ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাঁচান’ – কুমিল্লাবাসীর প্রতি কুবি উপাচার্যের আহ্বান Logo বাংলাদেশে স্মার্ট লিভিংকে নতুনভাবে তুলে ধরতে হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে এলো শাওমি Logo গোশতে পানি ও কৃত্রিম রং: অসাধু ব্যবসায়ীর ফাঁদে সাধারণ মানুষ Logo ঈদ আনন্দ বাড়াতে ভিভোর আকর্ষণীয় অফার Logo প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিএজি’র অডিট রিপোর্ট পেশ Logo ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বাকৃবিতে প্রশিক্ষণ সমাপনী Logo হাবিপ্রবিতে বইয়ের উৎসব: জ্ঞানের আলোকধারায় মুখর তিনদিন Logo নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের জন্য আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্যানেল আলোচনা Logo ‎বাঁধন কবি নজরুল সরকারি কলেজ ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলেন জবি ছাত্রদলের ফয়সাল কামাল

‘বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাঁচান’ – কুমিল্লাবাসীর প্রতি কুবি উপাচার্যের আহ্বান

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে আলাদা আলাদা ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন উপাচার্য।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, ‘আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার জন্য কারো নিকট কোনো দাবি কিংবা তদবির করিনি। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপাচার্য হিসেবে থাকার জন্য আমি কোনো মন্ত্রী, এমপি, সচিব, শিক্ষক নেতাদের নিকট চেষ্টা, তদবির করিনি। এ বিষয়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তিনি আনন্দের সাথে দায়িত্ব হস্তান্তর করে পূর্বের কর্মস্থলে চলে যাবেন বলেও জানান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদ আঁকড়ে ধরে রাখার কারণে বহুদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ঘটনাও ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটেছে, সেশনজট বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট হয়েছে। আমি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় একদিনের জন্যও বন্ধ থাকেনি, শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটেনি। আমি এখনো চাই, এই পদত্যাগ ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষায় বিঘ্ন না ঘটুক। এটা তখনই সম্ভব হবে, যখন সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লা মেধাবী মানুষের স্থান। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটা ইউজিসির র‍্যাংকিং-এ তৃতীয় শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতঃপূর্বে যত উপাচার্য এসেছেন কমবেশি সবার সময়েই ক্যাম্পাস অশান্ত হওয়ার, থাকার প্রচেষ্টার ইতিহাস শুনেছি। কুমিল্লাবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাঁচান। দলমত নির্বিশেষে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করুন যাতে এটি দেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।’

উল্লেখ্য, গত ৬ মে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী ও কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে ‘সচেতন শিক্ষার্থী’ ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। একইদিনে তাদের পদত্যাগের দাবিতে কুবি শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

জনপ্রিয়

‘বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাঁচান’ – কুমিল্লাবাসীর প্রতি কুবি উপাচার্যের আহ্বান

‘বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাঁচান’ – কুমিল্লাবাসীর প্রতি কুবি উপাচার্যের আহ্বান

প্রকাশিত ১২:৫০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে আলাদা আলাদা ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন উপাচার্য।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, ‘আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার জন্য কারো নিকট কোনো দাবি কিংবা তদবির করিনি। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপাচার্য হিসেবে থাকার জন্য আমি কোনো মন্ত্রী, এমপি, সচিব, শিক্ষক নেতাদের নিকট চেষ্টা, তদবির করিনি। এ বিষয়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তিনি আনন্দের সাথে দায়িত্ব হস্তান্তর করে পূর্বের কর্মস্থলে চলে যাবেন বলেও জানান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদ আঁকড়ে ধরে রাখার কারণে বহুদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ঘটনাও ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটেছে, সেশনজট বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট হয়েছে। আমি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় একদিনের জন্যও বন্ধ থাকেনি, শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটেনি। আমি এখনো চাই, এই পদত্যাগ ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষায় বিঘ্ন না ঘটুক। এটা তখনই সম্ভব হবে, যখন সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লা মেধাবী মানুষের স্থান। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটা ইউজিসির র‍্যাংকিং-এ তৃতীয় শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতঃপূর্বে যত উপাচার্য এসেছেন কমবেশি সবার সময়েই ক্যাম্পাস অশান্ত হওয়ার, থাকার প্রচেষ্টার ইতিহাস শুনেছি। কুমিল্লাবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাঁচান। দলমত নির্বিশেষে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করুন যাতে এটি দেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।’

উল্লেখ্য, গত ৬ মে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী ও কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে ‘সচেতন শিক্ষার্থী’ ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। একইদিনে তাদের পদত্যাগের দাবিতে কুবি শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।