ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নির্যাতনের পাশাপাশি অভুক্ত গৃহকর্মী তানিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন Logo ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ৩টি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন Logo বন্ধ অফিস ও বিপুল অনুদান: ভারতের স্বল্প পরিচিত রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরমহল Logo ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭ Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকা নিমজ্জিত Logo এডিবির ‘উইমেন ইন বিজনেস চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ পেল ব্র্যাক ব্যাংক Logo প্রতিটি নারীকে শুধু একটা কথাই বলতে চাই—তুমি যথেষ্ট: সাফা কবির Logo প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে চালু হলো ‘ফার্স্ট ক্লাস ক্যাপ’ Logo আগামী বছর নেপাল সফরে যাবে বাংলাদেশ দল, সূচি চূড়ান্ত

মিছিলের প্রস্তুতি, ৩ মাইক্রোবাসসহ আ’লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক

মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সড়ক এবং ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঝটিকা মিছিল করার সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি নেওয়ার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের ৩১ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি মধ্যরাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই অভিযানে নেতাকর্মীদের বহনকারী তিনটি সন্দেহভাজন হায়েস মাইক্রোবাসও জব্দ করে পুলিশ, যা পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতের বিভিন্ন সময়ে মুন্সিগঞ্জ সদর ও শ্রীনগর উপজেলার সুনির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। প্রথম দফায় রাত সোয়া ১টার দিকে সদর উপজেলার প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ১০ জনকে আটক করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সদর থানার হাতিমারা মোড় এলাকার চেকপোস্ট থেকে আরও ১১ জনকে আটক করা হয়। পরিশেষে, রাত দুইটার দিকে শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্টে তৃতীয় মাইক্রোবাসটি থেকে আরও ১০ জনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পুলিশের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আটককৃত সকলের বয়স বিশ থেকে পঁচিশ বছরের মধ্যে এবং তারা সবাই সংঘবদ্ধভাবে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় দলীয় শোডাউন বা ঝটিকা মিছিল করার উদ্দেশ্যে জড়ো হচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্যারিকেড দিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছিল। পরে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে তাদের গাড়িগুলো থামানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিছিলের প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে আটককৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃত ৩১ নেতাকর্মীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

নির্যাতনের পাশাপাশি অভুক্ত গৃহকর্মী তানিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন

মিছিলের প্রস্তুতি, ৩ মাইক্রোবাসসহ আ’লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক

প্রকাশিত ০২:৩১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সড়ক এবং ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঝটিকা মিছিল করার সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি নেওয়ার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের ৩১ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি মধ্যরাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই অভিযানে নেতাকর্মীদের বহনকারী তিনটি সন্দেহভাজন হায়েস মাইক্রোবাসও জব্দ করে পুলিশ, যা পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতের বিভিন্ন সময়ে মুন্সিগঞ্জ সদর ও শ্রীনগর উপজেলার সুনির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। প্রথম দফায় রাত সোয়া ১টার দিকে সদর উপজেলার প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ১০ জনকে আটক করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সদর থানার হাতিমারা মোড় এলাকার চেকপোস্ট থেকে আরও ১১ জনকে আটক করা হয়। পরিশেষে, রাত দুইটার দিকে শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্টে তৃতীয় মাইক্রোবাসটি থেকে আরও ১০ জনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পুলিশের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আটককৃত সকলের বয়স বিশ থেকে পঁচিশ বছরের মধ্যে এবং তারা সবাই সংঘবদ্ধভাবে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় দলীয় শোডাউন বা ঝটিকা মিছিল করার উদ্দেশ্যে জড়ো হচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্যারিকেড দিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছিল। পরে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে তাদের গাড়িগুলো থামানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিছিলের প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে আটককৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তারকৃত ৩১ নেতাকর্মীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।