে নেতাকর্মীরা আমার মা-বোনদের গায়ে হাত তুলেছে, তাদের বলতে চাই আমার মা-বোনদের গায়ে হাত দেওয়ার আগে একবার চিন্তা করে নেবেন, হাত-পা না থাকলে হাত-পা অবশ হয়ে গেলে কীভাবে চলতে হয়।”

প্রসঙ্গত, শেরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ ঝিনাইগাতী উপজেলার জামায়াত সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন।