ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

ক্রোয়েশিয়ার জালে ৭ গোল ইংল্যান্ডের

ফুটবল ম্যাচে প্রথমার্ধেই নিজেদের আধিপত্য সম্পূর্ণভাবে বিস্তার করে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ধার বাড়ায় তারা এবং প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগই দেয়নি। মাত্র আট মিনিটের মাথায় দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই খেলার একুশ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম।

ইংলিশদের আক্রমণের ঝড় এখানেই থেমে থাকেনি। প্রথমার্ধের খেলা শেষের কিছু সময় আগে আরও দুটি গোল আদায় করে নেয় তারা। উনচল্লিশ মিনিটে গোল করে স্কোরশিটে নাম লেখান অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে অর্থাৎ পঁয়তাল্লিশ মিনিটে বল জালে পাঠান বুকায়ো সাকা। ফলে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই চার গোলে এগিয়ে থেকে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে দলটি।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে চার গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে ক্রোয়েশিয়ার ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কোচ টমাস টুখেলের শিষ্যরা দ্বিতীয়ার্ধে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছিল এবং প্রতিপক্ষকে প্রতিরোধ গড়ার কোনো অবকাশ দেয়নি। বরং পুরো মাঠ জুড়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ক্রোয়েশিয়ান রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে ইংলিশ খেলোয়াড়েরা।

খেলার দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিনবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়ে ব্যবধান আরও বাড়ায় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। এই বড় জয়ে টমাস টুখেলের দলের আক্রমণভাগের কার্যকারিতা ও দারুণ সমন্বয়ই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

জনপ্রিয়

হুতিদের ওপর ব্যাপক হামলা, বড় অভিযানের পরিকল্পনা সৌদির

ক্রোয়েশিয়ার জালে ৭ গোল ইংল্যান্ডের

প্রকাশিত ১২:১৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ফুটবল ম্যাচে প্রথমার্ধেই নিজেদের আধিপত্য সম্পূর্ণভাবে বিস্তার করে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ধার বাড়ায় তারা এবং প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগই দেয়নি। মাত্র আট মিনিটের মাথায় দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই খেলার একুশ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম।

ইংলিশদের আক্রমণের ঝড় এখানেই থেমে থাকেনি। প্রথমার্ধের খেলা শেষের কিছু সময় আগে আরও দুটি গোল আদায় করে নেয় তারা। উনচল্লিশ মিনিটে গোল করে স্কোরশিটে নাম লেখান অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে অর্থাৎ পঁয়তাল্লিশ মিনিটে বল জালে পাঠান বুকায়ো সাকা। ফলে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই চার গোলে এগিয়ে থেকে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে দলটি।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে চার গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে ক্রোয়েশিয়ার ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কোচ টমাস টুখেলের শিষ্যরা দ্বিতীয়ার্ধে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছিল এবং প্রতিপক্ষকে প্রতিরোধ গড়ার কোনো অবকাশ দেয়নি। বরং পুরো মাঠ জুড়ে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ক্রোয়েশিয়ান রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে ইংলিশ খেলোয়াড়েরা।

খেলার দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিনবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়ে ব্যবধান আরও বাড়ায় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। এই বড় জয়ে টমাস টুখেলের দলের আক্রমণভাগের কার্যকারিতা ও দারুণ সমন্বয়ই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।