ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি Logo এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াচ্ছে টিকটক Logo পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে উল্লাস-শামীম Logo পাবিপ্রবিতে গবেষনায় জোর দিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বছরে ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার প্রণোদনা Logo হাবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবি ছাত্রদলের Logo কুকুর ব্যবস্থাপনায় ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে হাবিপ্রবি প্রশাসন Logo পরীক্ষা শুরুর পৌনে ২ ঘণ্টা পর জানা গেল প্রশ্ন গতবছরের! Logo ২১ বছর নিখোঁজ থাকার পর জীবিত ফিরলেন রতন! ওদিকে মারা গেছেন বাবা Logo ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’- এ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট Logo প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন

‎আমের মুকুল জানান দিচ্ছে পাবিপ্রবিতে এখন বসন্ত

‎শীতের আমেজ কবেই শেষ হয়ে গেছে। এসেছে নতুন মাস এসেছে নতুন ঋতু এসেছে বসন্ত। বসন্ত এলেই যেন পাবিপ্রবিতে আম্রকাননের মুকুলের সুভাষ মৌ মৌ করতে থাকে।

‎ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। শীতের নীরবতা কাটিয়ে চারদিকে এখন প্রাণচাঞ্চল্যের ছোঁয়া। এরই স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে ফুটে থাকা আমের মুকুল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি এলাকা, আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন, এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে, টিএসসি এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আমগাছগুলো এখন সেজেছে মুকুলের অপরূপ সাজে।

‎মুকুলে ভরা আমগাছগুলো যেন প্রকৃতির এক অনন্য সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। আমের মুকুলের হলুদ বর্ণের আভা জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনি বার্তা। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা মুকুল থেকে ছড়িয়ে পড়ছে মিষ্টি সুবাস। মৌমাছিরা মুকুলের উপরে বসে মনের সুখে ভো ভো করে উড়ে বেড়াচ্ছে, নিজের খাদ্য সংগ্রহ করছে। পাখির কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। যা পুরো ক্যাম্পাসকে করে তুলছে আরও সজীব ও প্রাণবন্ত। সকালে ক্লাসে যাওয়ার পথে কিংবা বিকেলে আড্ডার সময় শিক্ষার্থীরা এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করছেন। অনেকেই এই সুন্দর মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করে রাখছেন, যা তাদের স্মৃতির পাতায় বসন্তের এক বিশেষ অধ্যায় হয়ে থাকবে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো: রাতুল বলেন, “আমের মুকুল দেখলেই মনে হয় বসন্ত সত্যিই চলে এসেছে। এই সময় ক্যাম্পাসে হাঁটতে খুব ভালো লাগে, মনটা এক ধরনের প্রশান্তিতে ভরে যায়। সারাদিনের ক্লাসের ক্লান্তি শেষে এটুকুই ভালো লাগা উপভোগ করি যা সত্যিই অনেক আনন্দ দেয়।

‎ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী নীলা হক জানান, “ক্যাম্পাসের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের অনেক ভালো লাগছে। প্রতিবার বসন্ত এলে আমি এখানে ঘুরতে আসি এবং যখন দেখি চারিদিকে ভরে আছে আমের মুকুলে তখন অনেক ভালো লাগে।

‎শুধু সৌন্দর্যই নয়, আমের মুকুল প্রকৃতির নবজাগরণেরও প্রতীক। এটি ভবিষ্যতের ফলনের সম্ভাবনার বার্তা দেয় এবং জীবনের ধারাবাহিকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বসন্তের এই সময়টাতে প্রকৃতির পরিবর্তন যেন মানুষের মনেও নতুন আশার সঞ্চার করে।

‎সব মিলিয়ে, আমের মুকুলের সুবাস ও সৌন্দর্যে পাবিপ্রবি ক্যাম্পাস এখন বসন্তের রঙে রঙিন। প্রকৃতির এই অপরূপ রূপ শিক্ষার্থীদের মনে এনে দিচ্ছে নতুন উদ্দীপনা, আনন্দ ও প্রশান্তি। বসন্তের এই ক্ষণস্থায়ী কিন্তু চিরস্মরণীয় সৌন্দর্য যেন ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রাণকে ছুঁয়ে যাচ্ছে, তৈরি করছে এক অনন্য অনুভূতির মিলনমেলা।

ছামিউল/পাবিপ্রবি

জনপ্রিয়

ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি

‎আমের মুকুল জানান দিচ্ছে পাবিপ্রবিতে এখন বসন্ত

প্রকাশিত ০৪:১০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎শীতের আমেজ কবেই শেষ হয়ে গেছে। এসেছে নতুন মাস এসেছে নতুন ঋতু এসেছে বসন্ত। বসন্ত এলেই যেন পাবিপ্রবিতে আম্রকাননের মুকুলের সুভাষ মৌ মৌ করতে থাকে।

‎ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। শীতের নীরবতা কাটিয়ে চারদিকে এখন প্রাণচাঞ্চল্যের ছোঁয়া। এরই স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে ফুটে থাকা আমের মুকুল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি এলাকা, আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন, এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে, টিএসসি এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আমগাছগুলো এখন সেজেছে মুকুলের অপরূপ সাজে।

‎মুকুলে ভরা আমগাছগুলো যেন প্রকৃতির এক অনন্য সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। আমের মুকুলের হলুদ বর্ণের আভা জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনি বার্তা। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা মুকুল থেকে ছড়িয়ে পড়ছে মিষ্টি সুবাস। মৌমাছিরা মুকুলের উপরে বসে মনের সুখে ভো ভো করে উড়ে বেড়াচ্ছে, নিজের খাদ্য সংগ্রহ করছে। পাখির কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। যা পুরো ক্যাম্পাসকে করে তুলছে আরও সজীব ও প্রাণবন্ত। সকালে ক্লাসে যাওয়ার পথে কিংবা বিকেলে আড্ডার সময় শিক্ষার্থীরা এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করছেন। অনেকেই এই সুন্দর মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করে রাখছেন, যা তাদের স্মৃতির পাতায় বসন্তের এক বিশেষ অধ্যায় হয়ে থাকবে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো: রাতুল বলেন, “আমের মুকুল দেখলেই মনে হয় বসন্ত সত্যিই চলে এসেছে। এই সময় ক্যাম্পাসে হাঁটতে খুব ভালো লাগে, মনটা এক ধরনের প্রশান্তিতে ভরে যায়। সারাদিনের ক্লাসের ক্লান্তি শেষে এটুকুই ভালো লাগা উপভোগ করি যা সত্যিই অনেক আনন্দ দেয়।

‎ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী নীলা হক জানান, “ক্যাম্পাসের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের অনেক ভালো লাগছে। প্রতিবার বসন্ত এলে আমি এখানে ঘুরতে আসি এবং যখন দেখি চারিদিকে ভরে আছে আমের মুকুলে তখন অনেক ভালো লাগে।

‎শুধু সৌন্দর্যই নয়, আমের মুকুল প্রকৃতির নবজাগরণেরও প্রতীক। এটি ভবিষ্যতের ফলনের সম্ভাবনার বার্তা দেয় এবং জীবনের ধারাবাহিকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বসন্তের এই সময়টাতে প্রকৃতির পরিবর্তন যেন মানুষের মনেও নতুন আশার সঞ্চার করে।

‎সব মিলিয়ে, আমের মুকুলের সুবাস ও সৌন্দর্যে পাবিপ্রবি ক্যাম্পাস এখন বসন্তের রঙে রঙিন। প্রকৃতির এই অপরূপ রূপ শিক্ষার্থীদের মনে এনে দিচ্ছে নতুন উদ্দীপনা, আনন্দ ও প্রশান্তি। বসন্তের এই ক্ষণস্থায়ী কিন্তু চিরস্মরণীয় সৌন্দর্য যেন ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রাণকে ছুঁয়ে যাচ্ছে, তৈরি করছে এক অনন্য অনুভূতির মিলনমেলা।

ছামিউল/পাবিপ্রবি