ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’ Logo পাবিপ্রবিতে বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা Logo হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের Logo ডিআরইউ সঙ্গে পুপরোয়া’র মতবিনিময় সভা Logo শিক্ষকদের পাঠ মুল্যায়নে অনলাইন ফিডব্যাক বাধ্যতামুলক করলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় Logo মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন

গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি (কনকসাস)।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে এগারোটায় কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে ‘সাংবাদিক হত্যার বিচার চাই’, ‘মুক্ত গণমাধ্যম চর্চার সুযোগ চাই’, ‘সত্য বলা কি অপরাধ? তাহলে সাংবাদিক হত্যা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’ লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা।

কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকে মানববন্ধন করে কনকসাস’র নেতৃবৃন্দ

মানববন্ধনে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’ র (কনকসাস) সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ বলেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড শুধু একটি প্রাণহানি নয়, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর এক নির্মম ও বর্বর আঘাত। একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার মতো ঘটনা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না।

তিনি আরো বলেন, এই ঘটনা আমাদের বাকরুদ্ধ করেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু, সেই দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতা আজ গাজীপুরের রাস্তায় সাংবাদিক তুহিনের রক্তে লেখা হয়েছে। এই দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না।

কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’র (কনকসাস) সভাপতি মো. আতিক হাসান শুভ বলেন, প্রকাশ্যে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আমি নির্বাক। এটা এই সরকার ও প্রশাসনের দুর্বলতার জানান দেয়। দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা না গেলে আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র কিছুই থাকবে না।

কনকসাস’র সভাপতি আরো বলেন, সব সরকারের শাসনামলেই গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার একটা নোংরা মন মানসিকতা বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির নিউজ করলেই মারধর, জেল-জুলুম, নির্যাতনের শিকার হয়। বিগত সময়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি ঠিকভাবে হতো তাহলে আজকে আর এমন নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটতো না।

অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।

জনপ্রিয়

বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন

প্রকাশিত ০২:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি (কনকসাস)।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে এগারোটায় কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে ‘সাংবাদিক হত্যার বিচার চাই’, ‘মুক্ত গণমাধ্যম চর্চার সুযোগ চাই’, ‘সত্য বলা কি অপরাধ? তাহলে সাংবাদিক হত্যা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’ লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা।

কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকে মানববন্ধন করে কনকসাস’র নেতৃবৃন্দ

মানববন্ধনে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’ র (কনকসাস) সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ বলেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড শুধু একটি প্রাণহানি নয়, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর এক নির্মম ও বর্বর আঘাত। একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার মতো ঘটনা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না।

তিনি আরো বলেন, এই ঘটনা আমাদের বাকরুদ্ধ করেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু, সেই দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতা আজ গাজীপুরের রাস্তায় সাংবাদিক তুহিনের রক্তে লেখা হয়েছে। এই দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না।

কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’র (কনকসাস) সভাপতি মো. আতিক হাসান শুভ বলেন, প্রকাশ্যে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আমি নির্বাক। এটা এই সরকার ও প্রশাসনের দুর্বলতার জানান দেয়। দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা না গেলে আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র কিছুই থাকবে না।

কনকসাস’র সভাপতি আরো বলেন, সব সরকারের শাসনামলেই গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার একটা নোংরা মন মানসিকতা বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির নিউজ করলেই মারধর, জেল-জুলুম, নির্যাতনের শিকার হয়। বিগত সময়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি ঠিকভাবে হতো তাহলে আজকে আর এমন নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটতো না।

অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।