ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

জাবিতে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পাশে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি।

“প্রাণের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন ভর্তিইচ্ছুদের স্বাগত”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনটি তথ্য সহায়তা, বিনামূল্যে মোবাইল, ব্যাগ ও মানিব্যাগ গচ্ছিত রাখা এবং নানামুখী সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ঝিনাইদহ জেলার জাবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই সংগঠনটি প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষার সময় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাশে থেকে মানবিক সেবা দিয়ে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশেই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তাদের তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। শীতের কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে দূর-দূরান্ত থেকে আগত পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে জাবিতে প্রায় অর্ধশতাধিক জেলা সমিতির তথ্য সহায়তা কেন্দ্র সক্রিয় রয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে পরীক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো, যাতায়াত সংক্রান্ত তথ্যসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি বরাবরের মতো এবারও তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সেবা দিচ্ছে। কেন্দ্রটি থেকে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্র সম্পর্কে দিকনির্দেশনার পাশাপাশি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ব্যাগ, মোবাইলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে আগত পরীক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে ক্যাম্পাসে কাউকে চিনতাম না। কোথায় থাকব, কীভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাব—সবকিছু নিয়েই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির কাছে এসে সহযোগিতা চাইলে তারা থাকার ব্যবস্থা করে দেন। এতে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হতে পেরেছি।”

মহেশপুর উপজেলা থেকে আগত অভিভাবক রাকিব খন্দকার বলেন,
“জেলা সমিতির সদস্যরা যেভাবে আন্তরিকভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তাদের সহযোগিতা না পেলে সন্তানকে নিয়ে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হতো।”

সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা সহায়ক টেন্ট স্থাপন করেছি, যেখানে পরীক্ষা সংক্রান্ত সার্বিক দিকনির্দেশনা, আসন ব্যবস্থা, সুপেয় পানির সুবিধা ও হালকা নাস্তার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় অভিভাবক এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য রাত্রীকালীন আবাসনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ, ভালোবাসা ও সুনাম অর্জন করতে পেরেছি। আমাদের এই উদ্যোগ ভর্তি পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ভোগান্তি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে এটি আমাদের জেলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তুলে ধরছে।”

সংগঠনটির সভাপতি মারুফ হোসেন বলেন, “ভর্তি পরীক্ষার্থীরা আমাদেরই ছোট ভাই-বোন। দূর-দূরান্ত থেকে আগত এসব শিক্ষার্থী যেন কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হয়—এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এই তথ্য ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়তা, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংরক্ষণ, বাইক সার্ভিস, খাবার ও সার্বিক তথ্য সহায়তা—সবকিছু মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি তাদের পরীক্ষার সময়টাকে সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে। বিশেষ করে নারী পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আলাদা ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে।”

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে পরীক্ষার দিন খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নতুন আসা শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধুসুলভ পরিবেশ তৈরিতে সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন।

ঝিনাইদহ জেলার প্রতিনিধিত্ব করা, জেলার সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা এবং জেলার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সংগঠনটি বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে। ভবিষ্যতেও ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি শিক্ষার্থী কল্যাণে এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

জাবিতে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পাশে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি

প্রকাশিত ০৮:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি।

“প্রাণের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন ভর্তিইচ্ছুদের স্বাগত”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনটি তথ্য সহায়তা, বিনামূল্যে মোবাইল, ব্যাগ ও মানিব্যাগ গচ্ছিত রাখা এবং নানামুখী সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ঝিনাইদহ জেলার জাবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই সংগঠনটি প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষার সময় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাশে থেকে মানবিক সেবা দিয়ে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশেই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তাদের তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। শীতের কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে দূর-দূরান্ত থেকে আগত পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে জাবিতে প্রায় অর্ধশতাধিক জেলা সমিতির তথ্য সহায়তা কেন্দ্র সক্রিয় রয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে পরীক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানো, যাতায়াত সংক্রান্ত তথ্যসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি বরাবরের মতো এবারও তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সেবা দিচ্ছে। কেন্দ্রটি থেকে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্র সম্পর্কে দিকনির্দেশনার পাশাপাশি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ব্যাগ, মোবাইলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে আগত পরীক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে ক্যাম্পাসে কাউকে চিনতাম না। কোথায় থাকব, কীভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাব—সবকিছু নিয়েই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির কাছে এসে সহযোগিতা চাইলে তারা থাকার ব্যবস্থা করে দেন। এতে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হতে পেরেছি।”

মহেশপুর উপজেলা থেকে আগত অভিভাবক রাকিব খন্দকার বলেন,
“জেলা সমিতির সদস্যরা যেভাবে আন্তরিকভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তাদের সহযোগিতা না পেলে সন্তানকে নিয়ে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হতো।”

সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা সহায়ক টেন্ট স্থাপন করেছি, যেখানে পরীক্ষা সংক্রান্ত সার্বিক দিকনির্দেশনা, আসন ব্যবস্থা, সুপেয় পানির সুবিধা ও হালকা নাস্তার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় অভিভাবক এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য রাত্রীকালীন আবাসনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ, ভালোবাসা ও সুনাম অর্জন করতে পেরেছি। আমাদের এই উদ্যোগ ভর্তি পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ভোগান্তি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে এটি আমাদের জেলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তুলে ধরছে।”

সংগঠনটির সভাপতি মারুফ হোসেন বলেন, “ভর্তি পরীক্ষার্থীরা আমাদেরই ছোট ভাই-বোন। দূর-দূরান্ত থেকে আগত এসব শিক্ষার্থী যেন কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হয়—এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এই তথ্য ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়তা, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংরক্ষণ, বাইক সার্ভিস, খাবার ও সার্বিক তথ্য সহায়তা—সবকিছু মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি তাদের পরীক্ষার সময়টাকে সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে। বিশেষ করে নারী পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আলাদা ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে।”

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে পরীক্ষার দিন খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নতুন আসা শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধুসুলভ পরিবেশ তৈরিতে সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন।

ঝিনাইদহ জেলার প্রতিনিধিত্ব করা, জেলার সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা এবং জেলার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সংগঠনটি বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে। ভবিষ্যতেও ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি শিক্ষার্থী কল্যাণে এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।