ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারে এই ‘মিথ্যা কলা’ গাছ Logo মাদ্রাসার ছাদে দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থীর একজনের মৃত্যু Logo বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান Logo মাগুরায় এক বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ Logo ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রি কি নিষিদ্ধ? Logo হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১ Logo ‘মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বডিবিল্ডার হয়ে থাকতে চাই’: কীভাবে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন ১৯ বার শিরোপা জেতা ৯০ বছরের বডিবিল্ডার Logo জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শেষ ৬ জুনের মধ্যে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ হাসিনা-রেহানার, তথ্য চেয়ে ৪১ ব্যাংককে দুদকের চিঠি Logo তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে

হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১

জাতীয় সংসদের হুইপ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের কণ্ঠস্বর নিখুঁতভাবে নকল করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দুজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব কায়দায় এই প্রতারণা চালানো হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মেহেদী হাসান ওরফে বাবুল এবং মো. ইমরান শরিফ রনি। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুলনাঞ্চল থেকে তাঁদের আটক করে এবং পরবর্তী সময়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে এই প্রতারণা মামলার সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁদের নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন, যা আদালত আমলে নেন।

এই প্রতারণা চক্রের মূল হোতারা মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্লাটিনাম জুট মিলের পুরনো ও অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বিক্রির লোভ দেখিয়েছিল। হুইপের কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জি এম আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং বিশ্বাস অর্জন করে তাঁর কাছ থেকে সর্বমোট সাড়ে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। আকস্মিক এই প্রতারণার শিকার হয়ে ব্যবসায়ী বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

এদিকে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পুলিশ ইতোমধ্যে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে থেকে অন্তত ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। মামলার অন্য এক আসামি মো. সোহেলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুই দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং বাকি অর্থ উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

জনপ্রিয়

কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারে এই ‘মিথ্যা কলা’ গাছ

হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১

প্রকাশিত ০৯:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের হুইপ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের কণ্ঠস্বর নিখুঁতভাবে নকল করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দুজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব কায়দায় এই প্রতারণা চালানো হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মেহেদী হাসান ওরফে বাবুল এবং মো. ইমরান শরিফ রনি। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুলনাঞ্চল থেকে তাঁদের আটক করে এবং পরবর্তী সময়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে এই প্রতারণা মামলার সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁদের নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন, যা আদালত আমলে নেন।

এই প্রতারণা চক্রের মূল হোতারা মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্লাটিনাম জুট মিলের পুরনো ও অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বিক্রির লোভ দেখিয়েছিল। হুইপের কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জি এম আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং বিশ্বাস অর্জন করে তাঁর কাছ থেকে সর্বমোট সাড়ে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। আকস্মিক এই প্রতারণার শিকার হয়ে ব্যবসায়ী বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

এদিকে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পুলিশ ইতোমধ্যে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে থেকে অন্তত ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। মামলার অন্য এক আসামি মো. সোহেলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুই দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং বাকি অর্থ উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।