ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

পোস্টার নিষেধাজ্ঞায় বদলেছে নির্বাচনী প্রচারণা, জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ এবং ব্যানার ও ফেস্টুন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে রাজধানীর নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবার আর দেয়াল, খুঁটি কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে পোস্টারের ছড়াছড়ি নেই।

রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, নারিন্দা, কলতাবাজার ও ধূপখোলা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও রাস্তাঘাট, বাজার কিংবা পার্কে কোনো পোস্টার চোখে পড়েনি। কোথাও কোথাও হাতে গোনা কয়েকটি ব্যানার বা ফেস্টুন দেখা গেলেও তা আগের তুলনায় অনেক কম।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও অনেকে বলছেন, পোস্টার না থাকায় প্রার্থীদের পরিচিতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, কোন প্রার্থী কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন—তা বোঝার সুযোগ কমে গেছে।

তবে পরিবেশ রক্ষার দিক থেকে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। তারা বলছেন, অতীতে পোস্টার ও ব্যানারের কারণে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হতো এবং নির্বাচন শেষে সেগুলো আবর্জনায় পরিণত হতো।

শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আগে জাতীয় নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন এলেই শহরজুড়ে পোস্টারে ভরে যেত। এবার সেই চিত্র নেই, যা ভালো উদ্যোগ।’

আরেক বাসিন্দা ইলিয়াস বলেন, ‘পোস্টারের সঙ্গে পলিথিন ব্যবহার হতো, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল। নিষেধাজ্ঞার ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে।’

পোস্টার নিষিদ্ধের ফলে পরিবেশবান্ধব নির্বাচন নিশ্চিত হলেও ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরতে বিকল্প প্রচারণা পদ্ধতিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

শিল্পকলায় চিত্র প্রদর্শনী ‘শিল্প অভিব্যক্তির সুষমা’

পোস্টার নিষেধাজ্ঞায় বদলেছে নির্বাচনী প্রচারণা, জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া 

প্রকাশিত ০১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ এবং ব্যানার ও ফেস্টুন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে রাজধানীর নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবার আর দেয়াল, খুঁটি কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে পোস্টারের ছড়াছড়ি নেই।

রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, নারিন্দা, কলতাবাজার ও ধূপখোলা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও রাস্তাঘাট, বাজার কিংবা পার্কে কোনো পোস্টার চোখে পড়েনি। কোথাও কোথাও হাতে গোনা কয়েকটি ব্যানার বা ফেস্টুন দেখা গেলেও তা আগের তুলনায় অনেক কম।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও অনেকে বলছেন, পোস্টার না থাকায় প্রার্থীদের পরিচিতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, কোন প্রার্থী কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন—তা বোঝার সুযোগ কমে গেছে।

তবে পরিবেশ রক্ষার দিক থেকে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। তারা বলছেন, অতীতে পোস্টার ও ব্যানারের কারণে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হতো এবং নির্বাচন শেষে সেগুলো আবর্জনায় পরিণত হতো।

শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আগে জাতীয় নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন এলেই শহরজুড়ে পোস্টারে ভরে যেত। এবার সেই চিত্র নেই, যা ভালো উদ্যোগ।’

আরেক বাসিন্দা ইলিয়াস বলেন, ‘পোস্টারের সঙ্গে পলিথিন ব্যবহার হতো, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল। নিষেধাজ্ঞার ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে।’

পোস্টার নিষিদ্ধের ফলে পরিবেশবান্ধব নির্বাচন নিশ্চিত হলেও ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরতে বিকল্প প্রচারণা পদ্ধতিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন।