ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

বউ রেখে লুচ্চামি করতে সুবিধা হয়, ইবি প্রক্টরকে ছাত্রদলের আহবায়ক

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৮:২৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত

“বউ রেখে লুচ্চামি করতে সুবিধা হয়।” ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রক্টরকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করেছেন ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ। গত মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে শাখা ছাত্রদলের সদস্য রাফিজ আহমেদের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ছাত্রউপদেষ্টা ও প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতিকে গালিগালাজ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনিসহ আরও দুই নেতা।

আহ্বায়ক সাহেদ বলেন,“এরা লুচ্ছামি চ*** বেড়াচ্ছে। আরেক সমুন্ধি কথায় কথায় আল্লাহর কিরা বলে। পাঁকা হুজুর! সোমবার-বৃহস্পতিবার রোজা রাখে। প্রক্টর স্যার লুচ্চামি বন্ধ করেন, আসেন গল্প করি। বউ রেখে লুচ্চামি করতে সুবিধা হয়! মানুষে মনে করে বউ আছে। প্রক্টর কই, প্রক্টর? প্রক্টরের সমস্যা হচ্ছিল ফুটবল মাঠের অনুষ্ঠানে? ছাত্র উপদেষ্টা কই? এরা সারাদিন হচ্ছে নামাজ কালাম রোজা পড়ে বেড়ায়, আর রাতের বেলায় লুচ্চুমি করে বেড়ায়!”

অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিন হল থেকে বের হন, তাকে উদ্দেশ্য করে সাহেদ বলেন, “এই সব শুয়োরের বাচ্চা। জালাল শুয়োরের বাচ্চা! জামায়াতি-বিএনপি শুয়োরের বাচ্চারা ।”

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিজয় দিবস ও হলটির ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল কর্তৃপক্ষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রউপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান ও প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিনসহ অন্যরা। তবে অনুষ্ঠান শেষ করতে দেরি করায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে এই প্রতিবাদে হলের সামনে অবস্থান নেন অভিযুক্তরা। এসময় হল থেকে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের গাড়ি বের হওয়ার সময় রাফিজ আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভে আসেন।

এছাড়াও ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ ফেসবুক লাইভে বলেন, “রাত এখন বাজে ১১টা ০৬। এখন উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হল থেকে প্রশাসনের ভিসি, ট্রেজারারের গাড়ি বের হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সব তাফসীরুল কারক মনোরঞ্জন করতেছে। এখন এখানে কোনো প্ড়াশোনার কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সব তাফসীরুল কারক মনোরঞ্জন করতেছে। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলে, যেখানে সাড়ে আটটার সময় প্রোগ্রাম হলে প্রশাসনের অনেক জ্বালা বেঁধে যায়, ওপেন কনসার্টে অনুমতি দিতে চায় না কিন্তু উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলে তারা ড্যান্স দেখতে চলে আসছে। সবই কর্তব্যব্যক্তি, সবই তো তাফসীরুল কারক।”

অধ্যাপক ড. জালাল হল থেকে বের হলে তাঁর উদ্দেশ্য বলেন, এই যে প্রফেসর ডক্টর জালাল স্যার, খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট, এইমাত্র ১১:১১ বাজে উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হল থেকে মনোরঞ্জন করে বের হচ্ছেন। তিনি আবার সিন্ডিকেট মেম্বার। স্যার, খুবই মনোরঞ্জন করে, খুবই তৃপ্তি পাইছে মনে হচ্ছে। এখনো প্রক্টরের দেখা পাচ্ছি না। তারা হয়তো এখনো মনোরঞ্জনে ব্যস্ত আছে। ১১:১৫-এর সময় আপনারা বুঝতে পারছেন যে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে মনোরঞ্জন চলছে এবং সেখানে প্রশাসনের উচ্চকর্তা ব্যক্তিসহ সবাই আছে।”

নুরউদ্দিন অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “জামাতি-বিএনপিকে আগে ধরতে হবে।” প্রক্টরকে উদ্দেশ্য করে নুরুদ্দিন বলেন “তারা এখনো রঙ্গলিলায় ব্যস্ত আছে।”

সদস্য সচিব মোহাম্মদ মিথুন বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমি আসলে এটার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। স্যারদের সম্পর্কে এভাবে তো আমরা বলতে পারি না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, তাদের সম্পর্কে আমরা এভাবে বলতে পারি না। যারা এটা করেছে তারা ভুল করে করেছে। এ নিয়ে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। তবে এটা সংগঠনের কথা না, তাদের ব্যক্তিগত কথা।”

সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, “কারো সাথে মতের পার্থক্য থাকতেই পারে কিন্তু প্রতিবাদটা আসলে শালীনতাসম্পন্ন প্রতিবাদ হওয়া উচিত। শুধু বিএনপিপন্থী শিক্ষক না, যে কোনো শিক্ষকের সাথে এমন ছাত্রনেতাদের এমন আচরণ কোনোভাবেই শোভনীয় নয়। এ আচরণের ফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষকসহ সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রদল কর্মী বলেন, “ছাত্রদলের আহ্বায়ক বান্ধবীকে পানির বোতলে প্রসাব খাওয়ানোর জন্য বহিস্কৃত হয়। ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দপ্তরে ভাংচুর ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত, নিজ দলের অন্য গ্রুপের কর্মীদের সাথে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ এবং সর্বশেষ বিএনপি পন্থী শিক্ষকদের সাথে এমন অশোভনীয় আচরণ। নিজ দলের অন্য গ্রুপের নেতাকে হেয় প্রতিপন্ন করার বিষয়টি মেনে নেয়ার মত নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অবগত থেকেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে না।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ বলেন, “যেটা হয়েছে সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এর জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।”

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

বউ রেখে লুচ্চামি করতে সুবিধা হয়, ইবি প্রক্টরকে ছাত্রদলের আহবায়ক

প্রকাশিত ০৮:২৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

“বউ রেখে লুচ্চামি করতে সুবিধা হয়।” ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রক্টরকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করেছেন ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ। গত মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে শাখা ছাত্রদলের সদস্য রাফিজ আহমেদের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ছাত্রউপদেষ্টা ও প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতিকে গালিগালাজ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনিসহ আরও দুই নেতা।

আহ্বায়ক সাহেদ বলেন,“এরা লুচ্ছামি চ*** বেড়াচ্ছে। আরেক সমুন্ধি কথায় কথায় আল্লাহর কিরা বলে। পাঁকা হুজুর! সোমবার-বৃহস্পতিবার রোজা রাখে। প্রক্টর স্যার লুচ্চামি বন্ধ করেন, আসেন গল্প করি। বউ রেখে লুচ্চামি করতে সুবিধা হয়! মানুষে মনে করে বউ আছে। প্রক্টর কই, প্রক্টর? প্রক্টরের সমস্যা হচ্ছিল ফুটবল মাঠের অনুষ্ঠানে? ছাত্র উপদেষ্টা কই? এরা সারাদিন হচ্ছে নামাজ কালাম রোজা পড়ে বেড়ায়, আর রাতের বেলায় লুচ্চুমি করে বেড়ায়!”

অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিন হল থেকে বের হন, তাকে উদ্দেশ্য করে সাহেদ বলেন, “এই সব শুয়োরের বাচ্চা। জালাল শুয়োরের বাচ্চা! জামায়াতি-বিএনপি শুয়োরের বাচ্চারা ।”

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিজয় দিবস ও হলটির ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল কর্তৃপক্ষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রউপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান ও প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিনসহ অন্যরা। তবে অনুষ্ঠান শেষ করতে দেরি করায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে এই প্রতিবাদে হলের সামনে অবস্থান নেন অভিযুক্তরা। এসময় হল থেকে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের গাড়ি বের হওয়ার সময় রাফিজ আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভে আসেন।

এছাড়াও ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ ফেসবুক লাইভে বলেন, “রাত এখন বাজে ১১টা ০৬। এখন উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হল থেকে প্রশাসনের ভিসি, ট্রেজারারের গাড়ি বের হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সব তাফসীরুল কারক মনোরঞ্জন করতেছে। এখন এখানে কোনো প্ড়াশোনার কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সব তাফসীরুল কারক মনোরঞ্জন করতেছে। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলে, যেখানে সাড়ে আটটার সময় প্রোগ্রাম হলে প্রশাসনের অনেক জ্বালা বেঁধে যায়, ওপেন কনসার্টে অনুমতি দিতে চায় না কিন্তু উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলে তারা ড্যান্স দেখতে চলে আসছে। সবই কর্তব্যব্যক্তি, সবই তো তাফসীরুল কারক।”

অধ্যাপক ড. জালাল হল থেকে বের হলে তাঁর উদ্দেশ্য বলেন, এই যে প্রফেসর ডক্টর জালাল স্যার, খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট, এইমাত্র ১১:১১ বাজে উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হল থেকে মনোরঞ্জন করে বের হচ্ছেন। তিনি আবার সিন্ডিকেট মেম্বার। স্যার, খুবই মনোরঞ্জন করে, খুবই তৃপ্তি পাইছে মনে হচ্ছে। এখনো প্রক্টরের দেখা পাচ্ছি না। তারা হয়তো এখনো মনোরঞ্জনে ব্যস্ত আছে। ১১:১৫-এর সময় আপনারা বুঝতে পারছেন যে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে মনোরঞ্জন চলছে এবং সেখানে প্রশাসনের উচ্চকর্তা ব্যক্তিসহ সবাই আছে।”

নুরউদ্দিন অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “জামাতি-বিএনপিকে আগে ধরতে হবে।” প্রক্টরকে উদ্দেশ্য করে নুরুদ্দিন বলেন “তারা এখনো রঙ্গলিলায় ব্যস্ত আছে।”

সদস্য সচিব মোহাম্মদ মিথুন বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমি আসলে এটার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। স্যারদের সম্পর্কে এভাবে তো আমরা বলতে পারি না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, তাদের সম্পর্কে আমরা এভাবে বলতে পারি না। যারা এটা করেছে তারা ভুল করে করেছে। এ নিয়ে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। তবে এটা সংগঠনের কথা না, তাদের ব্যক্তিগত কথা।”

সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, “কারো সাথে মতের পার্থক্য থাকতেই পারে কিন্তু প্রতিবাদটা আসলে শালীনতাসম্পন্ন প্রতিবাদ হওয়া উচিত। শুধু বিএনপিপন্থী শিক্ষক না, যে কোনো শিক্ষকের সাথে এমন ছাত্রনেতাদের এমন আচরণ কোনোভাবেই শোভনীয় নয়। এ আচরণের ফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষকসহ সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রদল কর্মী বলেন, “ছাত্রদলের আহ্বায়ক বান্ধবীকে পানির বোতলে প্রসাব খাওয়ানোর জন্য বহিস্কৃত হয়। ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দপ্তরে ভাংচুর ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত, নিজ দলের অন্য গ্রুপের কর্মীদের সাথে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ এবং সর্বশেষ বিএনপি পন্থী শিক্ষকদের সাথে এমন অশোভনীয় আচরণ। নিজ দলের অন্য গ্রুপের নেতাকে হেয় প্রতিপন্ন করার বিষয়টি মেনে নেয়ার মত নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অবগত থেকেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে না।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ বলেন, “যেটা হয়েছে সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এর জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।”