ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শিক্ষা ও জীবনের সহায়তায় সামিয়ার হাতে চেক তুলে দিল স্বপ্ন Logo বাকৃবিতে গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালা শুরু, সেরা পাঁচ গবেষককে সম্মাননা প্রদান Logo বাউরেস কৃষি সাংবাদিকতা পুরস্কার-২০২৬ পেলেন মো. আমান উল্লাহ Logo মাস্টার্সের সর্বশেষ সেমিস্টারে সিজিপিএ ৪-এ ৪ পেলেন রাকসু ভিপি Logo কুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্মচারীর জমি দখলের অভিযোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় আমন্ত্রণ পেলেন পাবিপ্রবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম Logo রাকসুর উদ্যোগে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো ফার্মেসী স্থাপন Logo ডুয়েটে ভিসি পরিবর্তনের গুঞ্জন, নিজস্ব ডুয়েট থেকে ভিসি নিয়োগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo কুবিতে কেমিক্যাল সোসাইটির নেতৃত্বে সাকিব ও রিফাত Logo আইকনিক প্রিমিয়াম ডিজাইন নিয়ে শীঘ্রই আসছে অপো এ৬সি

বাউরেস কৃষি সাংবাদিকতা পুরস্কার-২০২৬ পেলেন মো. আমান উল্লাহ

কৃষি প্রযুক্তি প্রচার ও প্রসারে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) প্রবর্তিত ‘বাউরেস কৃষি সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেয়েছেন মো. আমান উল্লাহ।

শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন সি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

পুরস্কারপ্রাপ্ত মো. আমান উল্লাহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (বাকৃবিসাস) সহ-সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিভিত্তিক গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের খবর সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি একটি জাতীয় দৈনিকে বাকৃবি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক ম্যাগাজিনেও লেখালেখি করছেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মো. আমান উল্লাহ বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কৃষি ও গবেষণার সংবাদ সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক কৃষি সাংবাদিকতা করতে আরও অনুপ্রাণিত করবে । কৃষি, গবেষণা ও প্রান্তিক মানুষের গল্প তুলে ধরার এই যাত্রায় এ অর্জন দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি বহুল আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কার। ভবিষ্যতে দেশের স্বার্থে, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে কৃষি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির কাজটি করতে চাই। বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস), বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি, সহকর্মী, শিক্ষক, শুভানুধ্যায়ী ও সকল পাঠকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ।

বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। বাউরেস এখন দেশের অন্যতম কার্যকর গবেষণা প্রতিষ্ঠান। যার স্বচ্ছতা ও দক্ষতার মডেল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও অনুসরণ করছে।

উল্লেখ্য, বাউরেস প্রতিবছর শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করে থাকে। এবার কৃষি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. আমান উল্লাহ এ সম্মাননা অর্জন করেন।

একই আয়োজনে গবেষণায় শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে ‘গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’-এ সেরা পাঁচ গবেষককে সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষদভিত্তিক সিনিয়র ও জুনিয়র ক্যাটাগরিতে আরও ১২ জন গবেষক স্বীকৃতি পান। এছাড়া একজনকে ‘বাউ রিসার্চ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ প্রদান করা হয় এবং ছয়জন কৃষককে ‘প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি কৃষি পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয়

শিক্ষা ও জীবনের সহায়তায় সামিয়ার হাতে চেক তুলে দিল স্বপ্ন

বাউরেস কৃষি সাংবাদিকতা পুরস্কার-২০২৬ পেলেন মো. আমান উল্লাহ

প্রকাশিত ০৯:৪৩:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

কৃষি প্রযুক্তি প্রচার ও প্রসারে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) প্রবর্তিত ‘বাউরেস কৃষি সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেয়েছেন মো. আমান উল্লাহ।

শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন সি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

পুরস্কারপ্রাপ্ত মো. আমান উল্লাহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (বাকৃবিসাস) সহ-সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিভিত্তিক গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের খবর সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি একটি জাতীয় দৈনিকে বাকৃবি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক ম্যাগাজিনেও লেখালেখি করছেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মো. আমান উল্লাহ বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কৃষি ও গবেষণার সংবাদ সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক কৃষি সাংবাদিকতা করতে আরও অনুপ্রাণিত করবে । কৃষি, গবেষণা ও প্রান্তিক মানুষের গল্প তুলে ধরার এই যাত্রায় এ অর্জন দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি বহুল আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কার। ভবিষ্যতে দেশের স্বার্থে, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে কৃষি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির কাজটি করতে চাই। বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস), বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি, সহকর্মী, শিক্ষক, শুভানুধ্যায়ী ও সকল পাঠকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ।

বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। বাউরেস এখন দেশের অন্যতম কার্যকর গবেষণা প্রতিষ্ঠান। যার স্বচ্ছতা ও দক্ষতার মডেল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও অনুসরণ করছে।

উল্লেখ্য, বাউরেস প্রতিবছর শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করে থাকে। এবার কৃষি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. আমান উল্লাহ এ সম্মাননা অর্জন করেন।

একই আয়োজনে গবেষণায় শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে ‘গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’-এ সেরা পাঁচ গবেষককে সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষদভিত্তিক সিনিয়র ও জুনিয়র ক্যাটাগরিতে আরও ১২ জন গবেষক স্বীকৃতি পান। এছাড়া একজনকে ‘বাউ রিসার্চ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ প্রদান করা হয় এবং ছয়জন কৃষককে ‘প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি কৃষি পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়।