ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পুকুরে গোসল করতে নেমে কবি নজরুল সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী রাফির মৃত্যু Logo নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় Logo কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী Logo গেমিং প্রযুক্তিতে ২০ বছরের যাত্রা উদ্‌যাপন করলো আসুস রিপাবলিক অফ গেমার্স (আরওজি) Logo মানবতার পথে, সেবার প্রত্যয়ে: বড় ঘাগুটিয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার সক্ষমতা জোরদার করবে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ Logo বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার Logo আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশের খলিলুর রহমান Logo মির্জাগঞ্জে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা, জমি দখলকারী মেম্বার সরোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক

কর ও শুল্ক আদায়ে অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজীর আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এনবিআরের কিছু কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে কর দাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাগণ নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কর আদায় না করে তাদের করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে, প্রতি বছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুষ না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মালিককে হয়রানি করেন।

মো. তানজীর আহমেদ আরও জানান, অনেক করদাতা আগাম কর দেন। আবার কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম হচ্ছে, এই কর হিসাবনিকাশ করার পর বেশি দেওয়া হলে তা ওই করদাতাকে ফেরত দিতে হয়। কিন্তু তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, করের বাড়তি টাকা ফেরত পেতে আরও অন্তত অর্ধেক টাকা ঘুষ বা উপহারে খরচ হয়। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তারা করের টাকা ফেরত দিতে নিজেরাও হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

অভিযোগের বিষয়ে দুদকের এই কর্মকর্তা জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিকালীন বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক, ভ্যাট ও ক্ষেত্র বিশেষে আয়কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়ে ও নিজে লাভবান হয়ে রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে দুর্নীত, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভ্যাট, বৃহৎ করদাতা ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল রশীদ মিয়া, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য লুতফুল আজীম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিআইসি’র সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, ঢাকা কর অঞ্চল-১৬-এর উপ-কর কমিশনার মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম ও এনবিআরের যুগ্ম কমিশনার মো. তারেক হাছানের বিরুদ্ধে দুদকের তথ্যানুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এর আগে একই দিন বেলা ১১টায় দুদকের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআরের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের কথা জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

তারা হলেন- আয়কর নীতি বিভাগের সদস্য এ কে এম বদিউল আলম, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার, ঢাকা-৮ কর অঞ্চলের অতিরিক্ত কমিশনার মির্জা আশিক রানা, ঢাকা কর অঞ্চল-১৬ এর অতিরিক্ত কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, ঢাকা দক্ষিণ কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুণ্ডু এবং বিএসএস কর একাডেমির যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান।

এনবিআরের এই ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে বলে বলে জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

তিনি বলেন, ‘অভিযুক্ত কর্মকর্তারা দীর্ঘ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিরত অবস্থায় করদাতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কর, ভ্যাট এবং শুল্ক ফাঁকির সুযোগ দিয়ে নিজেরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এর ফলে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।’

দুদকের তথ্য মতে, এই ছয়জন কর্মকর্তার মধ্যে অন্তত পাঁচজন এনবিআরের চলমান সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এর মধ্যে হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’-এর সভাপতি, আর মির্জা আশিক রানা ও মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুসন্ধানের তালিকায় এনবিআর সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে—দুদকের এ পদক্ষেপ কি আন্দোলন দমন করার একটি কৌশল?

এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, ‘দুদকের অনুসন্ধান কেবলমাত্র প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে। এটি কোনওভাবেই এনবিআরের চলমান আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় নয়। আমাদের দায়িত্ব, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা যাচাই-বাছাই করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তদন্ত চালানো।’

তিনি জানান, কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে, যেখানে কর ফাঁকিতে সহায়তা, ঘুষ গ্রহণ এবং অপ্রদর্শিত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে।

আক্তার হোসেন আরও বলেন, ‘এই ছয়জন ছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেও কমিশন অবশ্যই তা বিবেচনায় নেবে।’সেই মতো এনবিআরের আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামলো দুদক।

জনপ্রিয়

পুকুরে গোসল করতে নেমে কবি নজরুল সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী রাফির মৃত্যু

এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক

প্রকাশিত ১০:১৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

কর ও শুল্ক আদায়ে অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজীর আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এনবিআরের কিছু কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে কর দাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাগণ নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কর আদায় না করে তাদের করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে, প্রতি বছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুষ না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মালিককে হয়রানি করেন।

মো. তানজীর আহমেদ আরও জানান, অনেক করদাতা আগাম কর দেন। আবার কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম হচ্ছে, এই কর হিসাবনিকাশ করার পর বেশি দেওয়া হলে তা ওই করদাতাকে ফেরত দিতে হয়। কিন্তু তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, করের বাড়তি টাকা ফেরত পেতে আরও অন্তত অর্ধেক টাকা ঘুষ বা উপহারে খরচ হয়। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তারা করের টাকা ফেরত দিতে নিজেরাও হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

অভিযোগের বিষয়ে দুদকের এই কর্মকর্তা জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিকালীন বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক, ভ্যাট ও ক্ষেত্র বিশেষে আয়কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়ে ও নিজে লাভবান হয়ে রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে দুর্নীত, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভ্যাট, বৃহৎ করদাতা ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল রশীদ মিয়া, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য লুতফুল আজীম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিআইসি’র সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, ঢাকা কর অঞ্চল-১৬-এর উপ-কর কমিশনার মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম ও এনবিআরের যুগ্ম কমিশনার মো. তারেক হাছানের বিরুদ্ধে দুদকের তথ্যানুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এর আগে একই দিন বেলা ১১টায় দুদকের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআরের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের কথা জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

তারা হলেন- আয়কর নীতি বিভাগের সদস্য এ কে এম বদিউল আলম, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার, ঢাকা-৮ কর অঞ্চলের অতিরিক্ত কমিশনার মির্জা আশিক রানা, ঢাকা কর অঞ্চল-১৬ এর অতিরিক্ত কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, ঢাকা দক্ষিণ কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুণ্ডু এবং বিএসএস কর একাডেমির যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান।

এনবিআরের এই ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে বলে বলে জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।

তিনি বলেন, ‘অভিযুক্ত কর্মকর্তারা দীর্ঘ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিরত অবস্থায় করদাতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কর, ভ্যাট এবং শুল্ক ফাঁকির সুযোগ দিয়ে নিজেরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এর ফলে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।’

দুদকের তথ্য মতে, এই ছয়জন কর্মকর্তার মধ্যে অন্তত পাঁচজন এনবিআরের চলমান সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এর মধ্যে হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’-এর সভাপতি, আর মির্জা আশিক রানা ও মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুসন্ধানের তালিকায় এনবিআর সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে—দুদকের এ পদক্ষেপ কি আন্দোলন দমন করার একটি কৌশল?

এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, ‘দুদকের অনুসন্ধান কেবলমাত্র প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে। এটি কোনওভাবেই এনবিআরের চলমান আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় নয়। আমাদের দায়িত্ব, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা যাচাই-বাছাই করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তদন্ত চালানো।’

তিনি জানান, কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে, যেখানে কর ফাঁকিতে সহায়তা, ঘুষ গ্রহণ এবং অপ্রদর্শিত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে।

আক্তার হোসেন আরও বলেন, ‘এই ছয়জন ছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেও কমিশন অবশ্যই তা বিবেচনায় নেবে।’সেই মতো এনবিআরের আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামলো দুদক।