ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা, ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দীর্ঘদিন পর ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় নিজ নানার বাড়িতে এসে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শৈশব ও পরিবারের স্মৃতিবিজড়িত এই এলাকায় পৌঁছে তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিজের মনের নানা কথা ভাগ করে নেন। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এই জনপদে ফিরে আসার অনুভূতি অত্যন্ত গভীর বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় নিজের মায়ের অনুপস্থিতির কথা স্মরণ করে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় কথা বলেন। তিনি বলেন, তার মা আজ বেঁচে নেই, তাই এই এলাকার মানুষের মাঝেই তিনি তার হারানো অভিভাবকত্ব খুঁজে পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন যে, এখন এই পরিবারের মায়া ও দেখভাল করার দায়িত্ব মূলত তাদেরই কাঁধে বর্তায়।

ফুলগাজীর সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই বিশেষ সাক্ষাতে স্থানীয় জনমনেও এক অভূতপূর্ব উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এলাকার মানুষ অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তার এই আন্তরিক বক্তব্য শোনেন এবং মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাকে সমর্থন জানান। অনেক প্রবীণ বাসিন্দা তার পরিবারের সঙ্গে পুরনো দিনের স্মৃতির কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীরা মনে করছেন, এই ধরনের সফর সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের দূরত্ব কমিয়ে আনে। পরিশেষে, এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় বর্তমান সরকার সবসময় পাশে থাকবে বলে আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি

মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা, ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত ০৩:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিন পর ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় নিজ নানার বাড়িতে এসে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শৈশব ও পরিবারের স্মৃতিবিজড়িত এই এলাকায় পৌঁছে তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিজের মনের নানা কথা ভাগ করে নেন। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এই জনপদে ফিরে আসার অনুভূতি অত্যন্ত গভীর বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় নিজের মায়ের অনুপস্থিতির কথা স্মরণ করে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় কথা বলেন। তিনি বলেন, তার মা আজ বেঁচে নেই, তাই এই এলাকার মানুষের মাঝেই তিনি তার হারানো অভিভাবকত্ব খুঁজে পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন যে, এখন এই পরিবারের মায়া ও দেখভাল করার দায়িত্ব মূলত তাদেরই কাঁধে বর্তায়।

ফুলগাজীর সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই বিশেষ সাক্ষাতে স্থানীয় জনমনেও এক অভূতপূর্ব উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এলাকার মানুষ অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তার এই আন্তরিক বক্তব্য শোনেন এবং মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাকে সমর্থন জানান। অনেক প্রবীণ বাসিন্দা তার পরিবারের সঙ্গে পুরনো দিনের স্মৃতির কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীরা মনে করছেন, এই ধরনের সফর সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের দূরত্ব কমিয়ে আনে। পরিশেষে, এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় বর্তমান সরকার সবসময় পাশে থাকবে বলে আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত সকলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।