ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জবিতে শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন Logo প্রথমবারের মত জাতীয় স্বাধীনতা দিবস প্যারেডে ইবি বিএনসিসি নৌ শাখার ক্যাডেটদের অংশগ্রহণ Logo জবি শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ শাখা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে, বিচার চেয়ে উপাচার্যের নিকট অভিযোগ Logo পাবিপ্রবি থেকে ভিসি নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন Logo দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে যবিপ্রবির ১২ পদক্ষেপ Logo চলন্ত বাস থেকে জাবি শিক্ষার্থীকে ধাক্কা, ঠিকানা পরিবহনের ৬ বাস আটক Logo সোনাগাজীতে ‘ভাই-বন্ধু স্পোর্টিং ক্লাব’র নতুন কমিটির সভাপতি মুরাদ, সম্পাদক ফরিদ Logo প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বপ্ন Logo যাত্রী না তুলেই ৫ ঘণ্টা ট্রিপ, উবারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে দক্ষিণ বনশ্রীতে চলছে ইল্লিয়ীন ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের ‘গ্র্যান্ড ওপেনিং’ উৎসব

জবি শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ শাখা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে, বিচার চেয়ে উপাচার্যের নিকট অভিযোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) গণিত বিভাগের এক অধ্যাপককে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আজ রোববার (২৯ মার্চ) ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার নতুন উপাচার্যের যোগদান উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় চা পান শেষে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার আহম্মদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নঈম আকতার সিদ্দিক।

অধ্যাপক আবু হানিফ লিখিত অভিযোগে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বর এলাকায় পৌঁছালে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁদের পথরোধ করেন। এ সময় হিমেল তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একইসঙ্গে অভিযোগ করেন যে তিনি এলাকায় বিএনপির সঙ্গে যুক্ত ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গুপ্ত’ হিসেবে কাজ করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে হিমেলের নেতৃত্বে জাফর আহমেদ, সুমন সরদারসহ ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী তাঁদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তাঁদের একজনের মুঠোফোন জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। বাধা দিলে অধ্যাপক আবু হানিফকেও ধমক দেওয়া হয় এবং তাঁর ফোন চেক করার চেষ্টা করা হয়। পরে প্রশাসনিক ভবনের দিকে যাওয়ার সময় তাঁকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনকে অবহিত করা হলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। পরবর্তীতে অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার লিখিতভাবে ঘটনার বিচার দাবি করেন।

জনপ্রিয়

জবিতে শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

জবি শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ শাখা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে, বিচার চেয়ে উপাচার্যের নিকট অভিযোগ

প্রকাশিত ০১:২৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) গণিত বিভাগের এক অধ্যাপককে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আজ রোববার (২৯ মার্চ) ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার নতুন উপাচার্যের যোগদান উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় চা পান শেষে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার আহম্মদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নঈম আকতার সিদ্দিক।

অধ্যাপক আবু হানিফ লিখিত অভিযোগে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বর এলাকায় পৌঁছালে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁদের পথরোধ করেন। এ সময় হিমেল তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একইসঙ্গে অভিযোগ করেন যে তিনি এলাকায় বিএনপির সঙ্গে যুক্ত ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গুপ্ত’ হিসেবে কাজ করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে হিমেলের নেতৃত্বে জাফর আহমেদ, সুমন সরদারসহ ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী তাঁদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তাঁদের একজনের মুঠোফোন জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। বাধা দিলে অধ্যাপক আবু হানিফকেও ধমক দেওয়া হয় এবং তাঁর ফোন চেক করার চেষ্টা করা হয়। পরে প্রশাসনিক ভবনের দিকে যাওয়ার সময় তাঁকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনকে অবহিত করা হলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। পরবর্তীতে অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার লিখিতভাবে ঘটনার বিচার দাবি করেন।