ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

বিপ্লবের ১২০ দিন পরেও ফ্যাসিবাদী নামফলক পরিবর্তন করেনি যবিপ্রবি প্রশাসন

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৮:০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ৫২ বার পঠিত

জুলাই বিপ্লবের প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও ফ্যাসিবাদী নামফলক পরিবর্তন করেনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসন। ফ্যাসিবাদীদের নামে নামকরণ করা বিভিন্ন ভবনের নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নামগুলো পরিবর্তন করে ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবে শহিদ ও দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করতে চায় তাঁরা।

গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বরাবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো: সুমন আলী স্বাক্ষরিত একটি আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়।

ঐ পত্রে বলা হয়, বিগত ১৬ বছরে দেশ ও দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাঠামোগতভাবে যে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, যবিপ্রবিও তার বাইরে ছিল না। যবিপ্রবির বিভিন্ন ভবনের নামের দিকে খেয়াল করলে আপনি আরও স্পষ্টভাবে সেটা বুঝতে পারবেন। পতিত স্বৈরাচার সরকার দেশকে নিজের পরিবারের সম্পদ মনে করে সকল ক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। তারই অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের নামকরণ করা হয় তার পরিবারের সদস্যদের নামে। যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অ্যাকাডেমিক ভবন, শেখ হাসিনা ছাত্রী হল, শেখ রাসেল জিমনেসিয়াম, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট, বঙ্গবন্ধু কর্ণার প্রভৃতি।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় তারা এসব নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিলেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে কিছু নামফলক ভাঙার ঘটনাও ঘটে। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের তিন মাস পরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শিক্ষার্থীরা মনে করেন ভবনের নামগুলো পুনঃনামকরণ করে জাতীয় শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করা হলে তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও গৌরবের বিষয় হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রারের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব বলেন, আমরা একটি আবেদন পেয়েছি। সেটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সেখানে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

বিপ্লবের ১২০ দিন পরেও ফ্যাসিবাদী নামফলক পরিবর্তন করেনি যবিপ্রবি প্রশাসন

প্রকাশিত ০৮:০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

জুলাই বিপ্লবের প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও ফ্যাসিবাদী নামফলক পরিবর্তন করেনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসন। ফ্যাসিবাদীদের নামে নামকরণ করা বিভিন্ন ভবনের নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নামগুলো পরিবর্তন করে ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবে শহিদ ও দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করতে চায় তাঁরা।

গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বরাবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো: সুমন আলী স্বাক্ষরিত একটি আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়।

ঐ পত্রে বলা হয়, বিগত ১৬ বছরে দেশ ও দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাঠামোগতভাবে যে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, যবিপ্রবিও তার বাইরে ছিল না। যবিপ্রবির বিভিন্ন ভবনের নামের দিকে খেয়াল করলে আপনি আরও স্পষ্টভাবে সেটা বুঝতে পারবেন। পতিত স্বৈরাচার সরকার দেশকে নিজের পরিবারের সম্পদ মনে করে সকল ক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। তারই অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের নামকরণ করা হয় তার পরিবারের সদস্যদের নামে। যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অ্যাকাডেমিক ভবন, শেখ হাসিনা ছাত্রী হল, শেখ রাসেল জিমনেসিয়াম, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট, বঙ্গবন্ধু কর্ণার প্রভৃতি।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় তারা এসব নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিলেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে কিছু নামফলক ভাঙার ঘটনাও ঘটে। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের তিন মাস পরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শিক্ষার্থীরা মনে করেন ভবনের নামগুলো পুনঃনামকরণ করে জাতীয় শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে নামকরণ করা হলে তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও গৌরবের বিষয় হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রারের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব বলেন, আমরা একটি আবেদন পেয়েছি। সেটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সেখানে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।