ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

আইনমন্ত্রী হচ্ছেন আসাদুজ্জামান!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপির নেতৃবৃন্দরা। এমন পরিস্থিতিতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান আইনমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।  

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। আইন খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মো.আসাদুজ্জামানকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না ও মন্তব্যও করতে চাইনা। তবে দেশনায়ক ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যদি এই দায়িত্বে যোগ্য মনে করেন তবে আমি তা যথাযথভাবে পালন করব।

ঝিনাইদহ-১ আসনে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বেসরকারিভাবে ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোট পেয়েছেন।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে ১৯৯৫ সালে   আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন।

তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেনা।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

আইনমন্ত্রী হচ্ছেন আসাদুজ্জামান!

প্রকাশিত ০৭:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপির নেতৃবৃন্দরা। এমন পরিস্থিতিতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান আইনমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।  

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। আইন খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মো.আসাদুজ্জামানকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না ও মন্তব্যও করতে চাইনা। তবে দেশনায়ক ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যদি এই দায়িত্বে যোগ্য মনে করেন তবে আমি তা যথাযথভাবে পালন করব।

ঝিনাইদহ-১ আসনে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বেসরকারিভাবে ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোট পেয়েছেন।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে ১৯৯৫ সালে   আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন।

তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেনা।