ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ Logo জাবির ২২ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ৩২ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন Logo কুবিতে নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ ছাত্রশক্তির ৫ দফার স্মারকলিপি Logo হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার মান উন্নয়নের দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি Logo কুবিতে দুই ছিনতাইকারী আটক, মুচলেকায় মুক্তি Logo “শিবির প্রতিটি ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্থা ও সাইবার বুলিং করছে” -নাছির Logo জুলাইয়ে জাবিতে হাসিনার ছবি অপসারণের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের বিবৃতি, দুইদিন পরই ক্ষমতাচ্যুত Logo উসকানিমূলক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাকৃবিতে দুই হলে মাঝে সংঘর্ষ, আহত ৫ Logo বুটেক্সে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের গুঞ্জন Logo আবাসিক হলকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে কুবি উপাচার্যের কাছে শিবিরের পাঁচ দফা দাবি

গণঅভ্যুত্থানের স্লোগানকে কটাক্ষ, জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ইবি ছাত্রদলের অভিযোগ

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১০:৫২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৭২ বার পঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু)’র ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামের উক্তি নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ব্যঙ্গাত্বকভাবে উপস্থাপনের ভিডিও তৈরির ঘটনা ঘটেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ নিয়ে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ইবি ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও মাসুদ রুমী মিথুনের পক্ষে এ অভিযোগ দেন আহবায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ।

লিখিত অভিযোগে তারা বলেন, গত ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘জুলাই আন্দোলন’ এর অন্যতম দলিল ‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না’, যে আহ্বানে সাড়া দিয়ে ৫ই আগষ্ট সকালে চানখারপুল এলাকায় আপামর ছাত্র জনতা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে এবং পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে ৫ জন শহীদ হয়।

অভিযোগে তারা বলেন, এই আবেগঘন স্লোগানকে উদ্দেশ্যমুলকভাবে কটাক্ষ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রকৌশল অনুষদ শাখা শিবির এর নেতা ওমর ফারুক (ইইই ২০-২১ সেশন), শাহ আজিজুর রহমান হল শাখা শিবির এর নেতা নাহিদ হাসান (আল কুরআন ২০-২১), নাইমুর রহমান (অর্থনীতি ২১-২২), সোহান (সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ১৭-১৮), রোকনুজ্জামান রোকন (মার্কেটিং ১৯-২০), মোজাম্মেল (দাওয়াহ ২১-২২), আবদুল্লাহ নুর মিনহাজ (আল হাদিস ২০-২১), নাহিদ ইসলাম (আল কুরআন ২১-২২), সম্মিলিতভাবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। উক্ত ভিডিও সারাদেশের জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র- জনতা এবং আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সকলের অনুভূতিকে আঘাত করেছে এবং এ ধরণের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কলঙ্কিত করার অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এহেন কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র জুলাই আন্দোলনই নয়, এমনকি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র এবং শিক্ষাঙ্গন এর পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা বলে মনে করছি।
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাঙ্গনকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ রাখার স্বার্থে এ ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

জনপ্রিয়

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

গণঅভ্যুত্থানের স্লোগানকে কটাক্ষ, জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ইবি ছাত্রদলের অভিযোগ

প্রকাশিত ১০:৫২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু)’র ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামের উক্তি নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ব্যঙ্গাত্বকভাবে উপস্থাপনের ভিডিও তৈরির ঘটনা ঘটেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ নিয়ে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ইবি ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও মাসুদ রুমী মিথুনের পক্ষে এ অভিযোগ দেন আহবায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ।

লিখিত অভিযোগে তারা বলেন, গত ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘জুলাই আন্দোলন’ এর অন্যতম দলিল ‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না’, যে আহ্বানে সাড়া দিয়ে ৫ই আগষ্ট সকালে চানখারপুল এলাকায় আপামর ছাত্র জনতা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে এবং পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে ৫ জন শহীদ হয়।

অভিযোগে তারা বলেন, এই আবেগঘন স্লোগানকে উদ্দেশ্যমুলকভাবে কটাক্ষ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রকৌশল অনুষদ শাখা শিবির এর নেতা ওমর ফারুক (ইইই ২০-২১ সেশন), শাহ আজিজুর রহমান হল শাখা শিবির এর নেতা নাহিদ হাসান (আল কুরআন ২০-২১), নাইমুর রহমান (অর্থনীতি ২১-২২), সোহান (সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ১৭-১৮), রোকনুজ্জামান রোকন (মার্কেটিং ১৯-২০), মোজাম্মেল (দাওয়াহ ২১-২২), আবদুল্লাহ নুর মিনহাজ (আল হাদিস ২০-২১), নাহিদ ইসলাম (আল কুরআন ২১-২২), সম্মিলিতভাবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। উক্ত ভিডিও সারাদেশের জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র- জনতা এবং আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সকলের অনুভূতিকে আঘাত করেছে এবং এ ধরণের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কলঙ্কিত করার অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এহেন কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র জুলাই আন্দোলনই নয়, এমনকি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র এবং শিক্ষাঙ্গন এর পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা বলে মনে করছি।
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাঙ্গনকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ রাখার স্বার্থে এ ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।