ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বই খুলেছে জাবি প্রশাসন

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বই খুলেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান শোক বাণীতে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে শোক বইটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করেন।

শোক বাণীতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবক ও রাষ্ট্রনায়ককে হারালো। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের কারণে তিনি জনসাধারণের কাছে ‘আপসহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর মৃত্যু ইতিহাসের এক কিংবদন্তির প্রস্থান, যার শূন্যতা কোনো দিন পূরণ হওয়ার নয়।”

তিনি আরও বলেন,“বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে সময়ের প্রয়োজনে তিনি কোটি কোটি মানুষের নেত্রীতে পরিণত হন। তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মপ্রয়াসে গণতান্ত্রিক চেতনা, উদারতা এবং দেশপ্রেমের প্রতিফলন ঘটেছে। দেশ, মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি আজীবন অবিচল ছিলেন।”

উপাচার্যের স্বাক্ষরের পর শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, জীববিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম, মহিলা ক্লাবের সভানেত্রী ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নেছা খন্দকারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বই খুলেছে জাবি প্রশাসন

প্রকাশিত ১১:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বই খুলেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান শোক বাণীতে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে শোক বইটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করেন।

শোক বাণীতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবক ও রাষ্ট্রনায়ককে হারালো। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের কারণে তিনি জনসাধারণের কাছে ‘আপসহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর মৃত্যু ইতিহাসের এক কিংবদন্তির প্রস্থান, যার শূন্যতা কোনো দিন পূরণ হওয়ার নয়।”

তিনি আরও বলেন,“বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে সময়ের প্রয়োজনে তিনি কোটি কোটি মানুষের নেত্রীতে পরিণত হন। তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মপ্রয়াসে গণতান্ত্রিক চেতনা, উদারতা এবং দেশপ্রেমের প্রতিফলন ঘটেছে। দেশ, মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি আজীবন অবিচল ছিলেন।”

উপাচার্যের স্বাক্ষরের পর শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, জীববিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম, মহিলা ক্লাবের সভানেত্রী ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নেছা খন্দকারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।