উয়েফা নেশনস লিগে নিজেদের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে শক্তিশালী ইতালির মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স। ম্যাচটির প্রথমার্ধে উভয় দলই আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে ব্যস্ত থাকলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে যেতে শুরু করে এবং দুই দলই একে অপরের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায়। ঘরের মাঠে খেলা ফরাসি সমর্থকরা তখন একটি রোমাঞ্চকর জয় পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে চমৎকার একটি ফ্রি কিক কৌশলে ফরাসিদের এগিয়ে নেন মাইকেল ওলিসে। সতীর্থের বাড়ানো বল দারুণ এক শটে জালে জড়িয়ে তিনি স্টেডিয়ামজুড়ে উল্লাস ছড়িয়ে দেন। এর আগে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচেও এই ফরাসি ফরোয়ার্ড দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন। তাঁর এই চোখধাঁধানো গোলের সুবাদে মনে হচ্ছিল ফ্রান্সের জয় কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি আজ্জুরিরা এবং মাত্র তেরো মিনিটের ব্যবধানে সমতা ফেরায় তারা। ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তোনি সুযোগ বুঝে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সদ্ব্যবহার করেন এবং নিখুঁত শটে গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করেন। এর ফলে ম্যাচে ১-১ সমতা ফিরে আসে এবং ইতালীয় শিবির স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।
ম্যাচের বাকি সময়ে ফরাসি দল আক্রমণ শাণালেও ইতালির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার দৃঢ়তায় আর গোল করতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ের শেষের দিকে দায়োত উপামেকানো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দশ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় ইউরোপীয় ফুটবলের এই দুই পরাশক্তিকে।



































