ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বক শিকার করায় ৭ দিনের কারাদণ্ড, জরিমানা ৫০ টাকা

শেরপুর সদর উপজেলায় অবৈধভাবে পাখি শিকারের দায়ে মো. রফিক নামের এক ব্যক্তিকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে প্রতীকী হিসেবে পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার আইনি বিধান কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও বন্যপ্রাণী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রফিক পার্শ্ববর্তী নকলা উপজেলার পিঁপড়াকান্দি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ভোরে শেরপুর সদর উপজেলার সাপমারি এলাকায় গিয়ে সুকৌশলে ফাঁদ পেতে বক শিকার করছিলেন। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে বন বিভাগ ও প্রশাসনের একটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকেই বক শিকারের নানা সরঞ্জামসহ একটি জীবিত বক এবং অভিযুক্ত রফিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয় এবং আদালতের বিচারক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বন্যপ্রাণী হত্যা এবং নির্বিচারে প্রকৃতি ধ্বংস করা একটি গুরুতর অপরাধ এবং প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয়

বান্ধবীর বাবার ধর্ষণের শিকার সাত বছরের শিশু, হত্যার পর ঘরেই মাটিচাপা

বক শিকার করায় ৭ দিনের কারাদণ্ড, জরিমানা ৫০ টাকা

প্রকাশিত ০৭:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেরপুর সদর উপজেলায় অবৈধভাবে পাখি শিকারের দায়ে মো. রফিক নামের এক ব্যক্তিকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে প্রতীকী হিসেবে পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার আইনি বিধান কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও বন্যপ্রাণী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রফিক পার্শ্ববর্তী নকলা উপজেলার পিঁপড়াকান্দি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ভোরে শেরপুর সদর উপজেলার সাপমারি এলাকায় গিয়ে সুকৌশলে ফাঁদ পেতে বক শিকার করছিলেন। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে বন বিভাগ ও প্রশাসনের একটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকেই বক শিকারের নানা সরঞ্জামসহ একটি জীবিত বক এবং অভিযুক্ত রফিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয় এবং আদালতের বিচারক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বন্যপ্রাণী হত্যা এবং নির্বিচারে প্রকৃতি ধ্বংস করা একটি গুরুতর অপরাধ এবং প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।