ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার

জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা জরুরি: পরিবেশ উপদেষ্টা

জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা জরুরি: পরিবেশ উপদেষ্টা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মহানগরীর ধুলা দূর করতে কোনও উন্মুক্ত স্থান না রাখা (জিরো সয়েল) কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন, বন বিভাগ এবং সাধারণ নাগরিক—সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। প্রতিটি বাড়ির পাশে ঘাস বা আইভি লতা দিয়ে খোলা মাটি ঢেকে দিতে হবে, ছাদে গাছ লাগাতে হবে। যার যতটা সামর্থ্য, ততটা গাছ লাগান—যেখানে খালি জায়গা আছে, সেখানে জিরো সয়েল নিশ্চিত করুন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন ২০২৫) পূর্বাচল নতুন শহরের হারার বাড়ি চত্বরে বন অধিদপ্তর এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর যৌথ উদ্যোগে সড়ক বিভাজক (মিডিয়ান), ফুটপাত, খাল/জলাশয়ের পাড় এবং অন্যান্য বনায়নযোগ্য জাযগায় গাছের চারা লাগিয়ে বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, আমরা চেষ্টা করবো সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। সবুজায়নের গুরুত্ব সবাইকে বুঝতে হবে এবং তা বাস্তবেও প্রয়োগ করতে হবে। প্রাকৃতিক ব্যবস্থা ভেঙে ফেলা যাবে না। বন ইকোসিস্টেম তৈরি করা যায় না—এটি জন্মায় ও গড়ে ওঠে।” উপদেষ্টা আরও বলেন, “আবাসনের পাশাপাশি বনভিত্তিক পরিবেশও জরুরি। তাই সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করতে হবে।”

ডিএনসিসি সুত্রে জানা যায়, ডিএনসিসি ভবিষ্যতে ১২০ কিমি মিডিয়ান ও ১০৮ কিমি খালপাড় সবুজায়নে কাজ করছে। পাশাপাশি রাজউকের উত্তরা আবাসিক সেক্টর এবং পূর্বাচলে যৌথভাবে বনায়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুর প্রমুখ।

উপদেষ্টা পরে বনানী কবরস্থানের পাশের রাস্তায় ঘাস লাগিয়ে জিরো সয়েল কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা জরুরি: পরিবেশ উপদেষ্টা

প্রকাশিত ১২:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মহানগরীর ধুলা দূর করতে কোনও উন্মুক্ত স্থান না রাখা (জিরো সয়েল) কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন, বন বিভাগ এবং সাধারণ নাগরিক—সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। প্রতিটি বাড়ির পাশে ঘাস বা আইভি লতা দিয়ে খোলা মাটি ঢেকে দিতে হবে, ছাদে গাছ লাগাতে হবে। যার যতটা সামর্থ্য, ততটা গাছ লাগান—যেখানে খালি জায়গা আছে, সেখানে জিরো সয়েল নিশ্চিত করুন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন ২০২৫) পূর্বাচল নতুন শহরের হারার বাড়ি চত্বরে বন অধিদপ্তর এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর যৌথ উদ্যোগে সড়ক বিভাজক (মিডিয়ান), ফুটপাত, খাল/জলাশয়ের পাড় এবং অন্যান্য বনায়নযোগ্য জাযগায় গাছের চারা লাগিয়ে বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, আমরা চেষ্টা করবো সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। সবুজায়নের গুরুত্ব সবাইকে বুঝতে হবে এবং তা বাস্তবেও প্রয়োগ করতে হবে। প্রাকৃতিক ব্যবস্থা ভেঙে ফেলা যাবে না। বন ইকোসিস্টেম তৈরি করা যায় না—এটি জন্মায় ও গড়ে ওঠে।” উপদেষ্টা আরও বলেন, “আবাসনের পাশাপাশি বনভিত্তিক পরিবেশও জরুরি। তাই সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করতে হবে।”

ডিএনসিসি সুত্রে জানা যায়, ডিএনসিসি ভবিষ্যতে ১২০ কিমি মিডিয়ান ও ১০৮ কিমি খালপাড় সবুজায়নে কাজ করছে। পাশাপাশি রাজউকের উত্তরা আবাসিক সেক্টর এবং পূর্বাচলে যৌথভাবে বনায়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুর প্রমুখ।

উপদেষ্টা পরে বনানী কবরস্থানের পাশের রাস্তায় ঘাস লাগিয়ে জিরো সয়েল কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।