ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কবি নজরুল কলেজে সাবেক বিএনসিসি ক্যাডেটদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ‎ইবি শিক্ষিকা হত্যাকান্ডে কুবি শিক্ষক সমিতির তীব্র নিন্দা ও শোক প্রকাশ Logo বাকৃবিস্থ বৃহত্তর দিনাজপুর সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা Logo কুবি শিক্ষককে অপহরণের ঘটনায় অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা Logo জাবিতে স্কাউটসের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও ছাত্র নেতৃবৃন্দের সম্মানে ডাকসুর ইফতার মাহফিল Logo পাবিপ্রবি গেটসংলগ্ন সাঈদের দোকানের ইফতারে আবারও মিললো গোবরে পোকা Logo বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাকসুর প্রতিনিধি সম্মেলন  Logo যবিপ্রবিতে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় জাবি ছাত্রদলের ইফতার

পাঁচ শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ সোচ্চার ইবি চ্যাপ্টারের

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১১:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯১ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে বাস ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সোচ্চার স্টুডেন্ট’স নেটওয়ার্ক ইবি চ্যাপ্টার।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সহ-দপ্তর সম্পাদক জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে “মানবাধিকারের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী” উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাহাত ও সাধারণ সম্পাদক সাগর আহমেদ শিবলু এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাস ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য এবং তিন শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করেছে। আমাদের বিবেচনায় এই শাস্তি তুলনামূলকভাবে অতিরিক্ত, কঠোর এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ন্যায়নীতির পরিপন্থী।”

তারা আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—যেখানে সংশোধন, শিক্ষাদান ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই হওয়া উচিত মূলনীতি। শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় শাস্তির ধরণ হওয়া উচিত শিক্ষামূলক এবং পুনর্বাসনমূলক; কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, যা মানবাধিকারের মৌলিক চেতনারও পরিপন্থী।”

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই ভয়, আতঙ্ক ও দমননীতির জায়গা হতে পারে না; বরং এটি হওয়া উচিত গণতান্ত্রিক, ন্যায়সংগত ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশের প্রতীক। কোনো শিক্ষার্থীর ভুল বা অপরাধের দায়ে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।”

অতঃপর সোচ্চার স্টুডেন্ট’স নেটওয়ার্ক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানায়। একইসাথে শিক্ষার্থীদের প্রতি পুনর্বাসনমূলক ও শিক্ষামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়সংগত সমাধান করতে আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রধান ফটকে বাস ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—এক বছরের জন্য বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নাজিম (২০১৯-২০) ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সায়েম (২০২১-২২)। আর ছয় মাসের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল মান্নান লুমান, সৈয়দ সাজিদ হোসেন ও তাকবির হাসান হৃদয় (সকলেই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ)।

আরো পড়ুন

 

বাস ভাংচুরে বহিষ্কার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী

জনপ্রিয়

কবি নজরুল কলেজে সাবেক বিএনসিসি ক্যাডেটদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

পাঁচ শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ সোচ্চার ইবি চ্যাপ্টারের

প্রকাশিত ১১:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে বাস ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সোচ্চার স্টুডেন্ট’স নেটওয়ার্ক ইবি চ্যাপ্টার।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সহ-দপ্তর সম্পাদক জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে “মানবাধিকারের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী” উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাহাত ও সাধারণ সম্পাদক সাগর আহমেদ শিবলু এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাস ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য এবং তিন শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করেছে। আমাদের বিবেচনায় এই শাস্তি তুলনামূলকভাবে অতিরিক্ত, কঠোর এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ন্যায়নীতির পরিপন্থী।”

তারা আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—যেখানে সংশোধন, শিক্ষাদান ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই হওয়া উচিত মূলনীতি। শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় শাস্তির ধরণ হওয়া উচিত শিক্ষামূলক এবং পুনর্বাসনমূলক; কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, যা মানবাধিকারের মৌলিক চেতনারও পরিপন্থী।”

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই ভয়, আতঙ্ক ও দমননীতির জায়গা হতে পারে না; বরং এটি হওয়া উচিত গণতান্ত্রিক, ন্যায়সংগত ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশের প্রতীক। কোনো শিক্ষার্থীর ভুল বা অপরাধের দায়ে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।”

অতঃপর সোচ্চার স্টুডেন্ট’স নেটওয়ার্ক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানায়। একইসাথে শিক্ষার্থীদের প্রতি পুনর্বাসনমূলক ও শিক্ষামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়সংগত সমাধান করতে আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রধান ফটকে বাস ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—এক বছরের জন্য বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নাজিম (২০১৯-২০) ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সায়েম (২০২১-২২)। আর ছয় মাসের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল মান্নান লুমান, সৈয়দ সাজিদ হোসেন ও তাকবির হাসান হৃদয় (সকলেই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ)।

আরো পড়ুন

 

বাস ভাংচুরে বহিষ্কার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী