ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের জন্য প্লে-জোন নির্মাণ করল রবি Logo ভিভো ওয়াই৩১ডি-এর সাথে উৎসবের দিন আরও রঙিন Logo পুনর্বাসন ও জীবিকা উন্নয়নে সিআরপি ও ডিআরআরএ–র পাশে ইউনিলিভার বাংলাদেশ Logo নির্বাচনের আগে-পরে বিএনপি নিয়ে বাংলাদেশি কূটনীতিকের বিষোদগার Logo দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন Logo সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোটাতে রমজানে কোকা-কোলার বিশেষ উদ্যোগ Logo শহর পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে কর্মীদের দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান ডিএনসিসি প্রশাসকের Logo বগুড়া ও খুলনায় গ্র‍্যান্ড ওপেনিংয়ের মাধ্যমে ইল্লিয়ীনের যাত্রা শুরু Logo আফটার-সেলসে রিয়েলমির নতুন মানদণ্ডঃ এক্সক্লুসিভ ‘১ আওয়ার সার্ভিস Logo প্রথমবারের মতো স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর নিয়ে বাজারে এলো ইনফিনিক্স নোট ৬০ সিরিজ

সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন

গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি (কনকসাস)।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে এগারোটায় কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে ‘সাংবাদিক হত্যার বিচার চাই’, ‘মুক্ত গণমাধ্যম চর্চার সুযোগ চাই’, ‘সত্য বলা কি অপরাধ? তাহলে সাংবাদিক হত্যা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’ লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা।

কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকে মানববন্ধন করে কনকসাস’র নেতৃবৃন্দ

মানববন্ধনে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’ র (কনকসাস) সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ বলেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড শুধু একটি প্রাণহানি নয়, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর এক নির্মম ও বর্বর আঘাত। একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার মতো ঘটনা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না।

তিনি আরো বলেন, এই ঘটনা আমাদের বাকরুদ্ধ করেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু, সেই দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতা আজ গাজীপুরের রাস্তায় সাংবাদিক তুহিনের রক্তে লেখা হয়েছে। এই দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না।

কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’র (কনকসাস) সভাপতি মো. আতিক হাসান শুভ বলেন, প্রকাশ্যে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আমি নির্বাক। এটা এই সরকার ও প্রশাসনের দুর্বলতার জানান দেয়। দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা না গেলে আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র কিছুই থাকবে না।

কনকসাস’র সভাপতি আরো বলেন, সব সরকারের শাসনামলেই গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার একটা নোংরা মন মানসিকতা বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির নিউজ করলেই মারধর, জেল-জুলুম, নির্যাতনের শিকার হয়। বিগত সময়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি ঠিকভাবে হতো তাহলে আজকে আর এমন নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটতো না।

অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।

জনপ্রিয়

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের জন্য প্লে-জোন নির্মাণ করল রবি

সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন

প্রকাশিত ০২:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি (কনকসাস)।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে এগারোটায় কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে ‘সাংবাদিক হত্যার বিচার চাই’, ‘মুক্ত গণমাধ্যম চর্চার সুযোগ চাই’, ‘সত্য বলা কি অপরাধ? তাহলে সাংবাদিক হত্যা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’ লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা।

কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকে মানববন্ধন করে কনকসাস’র নেতৃবৃন্দ

মানববন্ধনে কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’ র (কনকসাস) সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ বলেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড শুধু একটি প্রাণহানি নয়, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর এক নির্মম ও বর্বর আঘাত। একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার মতো ঘটনা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না।

তিনি আরো বলেন, এই ঘটনা আমাদের বাকরুদ্ধ করেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু, সেই দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতা আজ গাজীপুরের রাস্তায় সাংবাদিক তুহিনের রক্তে লেখা হয়েছে। এই দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না।

কবি নজরুল কলেজ সাংবাদিক সমিতি’র (কনকসাস) সভাপতি মো. আতিক হাসান শুভ বলেন, প্রকাশ্যে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আমি নির্বাক। এটা এই সরকার ও প্রশাসনের দুর্বলতার জানান দেয়। দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা না গেলে আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র কিছুই থাকবে না।

কনকসাস’র সভাপতি আরো বলেন, সব সরকারের শাসনামলেই গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার একটা নোংরা মন মানসিকতা বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির নিউজ করলেই মারধর, জেল-জুলুম, নির্যাতনের শিকার হয়। বিগত সময়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি ঠিকভাবে হতো তাহলে আজকে আর এমন নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটতো না।

অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।