ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাকৃবি ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১০দিন ব্যাপি কুরআন শিক্ষা কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছাত্রদল সভাপতির ইফতার Logo যবিপ্রবিতে ইকসাসের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কুবি বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ২৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান Logo পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দায়িত্ব হস্তান্তর Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo হাবিপ্রবিস্থ বৃহত্তর রাজশাহী ছাত্র কল্যাণ সমিতির ইফতার মাহফিল ও আহবায়ক কমিটি ঘোষণা Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

দেশে চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথম সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৮ হাজার ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অক্টোবরে সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর (জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) ৭২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থবছর হিসাবে ১৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বরে ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা আগের অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে।

গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল বছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

জনপ্রিয়

বাকৃবি ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১০দিন ব্যাপি কুরআন শিক্ষা কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত

সাত দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬৯ কোটি ডলার

প্রকাশিত ০৮:১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

দেশে চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথম সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৮ হাজার ৪৪২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সে হিসেবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স আসছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অক্টোবরে সাত দিনে ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছর (জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) ৭২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছিল। অর্থবছর হিসাবে ১৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সদ্যবিদায়ী সেপ্টেম্বরে ২.৬৮ বিলিয়ন (২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যা আগের অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে।

গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা ছিল বছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।