ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অনলাইনে ক্লাস নেওয়া ‘বাস্তবতা জ্ঞানহীন ফালতু সিদ্ধান্ত’: রাবির সাবেক উপাচার্য Logo ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবা নারীকে ধর্ষণ, আটক এক Logo কুবিতে প্রথম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাকৃবিতে প্রথম বারের মতো ‘ক্যাট শো’ অনুষ্ঠিত Logo জাবিতে মোবাইল ফটোগ্রাফি কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo ববিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের নতুন নেতৃত্বে সাইদুর রহমান ও ইমাম হোসেন Logo বাকৃবি শিক্ষার্থীদের খাবারের মান বৃদ্ধি, রেলস্টেশন চালু ও নানা উন্নয়ন ইস্যুতে সরব ছাত্রদল নেতা Logo বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তানভীর, সম্পাদক ইসরাত Logo গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের নানাবিধ উদ্যোগ Logo সিনিয়র জুনিয়র কথা কাটাকাটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ; আহত ১০-১৫ জন

নির্বাচন উপলক্ষে দুদিন ছুটি ঘোষণা পাবিপ্রবি প্রশাসনের, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক আগ্রহ ও জন আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছুটির সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাত্র দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করায় ভোটাধিকার প্রয়োগ ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

‎গত ১ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি থাকবে।

‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। অনেক শিক্ষার্থীর ভোটকেন্দ্র নিজ নিজ জেলা বা নিজ এলাকা হওয়ায় সেখানে গিয়ে ভোট দিতে সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু মাত্র দুই দিনের ছুটিতে দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াত করে সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অফিসিয়ালি মাত্র দুই দিনের ছুটির ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা আরও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে যাতায়াত পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইসিই বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের অনেকের বাড়ি দক্ষিণাঞ্চলে। যাতায়াতেই দুই দিন লেগে যায়। এত কম ছুটিতে ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। এটি আমাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার শামিল।’

‎ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অন্তত কয়েক দিনের ছুটি ঘোষণা করা, যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।’

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ ছুটি হিসেবে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী গত ১ তারিখেই নোটিশ জারি করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ছুটি বাড়ানো সম্ভব নয়। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

জনপ্রিয়

অনলাইনে ক্লাস নেওয়া ‘বাস্তবতা জ্ঞানহীন ফালতু সিদ্ধান্ত’: রাবির সাবেক উপাচার্য

নির্বাচন উপলক্ষে দুদিন ছুটি ঘোষণা পাবিপ্রবি প্রশাসনের, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

প্রকাশিত ০৯:৩৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক আগ্রহ ও জন আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছুটির সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাত্র দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করায় ভোটাধিকার প্রয়োগ ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

‎গত ১ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি থাকবে।

‎শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। অনেক শিক্ষার্থীর ভোটকেন্দ্র নিজ নিজ জেলা বা নিজ এলাকা হওয়ায় সেখানে গিয়ে ভোট দিতে সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু মাত্র দুই দিনের ছুটিতে দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াত করে সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অফিসিয়ালি মাত্র দুই দিনের ছুটির ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা আরও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে যাতায়াত পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইসিই বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের অনেকের বাড়ি দক্ষিণাঞ্চলে। যাতায়াতেই দুই দিন লেগে যায়। এত কম ছুটিতে ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব। এটি আমাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার শামিল।’

‎ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অন্তত কয়েক দিনের ছুটি ঘোষণা করা, যাতে সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।’

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ ছুটি হিসেবে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী গত ১ তারিখেই নোটিশ জারি করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত ছুটি বাড়ানো সম্ভব নয়। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।