ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

মৎস্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়ন ও নিয়োগের দাবিতে যবিপ্রবিতে মানববন্ধন

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১০:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • ৮৭ বার পঠিত

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নে ও সৃজিত নতুন পদে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (০৫ মে) বেলা সাড়ে এগারোটায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে এফএমবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের ফিশারিজ সেক্টর এগিয়ে নিতে ২০১৫ সালে ফিশারিজ গ্রাজুয়েটদের জন্য ৩৯৫টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল অথচ গত ১০ বছরে আমরা এর বাস্তবায়ন দেখছি না। এর ফলে একদিকে যেমন ফিশারিজ সেক্টরের সার্বিক উন্নয়ন হচ্ছে না তেমনি ফিশারিজ গ্রাজুয়েটরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী এই সেক্টরে অবদান রাখতে পারছে না। আমরা খুব দ্রুত এই ৩৯৫ পদের অর্গানোগ্রাম চাই। আমাদের দাবি নতুন পদ তৈরি করা নয় বরং ২০১৫ সালে সৃজনকৃত পদের অর্গানোগ্রাম চাই। আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অভিমুখে লং মার্চ পালন করব।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, বাসের ড্রাইভার দিয়ে যেমন যুদ্ধ বিমান চালানো সম্ভব না ঠিক তেমনি ডিপ্লোমা কিংবা জুওলজি অথবা অন্য ডিপার্টমেন্টে স্টুডেন্ট দ্বারা ফিশারিজ সেক্টরে উন্নয়ন করা সম্ভব না। বাংলাদেশের রাজস্ব খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় হয় মৎস্য সম্পদ থেকে। মৎস্য সম্পদ অধিদপ্তরের উন্নয়নের জন্য ফিশারিজ শিক্ষার্থীদের কন্ট্রিবিউশন অবশ্যই প্রয়োজন। আমরা চাই আমাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরকে সমৃদ্ধির শক্তিশালী করতে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের এপ্রিলে উপ-সচিব সফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রস্তাবনায় বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডারে ৩৯৫টি নতুন পদসহ মোট ৬৩৭টি পদ সৃজনের কথা বলা হয়। প্রস্তাবনায় পদগুলোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ, বেতন স্কেল নির্ধারণ, ব্যয় মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেট থেকে মেটানোর কথা বলা হয়। শর্ত হিসেবে ক্যাডার রুলস সংশোধন, নিয়োগবিধি হালনাগাদ এবং ধাপে ধাপে তিন বছরে নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে ১০ বছরেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজের শিক্ষার্থীরা অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

মৎস্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়ন ও নিয়োগের দাবিতে যবিপ্রবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত ১০:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নে ও সৃজিত নতুন পদে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (০৫ মে) বেলা সাড়ে এগারোটায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে এফএমবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের ফিশারিজ সেক্টর এগিয়ে নিতে ২০১৫ সালে ফিশারিজ গ্রাজুয়েটদের জন্য ৩৯৫টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল অথচ গত ১০ বছরে আমরা এর বাস্তবায়ন দেখছি না। এর ফলে একদিকে যেমন ফিশারিজ সেক্টরের সার্বিক উন্নয়ন হচ্ছে না তেমনি ফিশারিজ গ্রাজুয়েটরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী এই সেক্টরে অবদান রাখতে পারছে না। আমরা খুব দ্রুত এই ৩৯৫ পদের অর্গানোগ্রাম চাই। আমাদের দাবি নতুন পদ তৈরি করা নয় বরং ২০১৫ সালে সৃজনকৃত পদের অর্গানোগ্রাম চাই। আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অভিমুখে লং মার্চ পালন করব।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, বাসের ড্রাইভার দিয়ে যেমন যুদ্ধ বিমান চালানো সম্ভব না ঠিক তেমনি ডিপ্লোমা কিংবা জুওলজি অথবা অন্য ডিপার্টমেন্টে স্টুডেন্ট দ্বারা ফিশারিজ সেক্টরে উন্নয়ন করা সম্ভব না। বাংলাদেশের রাজস্ব খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় হয় মৎস্য সম্পদ থেকে। মৎস্য সম্পদ অধিদপ্তরের উন্নয়নের জন্য ফিশারিজ শিক্ষার্থীদের কন্ট্রিবিউশন অবশ্যই প্রয়োজন। আমরা চাই আমাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরকে সমৃদ্ধির শক্তিশালী করতে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের এপ্রিলে উপ-সচিব সফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রস্তাবনায় বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডারে ৩৯৫টি নতুন পদসহ মোট ৬৩৭টি পদ সৃজনের কথা বলা হয়। প্রস্তাবনায় পদগুলোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ, বেতন স্কেল নির্ধারণ, ব্যয় মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেট থেকে মেটানোর কথা বলা হয়। শর্ত হিসেবে ক্যাডার রুলস সংশোধন, নিয়োগবিধি হালনাগাদ এবং ধাপে ধাপে তিন বছরে নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে ১০ বছরেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজের শিক্ষার্থীরা অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।