ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মলিকুলার বায়োলজি রিসার্চ গ্রুপ ও কোলাবরেটরদের উদ্যোগে বায়োলজি থিংক ট্যাংক মিটিং-২০২৫ এর দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিলেটের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারের সম্মেলনকক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল— “Solving the complex problem through collaborative science and community actions”।
৩ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে আধুনিক বায়োটেকনোলজি গবেষণা, কৃষি ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বিকাশ, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জীববিজ্ঞানের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে বাংলাদেশের খ্যাতিমান জীববিজ্ঞানী ও বায়োটেকনোলজিস্টদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তরুণ গবেষকেরা অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিশিষ্ট জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী। এছাড়া আলোচক হিসেবে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির বিজ্ঞানী ড. ইফতেখার আলম, ড. শামীমা আখতার শারমিন, ড. হাফিজুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বাসির উদ্দীন, ড. ফেরদৌস মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন এবং ড. কাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
আলোচকরা বলেন, “বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে বায়োটেকনোলজি গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের থিংক ট্যাংক সভা, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও সমাজের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করে, যা উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণা ও বাস্তবসম্মত সমাধান উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
মূখ্য আলোচক বিশিষ্ট জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী বলেন, বিজ্ঞান গবেষণা কেবল প্রকাশনায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; তা সমাজের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় নিয়মকানুনের জটিলতা বিজ্ঞানীদের মুক্তচিন্তার বিকাশ ব্যাহত করে এবং গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি নীতিনির্ধারকদের গবেষণাক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত ও কার্যকর সমাধান গ্রহণের আহ্বান জানান।



















