ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রযুক্তিভিত্তিক সেবায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও নগরজীবনের নতুন সম্ভাবনা গড়ছে বি-ট্র্যাক সলিউশন্স Logo বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৭০ লাখ কনডম বিনামূল্যে বিতরণ করবে মেক্সিকো Logo ব্রাজিলকে ৭ গোল দিয়েছে যে সব দেশ Logo সিমাগো ইনস্টিটিউশন র‍্যাংকিংয়ে দেশে গণিতে তৃতীয় পাবিপ্রবি Logo যেভাবে মোবাইলে দেখবেন বিশ্বকাপের খেলা Logo ফিফার জাদুঘরে জায়গা পেল বাংলাদেশ ফুটবল দলের জার্সি Logo আর্জেন্টিনা সমর্থককে পেটানোর অভিযোগ ব্রাজিল সমর্থকের বিরুদ্ধে Logo রাতে পরকীয়া প্রেমিকার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক বিএনপি নেতা Logo বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে বাকৃবিতে চিত্রাঙ্কন ও ডেইরি রেসিপি প্রতিযোগিতা Logo নারীদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রী

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে: সারজিস

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অপরাধ, দুর্নীতি ও খুনিদের কোনো স্থান নেই উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ যেমন জনগণের রক্তের দায়ে কলঙ্কিত, তাদের দোসর জাতীয় পার্টিও সমানভাবে দায়ী। অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এই দুই দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা শহরের কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত প্রত্যেক নেতা খুন, সন্ত্রাস ও দমননীতির সঙ্গে জড়িত। শেখ হাসিনা একা কিছু করেননি, তার জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারাই তার নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছে। তারা সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

জাতীয় পার্টিকে ‘আওয়ামী লীগের বি-টিম’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দলটির কো-চেয়ারম্যান সম্প্রতি বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভালো নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার কথা। সারজিস আলম এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই—এই কথাই প্রমাণিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর তাদের ছায়াতলে থাকা চোরদের জাতীয় পার্টি এখন আশ্রয় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহ, শাপলা চত্বরের গণহত্যা এবং সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানকালে হাজারো মানুষ হত্যার দায় আওয়ামী লীগের। এ অপরাধের জন্য কোনোভাবেই তাদের ক্ষমা করা যায় না। যারা গণহত্যার দায়ে জড়িত, তাদের বিচার ফাঁসির মঞ্চে হতে হবে। এটাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন সারজিস আলম।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আপনাদের কাজ শুধু একটি গতানুগতিক সরকার পরিচালনা করা নয়। জনগণ রক্ত দিয়েছে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য। ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারীদের প্রতি নমনীয়তা জনগণের আস্থা সংকট তৈরি করবে।

সারজিস আলম আরও বলেন, আগামী বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার থাকবে কেবল তাদেরই, যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় লড়াই করেছে। যারা খুনি হাসিনাকে স্বৈরাচার বানাতে সহযোগিতা করেনি। যারা অভ্যুত্থানের যোদ্ধা ছিল তাদের হাতেই ভবিষ্যতের রাজনীতি থাকবে। অপরাধীদের কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না বলে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান।

জনপ্রিয়

প্রযুক্তিভিত্তিক সেবায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও নগরজীবনের নতুন সম্ভাবনা গড়ছে বি-ট্র্যাক সলিউশন্স

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে: সারজিস

প্রকাশিত ১০:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অপরাধ, দুর্নীতি ও খুনিদের কোনো স্থান নেই উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ যেমন জনগণের রক্তের দায়ে কলঙ্কিত, তাদের দোসর জাতীয় পার্টিও সমানভাবে দায়ী। অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এই দুই দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা শহরের কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত প্রত্যেক নেতা খুন, সন্ত্রাস ও দমননীতির সঙ্গে জড়িত। শেখ হাসিনা একা কিছু করেননি, তার জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারাই তার নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছে। তারা সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

জাতীয় পার্টিকে ‘আওয়ামী লীগের বি-টিম’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দলটির কো-চেয়ারম্যান সম্প্রতি বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভালো নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার কথা। সারজিস আলম এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই—এই কথাই প্রমাণিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর তাদের ছায়াতলে থাকা চোরদের জাতীয় পার্টি এখন আশ্রয় দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহ, শাপলা চত্বরের গণহত্যা এবং সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানকালে হাজারো মানুষ হত্যার দায় আওয়ামী লীগের। এ অপরাধের জন্য কোনোভাবেই তাদের ক্ষমা করা যায় না। যারা গণহত্যার দায়ে জড়িত, তাদের বিচার ফাঁসির মঞ্চে হতে হবে। এটাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন সারজিস আলম।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আপনাদের কাজ শুধু একটি গতানুগতিক সরকার পরিচালনা করা নয়। জনগণ রক্ত দিয়েছে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য। ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারীদের প্রতি নমনীয়তা জনগণের আস্থা সংকট তৈরি করবে।

সারজিস আলম আরও বলেন, আগামী বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার থাকবে কেবল তাদেরই, যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় লড়াই করেছে। যারা খুনি হাসিনাকে স্বৈরাচার বানাতে সহযোগিতা করেনি। যারা অভ্যুত্থানের যোদ্ধা ছিল তাদের হাতেই ভবিষ্যতের রাজনীতি থাকবে। অপরাধীদের কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না বলে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান।