ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানকে ডাকল ভারত Logo ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘের দ্বারস্থ শেখ হাসিনা Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সহযোগিতা স্মারক সই Logo বিশ্বজয়ের সাফল্য, ইন্ডাস্ট্রির হতাশা নিয়ে ‘স্টার স্টোরিজ’-এ মনোজ প্রামাণিক Logo নির্বাচনে ইসরায়েলি ইহুদিদের অপ্রত্যাশিত সমর্থনে সংকট উৎরে গেলেন নেতানিয়াহু Logo শফিক রিয়ানের কথাসাহিত্যে নতুন সংযোজন ‘প্ররোচক’ Logo মাদারীপুরে শতাধিক বাড়িতে হামলা-লুটপাট Logo রোমানদের ১৬০০ বছরের পুরনো কাচশিল্পের রহস্য উদ্ধার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না: নাহিদ ইসলাম

যবিপ্রবির ডেপুটি রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ভুয়া বেতনসিট ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০২:৫৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • ২১৫ বার পঠিত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আউটসোর্সিং জনবল হিসেবে কর্মরত অনুপস্থিত পাঁচজন কর্মচারীর তিন মাসের ভুয়া বেতনসিটে তৈরি ও সিকিউরিটি সার্ভিস কোম্পানি ‘বিএসএস’ এর সাথে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে যবিপ্রবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টেট ও নিরাপত্তা শাখা) মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। এছাড়া গতমাসের বেতনসিটে কর্মচারীদের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় অডিট আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিট সেল।

জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৫ জন কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও হাজিরা সিটে তাদের স্বাক্ষর দেখিয়ে বেতন বিল তৈরি করেছে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবির। একই উপায়ে বেতনসিট তৈরি করে কয়েক মাস যাবৎ বিএসএস কোম্পানিকে অবৈধ বেতন উত্তোলনে সহযোগিতার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নিয়েছেন বলে অভিযোগও রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এদিকে মার্চ মাসে আউটসোর্সিংয়ের তিনজন কর্মচারীর বেতনসিট যাচাই-বাছাইয়ের সময় অডিট আপত্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিট সেল। অডিট আপত্তিতে বলা হয়, একজন কর্মচারীর নামের স্থানে অন্যজনের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অপর দুইজনের স্বাক্ষরের সঙ্গে তাদের মূল স্বাক্ষরের মিল পাওয়া যায়নি। যার দায়িত্বে ছিলেন এই জাহাঙ্গীর কবির।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী জানান, আমাদের বেশ কয়েকজন বেশিরভাগ সময় আসেনা। যেকোনো একদিন ওদের ডেকে নিয়ে এসে হাজিরাসিটে একবারে সাইন করিয়ে নেন জাহাঙ্গীর স্যার। এইভাবে হাজিরা দেখিয়ে মাসের বিল তৈরি করেন উনি। এছাড়া এই আউটসোর্সিং কোম্পানির সাথে যোগাযোগ ও কর্মচারীদের বিষয়ে সবকিছু একাই নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, যে তিন জনের অডিট আপত্তি এসেছে তাদের মধ্যে একজনকে কোম্পানি বদলি করে আরেক জনকে দিয়েছে। কিন্তু বিল তৈরির সময় ভুলে পূর্বের নাম রয়ে গেছে। আর যে দুই জনের স্বাক্ষরে অমিল পাওয়া যায় তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে ভেরিফাই করেছে আর আরেকজন ছুটিতে থাকায় এখনো ভেরিফাই করতে পারেনি।

অনুপস্থিত কর্মচারীদের উপস্থিতি দেখিয়ে বেতনসিট তৈরির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোন অভিযোগ আমার জানা নেই। এতোদিন বিভিন্ন কাজের চাপের কারণে এবিষয়টি আমি নিজে তত্ত্বাবধান করতে পারিনি। এখন থেকে তাদের হাজিরার বিষয়টি আমি নিজে তত্ত্বাবধান করছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীব বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যেই আমি অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

জনপ্রিয়

দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানকে ডাকল ভারত

যবিপ্রবির ডেপুটি রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ভুয়া বেতনসিট ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ

প্রকাশিত ০২:৫৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আউটসোর্সিং জনবল হিসেবে কর্মরত অনুপস্থিত পাঁচজন কর্মচারীর তিন মাসের ভুয়া বেতনসিটে তৈরি ও সিকিউরিটি সার্ভিস কোম্পানি ‘বিএসএস’ এর সাথে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে যবিপ্রবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টেট ও নিরাপত্তা শাখা) মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। এছাড়া গতমাসের বেতনসিটে কর্মচারীদের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় অডিট আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিট সেল।

জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৫ জন কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও হাজিরা সিটে তাদের স্বাক্ষর দেখিয়ে বেতন বিল তৈরি করেছে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবির। একই উপায়ে বেতনসিট তৈরি করে কয়েক মাস যাবৎ বিএসএস কোম্পানিকে অবৈধ বেতন উত্তোলনে সহযোগিতার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নিয়েছেন বলে অভিযোগও রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এদিকে মার্চ মাসে আউটসোর্সিংয়ের তিনজন কর্মচারীর বেতনসিট যাচাই-বাছাইয়ের সময় অডিট আপত্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিট সেল। অডিট আপত্তিতে বলা হয়, একজন কর্মচারীর নামের স্থানে অন্যজনের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অপর দুইজনের স্বাক্ষরের সঙ্গে তাদের মূল স্বাক্ষরের মিল পাওয়া যায়নি। যার দায়িত্বে ছিলেন এই জাহাঙ্গীর কবির।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী জানান, আমাদের বেশ কয়েকজন বেশিরভাগ সময় আসেনা। যেকোনো একদিন ওদের ডেকে নিয়ে এসে হাজিরাসিটে একবারে সাইন করিয়ে নেন জাহাঙ্গীর স্যার। এইভাবে হাজিরা দেখিয়ে মাসের বিল তৈরি করেন উনি। এছাড়া এই আউটসোর্সিং কোম্পানির সাথে যোগাযোগ ও কর্মচারীদের বিষয়ে সবকিছু একাই নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, যে তিন জনের অডিট আপত্তি এসেছে তাদের মধ্যে একজনকে কোম্পানি বদলি করে আরেক জনকে দিয়েছে। কিন্তু বিল তৈরির সময় ভুলে পূর্বের নাম রয়ে গেছে। আর যে দুই জনের স্বাক্ষরে অমিল পাওয়া যায় তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে ভেরিফাই করেছে আর আরেকজন ছুটিতে থাকায় এখনো ভেরিফাই করতে পারেনি।

অনুপস্থিত কর্মচারীদের উপস্থিতি দেখিয়ে বেতনসিট তৈরির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোন অভিযোগ আমার জানা নেই। এতোদিন বিভিন্ন কাজের চাপের কারণে এবিষয়টি আমি নিজে তত্ত্বাবধান করতে পারিনি। এখন থেকে তাদের হাজিরার বিষয়টি আমি নিজে তত্ত্বাবধান করছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীব বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যেই আমি অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।