অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার কারণে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন সিফাত আবদুল্লাহ নামের এক যুবক। সেই ভিডিওতে দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্প্রতি সিফাত আবদুল্লাহর জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবীরা। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনা করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। ফলে তাকে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমানা নিয়ে এই ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোনো ধরনের উস্কানিমূলক বা মানহানিকর কনটেন্ট প্রচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, এই মামলাটি তারই একটি স্পষ্ট প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়েছেন যে, বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন মাধ্যমে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও প্রোপাগান্ডা সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। তাই এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর আইন প্রয়োগের প্রয়োজন রয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সাহস না পায়।
































