ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় নাগরিক রবিউল চতুর্থ দফায় রিমান্ডে

অপরাধ ডেস্ক: জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সম্প্রতি আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে চতুর্থ দফায় এই রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে আদালতকে জানান যে, আসামির কাছ থেকে উদ্ধার করা পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স গভীরভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে এসব নথিপত্রে প্রচুর তথ্যের গরমিল ও অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। এসব নথিপত্র জাল করা হয়েছে কি না এবং এর পেছনে অন্য কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ উপায়ে নানা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। তার প্রকৃত পরিচয় এবং সহযোগীদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আগের দফার জিজ্ঞাসাবাদেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা বর্তমান তদন্তে সহায়তা করছে।

এই মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খুব দ্রুতই বিস্তারিত জানানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রিমান্ড শেষে এই ভারতীয় নাগরিককে আদালতে হাজির করা হবে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

কনস্টেবল নিয়োগ ৬৪ জেলায়, আবেদন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত

ভারতীয় নাগরিক রবিউল চতুর্থ দফায় রিমান্ডে

প্রকাশিত ০৫:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সম্প্রতি আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে চতুর্থ দফায় এই রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে আদালতকে জানান যে, আসামির কাছ থেকে উদ্ধার করা পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স গভীরভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে এসব নথিপত্রে প্রচুর তথ্যের গরমিল ও অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। এসব নথিপত্র জাল করা হয়েছে কি না এবং এর পেছনে অন্য কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ উপায়ে নানা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। তার প্রকৃত পরিচয় এবং সহযোগীদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আগের দফার জিজ্ঞাসাবাদেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা বর্তমান তদন্তে সহায়তা করছে।

এই মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খুব দ্রুতই বিস্তারিত জানানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রিমান্ড শেষে এই ভারতীয় নাগরিককে আদালতে হাজির করা হবে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।