ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঝুঁকিতে আইফোন ব্যবহারকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট Logo মেয়ের খুনিকে গ্রেফতারে এক মায়ের আকুতি Logo সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা চান তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা Logo তিতুমীর কলেজে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সভায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা Logo শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন: ডা. জাহেদ Logo সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে বাজারে এলো রিয়েলমি সি১০০এক্স Logo হাজার ছাড়ালো সুপারশপ স্বপ্নের আউটলেট Logo কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষার প্রসারে ২৫টি ল্যাপটপ দিচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ Logo নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি Logo লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন সায়মা আনিকা

কুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্মচারীর জমি দখলের অভিযোগ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিবহন পুলের কর্মচারী জহিরুল ইসলামের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত বুধবার (৬ মে) এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মচারী জহিরুল ইসলাম।

অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল হায়াত এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান।

অভিযোগপত্রে জহিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ২ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত দুই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মচারী কামাল ও হাসানসহ ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে তার ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করেন এবং জোরপূর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন।

জহিরুল ইসলামের দাবি, তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে থাকা কর্মচারী কামাল ও হাসান বলেন, তারা ড. আবুল হায়াত ও ড. জি. এম. মনিরুজ্জামানের জমিতে বেড়া দেওয়ার কাজে সেখানে গিয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল হায়াত বলেন, “আমরা আমাদের ক্রয় করা জমিতেই আছি। অভিযোগকারী ব্যক্তি আমাদের জমি দখলে নিয়েছে। আমাদের জমির গাছ কেটে নিয়েছে জহিরুল। আমাদের নিকট জমির উপযুক্ত প্রমাণ আছে। দুই পক্ষের জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে, আমরা তা বসে মীমাংসা করার আহ্বান জানিয়েছি।”

অভিযুক্ত বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান, “বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর অভিযোগ দেওয়া ঠিক হয় নি। দুই পক্ষ মিলে বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব ছিলো।”

অভিযোগটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “অভিযোগটি আমার হাতে এসেছে। অভিযোগটি মূলত জমি সংক্রান্ত। এটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে আমি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবো না। অভিযোগটি রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়ে দিব। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয়

ঝুঁকিতে আইফোন ব্যবহারকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

কুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্মচারীর জমি দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত ০১:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিবহন পুলের কর্মচারী জহিরুল ইসলামের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত বুধবার (৬ মে) এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মচারী জহিরুল ইসলাম।

অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল হায়াত এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান।

অভিযোগপত্রে জহিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ২ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত দুই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মচারী কামাল ও হাসানসহ ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে তার ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করেন এবং জোরপূর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন।

জহিরুল ইসলামের দাবি, তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে থাকা কর্মচারী কামাল ও হাসান বলেন, তারা ড. আবুল হায়াত ও ড. জি. এম. মনিরুজ্জামানের জমিতে বেড়া দেওয়ার কাজে সেখানে গিয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল হায়াত বলেন, “আমরা আমাদের ক্রয় করা জমিতেই আছি। অভিযোগকারী ব্যক্তি আমাদের জমি দখলে নিয়েছে। আমাদের জমির গাছ কেটে নিয়েছে জহিরুল। আমাদের নিকট জমির উপযুক্ত প্রমাণ আছে। দুই পক্ষের জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে, আমরা তা বসে মীমাংসা করার আহ্বান জানিয়েছি।”

অভিযুক্ত বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান, “বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর অভিযোগ দেওয়া ঠিক হয় নি। দুই পক্ষ মিলে বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব ছিলো।”

অভিযোগটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “অভিযোগটি আমার হাতে এসেছে। অভিযোগটি মূলত জমি সংক্রান্ত। এটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে আমি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবো না। অভিযোগটি রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়ে দিব। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”