ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরিষাবাড়িতে বেড়েছে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা Logo দেশের বাজারে ডিটেইল মাস্টার” নুবিয়া ভি৮০ প্রো স্মার্টফোন উন্মোচন Logo বগুড়ায় নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় অভিযান, বিপুল পরিমাণে নকল সিগারেট জব্দ Logo অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় তারেক রহমানের Logo নাগরিক সংকটেই ভোটের পাল্লা: ঢাকা–৬ আসনে গ্যাস–পানি–নিরাপত্তাই প্রধান ইস্যু Logo কুবিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo গোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির দ্বাদশ বর্ষে পদার্পণ Logo কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়  Logo ৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থান নিষিদ্ধ করে নির্দেশনা জারি Logo হাওরে স্বল্পমেয়াদি সরিষা চাষ, বাড়তি লাভের সম্ভাবনা কৃষকদের

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের মানববন্ধন

অষ্টম পে–স্কেলের বৈষম্য নিরসন ও নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে মানববন্ধন করেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি।

রবিবার(১৬ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ২০১৫ সালে ঘোষিত অষ্টম পে–স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

২০ থেকে ১৯ গ্রেডে বেতন বেড়েছে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। অথচ ১১ থেকে ১০ গ্রেডে এই পার্থক্য ছিল ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত।

এমনকি ওপরের দিকের কিছু গ্রেডে ১০ হাজার টাকারও বেশি ব্যবধান তৈরি করা হয়েছে।কর্মচারী নেতারা বলেন, সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন পে–স্কেল দেওয়া হলেও ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছরেও নতুন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কর্মচারীরা বিশেষ আশাবাদী ছিলেন। সরকার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করলেও বর্তমানে বলা হচ্ছে—এই সরকারের সময় পে–স্কেল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বক্তারা সরকারের এমন অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানান।

কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম কাজল মানববন্ধনে বলেন,‘বর্তমান বেতন কাঠামোয় ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মাসের শুরুতেই সব বেতন শেষ হয়ে যায়। অনেকেরই দু’বেলা খাবারের নিশ্চয়তা থাকে না।আমাদের একবেলা খেয়ে আরেক বেলা না খেয়ে কাটাতে হচ্ছে। নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে কর্মচারীদের দুর্দশা আরও চরমে পৌঁছাবে।’

জনপ্রিয়

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরিষাবাড়িতে বেড়েছে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের মানববন্ধন

প্রকাশিত ১০:০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

অষ্টম পে–স্কেলের বৈষম্য নিরসন ও নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে মানববন্ধন করেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি।

রবিবার(১৬ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ২০১৫ সালে ঘোষিত অষ্টম পে–স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

২০ থেকে ১৯ গ্রেডে বেতন বেড়েছে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। অথচ ১১ থেকে ১০ গ্রেডে এই পার্থক্য ছিল ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত।

এমনকি ওপরের দিকের কিছু গ্রেডে ১০ হাজার টাকারও বেশি ব্যবধান তৈরি করা হয়েছে।কর্মচারী নেতারা বলেন, সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন পে–স্কেল দেওয়া হলেও ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছরেও নতুন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কর্মচারীরা বিশেষ আশাবাদী ছিলেন। সরকার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করলেও বর্তমানে বলা হচ্ছে—এই সরকারের সময় পে–স্কেল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বক্তারা সরকারের এমন অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানান।

কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম কাজল মানববন্ধনে বলেন,‘বর্তমান বেতন কাঠামোয় ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মাসের শুরুতেই সব বেতন শেষ হয়ে যায়। অনেকেরই দু’বেলা খাবারের নিশ্চয়তা থাকে না।আমাদের একবেলা খেয়ে আরেক বেলা না খেয়ে কাটাতে হচ্ছে। নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে কর্মচারীদের দুর্দশা আরও চরমে পৌঁছাবে।’