ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মাকে সঙ্গে আনতে না পারা ভোজিনহার পাশে দাঁড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo একই দিনে দুই ইতিহাসের নায়ক মেসি Logo পাবনায় ১৬ জনের এইচআইভি শনাক্ত, আক্রান্তদের মধ্যে ৭ জন সমকামী Logo আর্জেন্টিনার জয়ে মাথা ন্যাড়া করলেন ব্রাজিল সমর্থক Logo যবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিজমেকার Logo নিউইয়র্কে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের সংঘর্ষ, ম্যাচের আগে উত্তেজনা Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে জিতবে কে, জানিয়ে দিলো সুপার কম্পিউটার Logo মাত্র ১২ বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হলেন রুবায়েত সরদার Logo আর্জেন্টিনার সমর্থককে এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরানোয় থানায় অভিযোগ Logo প্রেমের টানে বাংলাদেশে চীনা যুবক, ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

চালকের গাফিলতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বাস থেকে পড়ে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আহত

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১১:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮১ বার পঠিত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের রাদিয়া রাশিদ শায়লা নামের এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার সময় বাস চালক হঠাৎ গতি বাড়িয়ে দেয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রজনীগন্ধা’ নামের বাস থেকে নামার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানান, ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নামছিলেন। প্রথমে দুইজন নামার পরপরই আরেক ছাত্রী নামতে গেলে চালক হঠাৎ বাসটি ফুল স্পিডে চালু করেন। এতে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে যান।
এসময় শিক্ষার্থীর চশমা ভেঙে যায় এবং কপালে কেটে রক্তক্ষরণ হয়। পাশাপাশি রাস্তায় পড়ে গিয়ে তার হাত-পায়ে মারাত্মক ব্যথা হয় এবং দাঁতে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ৬ মাস ধরে ওষুধ চলিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

ভুক্তভোগী রাদিয়া রাশিদ শায়লা বলেন, বিনোদিয়া পার্কে নামার সময় বাসের গতি ধীর হলে আমার বন্ধুরা সামনের গেট দিয়ে নামে। কিন্তু আমি পেছনের গেটের কাছে থাকার কারণে ঐ গেট দিয়েই নামার চেষ্টা করি। কিন্তু নামার সময় বাস চালক হঠাৎ বাসের গতি বাড়িয়ে দেন। এতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে পড়ে যাই। আমার দাঁত, কপাল এবং হাতে আঘাত লাগে। সবচেয়ে গুরুতর আঘাত দাঁতে। নামার সময় বাস চালকের উচিত সম্পূর্ণভাবে বাস থামানো। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চলন্ত বাস থেকে নামা কঠিন।

এ ঘটনায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, দুর্ঘটনার জন্য চালকের গাফিলতিই মূল দায়। সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো ছাত্রীটি রাস্তায় পড়ে গেলেও বাসটি থামিয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দেওয়ার বাইরে কেউ নেমে খোঁজ নেননি। আশপাশের লোকজনও সাহায্যে এগোেননি।

পরিবহন প্রশাসক ড. মো. শিমুল ইসলাম বলেন, আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। আমি বাস চালকদের সাথে এ বিষয়ে একটি মিটিং করেছি। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতি দ্রুত একটি নোটিশ জারি করা হবে, যাতে ড্রাইভার ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাসে ওঠা-নামা ও চলাফেরার নির্দেশনা থাকবে। প্রত্যেক গাড়িতেই নোটিশ লাগানো হবে। আশা করি, এগুলো অনুসরণ করলে দুর্ঘটনা কমে যাবে।

জনপ্রিয়

মাকে সঙ্গে আনতে না পারা ভোজিনহার পাশে দাঁড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চালকের গাফিলতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বাস থেকে পড়ে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আহত

প্রকাশিত ১১:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের রাদিয়া রাশিদ শায়লা নামের এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার সময় বাস চালক হঠাৎ গতি বাড়িয়ে দেয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রজনীগন্ধা’ নামের বাস থেকে নামার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানান, ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নামছিলেন। প্রথমে দুইজন নামার পরপরই আরেক ছাত্রী নামতে গেলে চালক হঠাৎ বাসটি ফুল স্পিডে চালু করেন। এতে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে যান।
এসময় শিক্ষার্থীর চশমা ভেঙে যায় এবং কপালে কেটে রক্তক্ষরণ হয়। পাশাপাশি রাস্তায় পড়ে গিয়ে তার হাত-পায়ে মারাত্মক ব্যথা হয় এবং দাঁতে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ৬ মাস ধরে ওষুধ চলিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

ভুক্তভোগী রাদিয়া রাশিদ শায়লা বলেন, বিনোদিয়া পার্কে নামার সময় বাসের গতি ধীর হলে আমার বন্ধুরা সামনের গেট দিয়ে নামে। কিন্তু আমি পেছনের গেটের কাছে থাকার কারণে ঐ গেট দিয়েই নামার চেষ্টা করি। কিন্তু নামার সময় বাস চালক হঠাৎ বাসের গতি বাড়িয়ে দেন। এতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে পড়ে যাই। আমার দাঁত, কপাল এবং হাতে আঘাত লাগে। সবচেয়ে গুরুতর আঘাত দাঁতে। নামার সময় বাস চালকের উচিত সম্পূর্ণভাবে বাস থামানো। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চলন্ত বাস থেকে নামা কঠিন।

এ ঘটনায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, দুর্ঘটনার জন্য চালকের গাফিলতিই মূল দায়। সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো ছাত্রীটি রাস্তায় পড়ে গেলেও বাসটি থামিয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দেওয়ার বাইরে কেউ নেমে খোঁজ নেননি। আশপাশের লোকজনও সাহায্যে এগোেননি।

পরিবহন প্রশাসক ড. মো. শিমুল ইসলাম বলেন, আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারি। আমি বাস চালকদের সাথে এ বিষয়ে একটি মিটিং করেছি। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতি দ্রুত একটি নোটিশ জারি করা হবে, যাতে ড্রাইভার ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাসে ওঠা-নামা ও চলাফেরার নির্দেশনা থাকবে। প্রত্যেক গাড়িতেই নোটিশ লাগানো হবে। আশা করি, এগুলো অনুসরণ করলে দুর্ঘটনা কমে যাবে।