ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ক্রাচে ভর দিয়ে কাজে যান বিল্লাল, ১৮ বছর ধরে ইট ভেঙে চালাচ্ছেন সংসার Logo ঢাকার যে আটটি দোকানে পাবেন নিরামিষ ও বাঙালি খাবারের স্বাদ Logo সৌদিতে হামলা: ঢাকা থেকে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ১৯ হাজারের বেশি যাত্রী দুর্ভোগে Logo সরবরাহ সংকটের জেরে বিশ্বব্যাপী খাবারের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা Logo মন্ত্রিসভার সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যেই পড়ে: অ্যাটর্নি জেনারেল Logo মেকআপ ও ঘরের কাজের কারণে পুরুষদের চেয়ে বেশি সময় লাগে: জাপানের প্রধানমন্ত্রী Logo এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ রোনালদো Logo ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নাগরিক সেবা এখন ‘মাইগভ’ প্ল্যাটফর্মে Logo বিতর্কিতদের সরিয়ে কী বার্তা দিচ্ছে বিএনপি? Logo গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর: প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি, ২০ টাকায় মিলছে সেবনের ‘নিরাপদ’ জায়গাও

নির্বাচন উপলক্ষে দুদিন ছুটি ঘোষণা পাবিপ্রবি প্রশাসনের, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক আগ্রহ ও জন আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছুটির সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাত্র দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করায় ভোটাধিকার প্রয়োগ ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
‎
‎গত ১ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি থাকবে।
‎
‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। অনেক শিক্ষার্থীর ভোটকেন্দ্র নিজ নিজ জেলা বা নিজ এলাকা হওয়ায় সেখানে গিয়ে ভোট দিতে সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু মাত্র দুই দিনের ছুটিতে দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াত করে সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অফিসিয়ালি মাত্র দুই দিনের ছুটির ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা আরও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে যাতায়াত পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইসিই বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের অনেকের বাড়ি দক্ষিণাঞ্চলে। যাতায়াতেই দুই দিন লেগে যায়। এত কম ছুটিতে ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। এটি আমাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার শামিল।’
‎
‎ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অন্তত কয়েক দিনের ছুটি ঘোষণা করা, যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।’
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ ছুটি হিসেবে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী গত ১ তারিখেই নোটিশ জারি করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ছুটি বাড়ানো সম্ভব নয়। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

জনপ্রিয়

ক্রাচে ভর দিয়ে কাজে যান বিল্লাল, ১৮ বছর ধরে ইট ভেঙে চালাচ্ছেন সংসার

নির্বাচন উপলক্ষে দুদিন ছুটি ঘোষণা পাবিপ্রবি প্রশাসনের, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

প্রকাশিত ০৯:৩৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক আগ্রহ ও জন আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছুটির সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাত্র দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করায় ভোটাধিকার প্রয়োগ ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
‎
‎গত ১ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি থাকবে।
‎
‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। অনেক শিক্ষার্থীর ভোটকেন্দ্র নিজ নিজ জেলা বা নিজ এলাকা হওয়ায় সেখানে গিয়ে ভোট দিতে সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু মাত্র দুই দিনের ছুটিতে দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াত করে সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অফিসিয়ালি মাত্র দুই দিনের ছুটির ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা আরও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে যাতায়াত পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইসিই বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের অনেকের বাড়ি দক্ষিণাঞ্চলে। যাতায়াতেই দুই দিন লেগে যায়। এত কম ছুটিতে ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। এটি আমাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার শামিল।’
‎
‎ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অন্তত কয়েক দিনের ছুটি ঘোষণা করা, যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।’
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ ছুটি হিসেবে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী গত ১ তারিখেই নোটিশ জারি করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ছুটি বাড়ানো সম্ভব নয়। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।