ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

চবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার বিচার চেয়ে ইবিতে বিক্ষোভ

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৮:১৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪৪ বার পঠিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে শুরু হওয়া মিছিল শেষে বটতলায় জড়ো হয়ে তারা হামলারকারীদের বিচারে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন এবং ইবির নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

মিছিলে ‘চবিতে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘আমার ভাই আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,’ ‘জুলাই যোদ্ধা আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,‘ ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না,’ ‘প্রশাসনের প্রহসন, মানি না মানবো না‘সহ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ইবি শাখার সাবেক সমন্বয়ক এসএম সুইট, সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী, ইয়াসিরুল কবির সৌরভসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী।

সমাবেশে বক্তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপর স্থানীয়দের নির্মম হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন “যেই স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য ছাত্রজনতা জুলাই আন্দোলন করেছে সেই নিরাপত্তা এখনো পায়নি, তার দৃশ্য আমরা দেখতে পেয়েছি চবিতে হামলা করা হয় কিন্তু ইন্টেরিম সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বলি, আপনারা সন্ত্রাসী হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ব্যবস্থা করেন। যদি সেটা করতে না পারেন তাহলে আপনাদের সরকারে থাকার কোনো দরকার নাই।”

ইবি শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এসএম সুইট বলেন, “জুলাই আন্দোলনকারীদের কিভাবে মারা হবে, আহত করা হবে, নিগৃহ করা হবে এটা একটা ট্রেন্ডের মতো হয়ে গেছে। এই ট্রেন্ডের সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভাই-বোন ও শিক্ষদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করা হয়েছে। অভূত্থান পরবর্তীতে প্রত্যেকটি জায়গায় সংস্কার হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা হয়নি। উল্টো আওয়ামী লীগ রিফাইন্ড করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রশাসন এর দায় এড়াতে পারে না। চবিতে হামলার সুষ্ঠু বিচার ইন্টেরিম সরকার করতে যদি না করতে পারে, তবে তাদের চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে দেরিতে বাসায় ফেরাকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রী বাসার দারোয়ান কর্তৃক প্রহৃত হলে তাকে কেন্দ্র করে রাতেই দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। এর জেরে রোববার সকালে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে আবারো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ৭০জন শিক্ষার্থী আহত হন।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

চবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার বিচার চেয়ে ইবিতে বিক্ষোভ

প্রকাশিত ০৮:১৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে শুরু হওয়া মিছিল শেষে বটতলায় জড়ো হয়ে তারা হামলারকারীদের বিচারে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন এবং ইবির নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

মিছিলে ‘চবিতে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘আমার ভাই আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,’ ‘জুলাই যোদ্ধা আহত কেন, ইন্টেরিম জবাব চাই,‘ ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না,’ ‘প্রশাসনের প্রহসন, মানি না মানবো না‘সহ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ইবি শাখার সাবেক সমন্বয়ক এসএম সুইট, সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী, ইয়াসিরুল কবির সৌরভসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী।

সমাবেশে বক্তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপর স্থানীয়দের নির্মম হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন “যেই স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য ছাত্রজনতা জুলাই আন্দোলন করেছে সেই নিরাপত্তা এখনো পায়নি, তার দৃশ্য আমরা দেখতে পেয়েছি চবিতে হামলা করা হয় কিন্তু ইন্টেরিম সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বলি, আপনারা সন্ত্রাসী হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ব্যবস্থা করেন। যদি সেটা করতে না পারেন তাহলে আপনাদের সরকারে থাকার কোনো দরকার নাই।”

ইবি শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এসএম সুইট বলেন, “জুলাই আন্দোলনকারীদের কিভাবে মারা হবে, আহত করা হবে, নিগৃহ করা হবে এটা একটা ট্রেন্ডের মতো হয়ে গেছে। এই ট্রেন্ডের সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভাই-বোন ও শিক্ষদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করা হয়েছে। অভূত্থান পরবর্তীতে প্রত্যেকটি জায়গায় সংস্কার হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা হয়নি। উল্টো আওয়ামী লীগ রিফাইন্ড করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রশাসন এর দায় এড়াতে পারে না। চবিতে হামলার সুষ্ঠু বিচার ইন্টেরিম সরকার করতে যদি না করতে পারে, তবে তাদের চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে দেরিতে বাসায় ফেরাকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রী বাসার দারোয়ান কর্তৃক প্রহৃত হলে তাকে কেন্দ্র করে রাতেই দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। এর জেরে রোববার সকালে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে আবারো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ৭০জন শিক্ষার্থী আহত হন।