ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বর্তমান সংকট ও নানা সমস্যাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি রাজধানীর একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, বিগত স্বৈরাচারী শাসনকাল কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন জটিলতা নিরসনে বর্তমান প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সরকারের তরফ থেকে কখনোই এসব সমস্যা অস্বীকার করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও ত্রুটির সুযোগ নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দল এবং ব্যক্তি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। দেশের গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার সবসময় বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতা সর্বোচ্চভাবে মেনে চলার চেষ্টা করছে। তবে কোনো মহল যদি এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়, তবে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সতর্কতামূলক বার্তা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন যে, যারা অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছেন তাদের ব্যাপারে দেশবাসীকে সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচিত সরকার হিসেবে প্রশাসন অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চায় যে, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের নিজ নিজ পরিধি ও সীমার মধ্যে থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। অতীতে স্বৈরাচারী শাসনের সময় কিছু রাজনৈতিক দল অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে গুপ্তবেশ ধারণ করে স্বৈরাচারের ছত্রছায়ার আড়ালে লুকিয়ে ছিল এবং পরবর্তীতে তাদের নিজেদের নেতাকর্মীদের মুখেই সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

সরকারপ্রধানের মতে, বর্তমানে যারা নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাদের কার্যক্রম জনরোষে বিতাড়িত সেই স্বৈরাচারী শক্তিকেই পুনরায় পুনর্বাসিত করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র কি না, তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার সময় এসেছে। অতীতে যারা গুপ্ত রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছিল, তারা এখন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সেই পুরোনো স্বৈরাচারী দোসরদের পক্ষ নিয়ে দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের যেকোনো গোপন ষড়যন্ত্র ও অরাজকতামূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।

জনপ্রিয়

বিএনপির ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৮:৩০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বর্তমান সংকট ও নানা সমস্যাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি রাজধানীর একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, বিগত স্বৈরাচারী শাসনকাল কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন জটিলতা নিরসনে বর্তমান প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সরকারের তরফ থেকে কখনোই এসব সমস্যা অস্বীকার করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও ত্রুটির সুযোগ নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দল এবং ব্যক্তি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। দেশের গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার সবসময় বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতা সর্বোচ্চভাবে মেনে চলার চেষ্টা করছে। তবে কোনো মহল যদি এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়, তবে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সতর্কতামূলক বার্তা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন যে, যারা অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছেন তাদের ব্যাপারে দেশবাসীকে সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচিত সরকার হিসেবে প্রশাসন অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চায় যে, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের নিজ নিজ পরিধি ও সীমার মধ্যে থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। অতীতে স্বৈরাচারী শাসনের সময় কিছু রাজনৈতিক দল অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে গুপ্তবেশ ধারণ করে স্বৈরাচারের ছত্রছায়ার আড়ালে লুকিয়ে ছিল এবং পরবর্তীতে তাদের নিজেদের নেতাকর্মীদের মুখেই সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

সরকারপ্রধানের মতে, বর্তমানে যারা নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাদের কার্যক্রম জনরোষে বিতাড়িত সেই স্বৈরাচারী শক্তিকেই পুনরায় পুনর্বাসিত করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র কি না, তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার সময় এসেছে। অতীতে যারা গুপ্ত রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছিল, তারা এখন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সেই পুরোনো স্বৈরাচারী দোসরদের পক্ষ নিয়ে দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের যেকোনো গোপন ষড়যন্ত্র ও অরাজকতামূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।