ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার

মাতৃভাষা ভাষা দিবস উপলক্ষে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবিরের বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা

কবি নজরুল সরকারি কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রথম বারের মতো প্রকাশ্যে বির্তক ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রশিবির।

রচনা প্রতিযোগিতায় ২ টি গ্রুপে আগ্রহীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। যেখানে ক গ্রুপে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এবং খ গ্রুপে স্নাতকের শিক্ষার্থীরা রচনা জমা দিতে পারবেন।

ক গ্রুপে ‘২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের ভাষা ও স্লোগানের প্রভাব, মাতৃভাষায় জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনীয়তা, একটি জাতির আত্মপরিচয়ের বাহন মাতৃভাষা’ বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটি বিষয়ে ১২০০ শব্দের মধ্যে আর খ গ্রুপে ‘জুলুমের বিপরীতে ইনসাফ কায়েমে ভাষা একটি শক্তিশালী মাধ্যম, উন্নতির শিখরে আরোহণের জন্য মাতৃভাষা একটি মাধ্যম, বাংলা ভাষার ইতিহাস ও পটভূমি’ বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটি বিষয়ে ১৫০০ শব্দে রচনা উপস্থাপন করতে হবে। আগামী ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের এ রচনা জমা দিতে হবে।

এদিকে মাতৃভাষা বাংলাকে সম্মান জানিয়ে আন্তঃবিভাগীয় আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগীতারও আয়োজন করেছে তারা। যেখানে ইংরেজি শব্দ পরিহার করে সকল বিতার্কিককে আঞ্চলিক ভাষায় বিতর্ক করতে হবে।এশিয়ান পার্লামেন্টারিতে হওয়া বিতর্কটি আগামী ২১ শে ফেব্রুয়ারি নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিষয়ে কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি বায়জিদ মাহমুদ বলেন, ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আমরা এ আয়োজন করছি। ছাত্রশিবির সবসময়ই ছাত্রদের বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করে থাকে। বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে না, বরং তাদের যৌক্তিক চিন্তা, ভাষাগত দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

তিনি আরো বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে। বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। গভীর গবেষণা ও তথ্য আহরণের জন্য বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা অন্যতম ভূমিকা পালন করবে।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

মাতৃভাষা ভাষা দিবস উপলক্ষে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবিরের বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত ১০:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কবি নজরুল সরকারি কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রথম বারের মতো প্রকাশ্যে বির্তক ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রশিবির।

রচনা প্রতিযোগিতায় ২ টি গ্রুপে আগ্রহীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। যেখানে ক গ্রুপে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এবং খ গ্রুপে স্নাতকের শিক্ষার্থীরা রচনা জমা দিতে পারবেন।

ক গ্রুপে ‘২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের ভাষা ও স্লোগানের প্রভাব, মাতৃভাষায় জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনীয়তা, একটি জাতির আত্মপরিচয়ের বাহন মাতৃভাষা’ বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটি বিষয়ে ১২০০ শব্দের মধ্যে আর খ গ্রুপে ‘জুলুমের বিপরীতে ইনসাফ কায়েমে ভাষা একটি শক্তিশালী মাধ্যম, উন্নতির শিখরে আরোহণের জন্য মাতৃভাষা একটি মাধ্যম, বাংলা ভাষার ইতিহাস ও পটভূমি’ বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটি বিষয়ে ১৫০০ শব্দে রচনা উপস্থাপন করতে হবে। আগামী ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের এ রচনা জমা দিতে হবে।

এদিকে মাতৃভাষা বাংলাকে সম্মান জানিয়ে আন্তঃবিভাগীয় আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগীতারও আয়োজন করেছে তারা। যেখানে ইংরেজি শব্দ পরিহার করে সকল বিতার্কিককে আঞ্চলিক ভাষায় বিতর্ক করতে হবে।এশিয়ান পার্লামেন্টারিতে হওয়া বিতর্কটি আগামী ২১ শে ফেব্রুয়ারি নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিষয়ে কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি বায়জিদ মাহমুদ বলেন, ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আমরা এ আয়োজন করছি। ছাত্রশিবির সবসময়ই ছাত্রদের বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করে থাকে। বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে না, বরং তাদের যৌক্তিক চিন্তা, ভাষাগত দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

তিনি আরো বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে। বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। গভীর গবেষণা ও তথ্য আহরণের জন্য বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা অন্যতম ভূমিকা পালন করবে।