ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী Logo গেমিং প্রযুক্তিতে ২০ বছরের যাত্রা উদ্‌যাপন করলো আসুস রিপাবলিক অফ গেমার্স (আরওজি) Logo মানবতার পথে, সেবার প্রত্যয়ে: বড় ঘাগুটিয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার সক্ষমতা জোরদার করবে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ Logo বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার Logo আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশের খলিলুর রহমান Logo মির্জাগঞ্জে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা, জমি দখলকারী মেম্বার সরোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায় Logo উদ্বোধনের আগেই ফাটল ধরেছে রাবির ১০ তলা হলে; আতংকে শিক্ষার্থীরা 

‘এখন গণভোট আয়োজন জাতীয় নির্বাচনকে পেছানোর প্রয়াস’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশাকে আমরা ধারণ করি। এই আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমরা সচেষ্ট থাকবো।’

বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই সনদের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তুলনা করার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্রকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে, যা মূলত স্বাধীনতার ঘোষণাকে খাটো করে দেখার নামান্তর। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক আদেশে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য একটি সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া প্রয়োজন। সালাহউদ্দিন আহমদের প্রস্তাব, জুলাই সনদ প্রণয়নের পর এর সঙ্গে একটি অঙ্গীকারনামা ও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করে স্বাক্ষরিত দলিল প্রস্তুত করতে হবে।

‘যারা যেভাবে ভিন্নমত দিয়েছে, তারা ক্ষমতায় গেলে সেভাবেই তা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেবে,’- উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ভিত্তিতে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং পরে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেই রায়ের ভিত্তিতে পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গণভোট আয়োজন প্রায় অসম্ভব, কারণ এটি জাতীয় নির্বাচনের মতোই বড় পরিসরের একটি আয়োজন। ফলে এখনই গণভোট করলে সেটিকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হবে।’

তিনি জানান, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজন হওয়া উচিত।

‘বর্তমানে গণভোটের তফসিল ঘোষণার আগে হাতে মাত্র এক থেকে দেড় মাস সময় আছে। এর মধ্যে আলাদা করে গণভোট আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়,’ বলেন সালাহউদ্দিন।

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে যতটুকু ঐকমত্য হয়েছে, সেটাই এখন ধরে রাখতে হবে। বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ও সংশ্লিষ্ট মতামত অঙ্গীকারনামায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যেন জনগণের রায়ে সনদ গৃহীত হলেও ভিন্নমতগুলো দলিলের অংশ হিসেবে থেকেই যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আলোচনা করছি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে। কেউ কেউ ভাবছে, এখন গণভোট আয়োজন করলে সেটা নির্বাচনের বিলম্ব ঘটাবে। তাই নির্বাচনের দিনেই গণভোট হওয়া অধিক যৌক্তিক।’

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

‘এখন গণভোট আয়োজন জাতীয় নির্বাচনকে পেছানোর প্রয়াস’

প্রকাশিত ০৯:১৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশাকে আমরা ধারণ করি। এই আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমরা সচেষ্ট থাকবো।’

বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই সনদের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তুলনা করার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্রকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে, যা মূলত স্বাধীনতার ঘোষণাকে খাটো করে দেখার নামান্তর। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক আদেশে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য একটি সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া প্রয়োজন। সালাহউদ্দিন আহমদের প্রস্তাব, জুলাই সনদ প্রণয়নের পর এর সঙ্গে একটি অঙ্গীকারনামা ও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করে স্বাক্ষরিত দলিল প্রস্তুত করতে হবে।

‘যারা যেভাবে ভিন্নমত দিয়েছে, তারা ক্ষমতায় গেলে সেভাবেই তা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেবে,’- উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ভিত্তিতে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং পরে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেই রায়ের ভিত্তিতে পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গণভোট আয়োজন প্রায় অসম্ভব, কারণ এটি জাতীয় নির্বাচনের মতোই বড় পরিসরের একটি আয়োজন। ফলে এখনই গণভোট করলে সেটিকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হবে।’

তিনি জানান, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজন হওয়া উচিত।

‘বর্তমানে গণভোটের তফসিল ঘোষণার আগে হাতে মাত্র এক থেকে দেড় মাস সময় আছে। এর মধ্যে আলাদা করে গণভোট আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়,’ বলেন সালাহউদ্দিন।

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে যতটুকু ঐকমত্য হয়েছে, সেটাই এখন ধরে রাখতে হবে। বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ও সংশ্লিষ্ট মতামত অঙ্গীকারনামায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যেন জনগণের রায়ে সনদ গৃহীত হলেও ভিন্নমতগুলো দলিলের অংশ হিসেবে থেকেই যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আলোচনা করছি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে। কেউ কেউ ভাবছে, এখন গণভোট আয়োজন করলে সেটা নির্বাচনের বিলম্ব ঘটাবে। তাই নির্বাচনের দিনেই গণভোট হওয়া অধিক যৌক্তিক।’