ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রি কি নিষিদ্ধ? Logo হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১ Logo ‘মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বডিবিল্ডার হয়ে থাকতে চাই’: কীভাবে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন ১৯ বার শিরোপা জেতা ৯০ বছরের বডিবিল্ডার Logo জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শেষ ৬ জুনের মধ্যে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ হাসিনা-রেহানার, তথ্য চেয়ে ৪১ ব্যাংককে দুদকের চিঠি Logo তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে Logo বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব Logo দেশের নাগরিক হিসেবে আমি ন্যায়বিচার চাই: তানজিন তিশা Logo বাড়িতে মেয়ের বিয়ের ডামাডোল, সড়কে প্রাণ গেল বাবার Logo ২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নতুন দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই বিষয়টি পুনরায় সামনে চলে আসে। দুই দেশের নীতিনির্ধারক মহলে এই সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফর নিয়ে নানা ধরনের প্রস্তুতি এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্রে প্রকাশ, এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও কীভাবে প্রসারিত করা যায়, তা নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে একটি নতুন গতি আসবে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলো এই সফরে বিশেষ অগ্রাধিকার পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই ধরনের সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে।

সফরের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও উভয় দেশের পক্ষ থেকেই ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী দিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এই সফরের সূচি এবং আলোচ্যসূচি চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে উভয় দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রি কি নিষিদ্ধ?

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে

প্রকাশিত ০৮:১৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নতুন দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই বিষয়টি পুনরায় সামনে চলে আসে। দুই দেশের নীতিনির্ধারক মহলে এই সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফর নিয়ে নানা ধরনের প্রস্তুতি এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্রে প্রকাশ, এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও কীভাবে প্রসারিত করা যায়, তা নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে একটি নতুন গতি আসবে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলো এই সফরে বিশেষ অগ্রাধিকার পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই ধরনের সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে।

সফরের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও উভয় দেশের পক্ষ থেকেই ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী দিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এই সফরের সূচি এবং আলোচ্যসূচি চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে উভয় দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।