ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

ইবি প্রশাসনের কর্তাদেরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য ইবি বৈবিছাআ নেতা ও ছাত্রদল কর্মীর

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১১:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৭ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদেরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈবিছাআ) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।

সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ইবি প্রশাসনের কর্তারা ছাত্রীদের হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ‘লুচ্চামি করতে পারবে’।

এদিকে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের ‘শুয়োরের বাচ্চার চেয়েও অধম’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ইবি শাখা ছাত্রদলের কর্মী রেজাউল ইসলাম রাকিব। বৃহস্পতিবার শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদের শিক্ষকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে রেজাউল ইসলাম রাকিব বলেন, “অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ–বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, সাজিদ হত্যার বিচারে তালবাহানা এবং কথায় কথায় ধর্মের দোহাই—এগুলো শুয়োরের বাচ্চার থেকেও অধম। কারণ শুয়োর পায়খানা খায়, কিন্তু ধর্মের নাম নিয়ে খায় না।”

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম-সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ তাঁর পোস্টে লেখেন, “ক্যাম্পাসে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে চাইলে প্রশাসন বিভিন্ন নিয়মের কথা বলে। অন্যদিকে, মেয়েদের হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিষয়টি হলো, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা উন্মুক্ত অনুষ্ঠানে সবার সামনে লুচ্চামি করতে পারে না, কিন্তু মেয়েদের হলে তা করতে পারে। এতে তাদের কাছে নিজেদের স্বার্থই প্রতিফলিত হয়, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নয়। আর আয়েশা সিদ্দিকা হলের আপুদের কাছে অনুরোধ—অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের কথাও ভাবুন। এমনটি যদি ছেলেদের হলে হতো, তাহলে এতক্ষণে তুলকালাম বেঁধে যেত।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, লুচ্চামি করে এ বিষয়ে তেমন কোন তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে নাই। আমি আমার শব্দচয়নে ভুল করেছি, ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না। আমি সতর্কতার সাথে শব্দচয়ন করব।

ছাত্রদল কর্মী রেজাউল ইসলাম রাকিব তার পোস্টের বিষয়ে বলেন, “সাজিদ আবদুল্লাহর খুনের সঙ্গে জড়িতরা শুয়োরের বাচ্চা ও শুয়োরের চেয়েও অধম—এটাই আমি পোস্টে বোঝাতে চেয়েছি। কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থেকে যারা সাজিদের হত্যার বিচার করতে অবহেলা করছে এবং দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে তারাও শুয়োরের চেয়ে অধম। সেটা রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যন্ত।”

এ বিষয়ে সংগঠনটির আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, “প্রশাসনের সমালোচনা যে কেউ করতে পারে, তবে তা শালীন ভাষায় হওয়া উচিত। এভাবে স্ল্যাং ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, এটা অপরাধ। তার এ অপরাধের দায়ভার একান্তই তার, সংগঠন এর দায়ভার নিবে না।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

ইবি প্রশাসনের কর্তাদেরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য ইবি বৈবিছাআ নেতা ও ছাত্রদল কর্মীর

প্রকাশিত ১১:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদেরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈবিছাআ) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।

সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ইবি প্রশাসনের কর্তারা ছাত্রীদের হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ‘লুচ্চামি করতে পারবে’।

এদিকে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের ‘শুয়োরের বাচ্চার চেয়েও অধম’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ইবি শাখা ছাত্রদলের কর্মী রেজাউল ইসলাম রাকিব। বৃহস্পতিবার শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদের শিক্ষকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে রেজাউল ইসলাম রাকিব বলেন, “অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ–বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, সাজিদ হত্যার বিচারে তালবাহানা এবং কথায় কথায় ধর্মের দোহাই—এগুলো শুয়োরের বাচ্চার থেকেও অধম। কারণ শুয়োর পায়খানা খায়, কিন্তু ধর্মের নাম নিয়ে খায় না।”

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম-সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ তাঁর পোস্টে লেখেন, “ক্যাম্পাসে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে চাইলে প্রশাসন বিভিন্ন নিয়মের কথা বলে। অন্যদিকে, মেয়েদের হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিষয়টি হলো, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা উন্মুক্ত অনুষ্ঠানে সবার সামনে লুচ্চামি করতে পারে না, কিন্তু মেয়েদের হলে তা করতে পারে। এতে তাদের কাছে নিজেদের স্বার্থই প্রতিফলিত হয়, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নয়। আর আয়েশা সিদ্দিকা হলের আপুদের কাছে অনুরোধ—অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের কথাও ভাবুন। এমনটি যদি ছেলেদের হলে হতো, তাহলে এতক্ষণে তুলকালাম বেঁধে যেত।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, লুচ্চামি করে এ বিষয়ে তেমন কোন তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে নাই। আমি আমার শব্দচয়নে ভুল করেছি, ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না। আমি সতর্কতার সাথে শব্দচয়ন করব।

ছাত্রদল কর্মী রেজাউল ইসলাম রাকিব তার পোস্টের বিষয়ে বলেন, “সাজিদ আবদুল্লাহর খুনের সঙ্গে জড়িতরা শুয়োরের বাচ্চা ও শুয়োরের চেয়েও অধম—এটাই আমি পোস্টে বোঝাতে চেয়েছি। কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থেকে যারা সাজিদের হত্যার বিচার করতে অবহেলা করছে এবং দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে তারাও শুয়োরের চেয়ে অধম। সেটা রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যন্ত।”

এ বিষয়ে সংগঠনটির আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, “প্রশাসনের সমালোচনা যে কেউ করতে পারে, তবে তা শালীন ভাষায় হওয়া উচিত। এভাবে স্ল্যাং ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, এটা অপরাধ। তার এ অপরাধের দায়ভার একান্তই তার, সংগঠন এর দায়ভার নিবে না।