ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মুক্তিকে প্রকাশ্য সমর্থন ওমর সানীর Logo স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক: ছুটির অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ Logo সফলভাবে শেষ হলো পাবিপ্রবিতে ১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স Logo বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে ‘কৃত্রিমভাবে আসন দখল’ বন্ধে শিক্ষার্থীদের আবেদন Logo ধনবাড়ীতে পিকআপের ধাক্কায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo পিএইচডি জালিয়াতি: গোবিপ্রবির সাদা দলের সদস্য সচিব চাকরিচ্যুত Logo পদোন্নতির দাবিতে প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর প্রভাষকদের স্মারকলিপি Logo এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদল Logo এ বছরই আমি দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা Logo কবি নজরুল কলেজে নবনির্মিত মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ইশরাক হোসেন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে ‘কৃত্রিমভাবে আসন দখল’ বন্ধে শিক্ষার্থীদের আবেদন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কৃত্রিমভাবে আসন দখল এবং দীর্ঘ সময় আসন আটকে রাখার প্রবণতা বন্ধ করে সুষ্ঠু ও সমতাভিত্তিক পাঠের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে গ্রন্থাগারিক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (২৮ জুন) জমা দেওয়া ওই আবেদনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শিক্ষার্থী বই, খাতা কিংবা অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী টেবিল-চেয়ারে রেখে দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকছেন। এতে আসনগুলো কার্যত দখল হয়ে থাকায় প্রকৃত পাঠকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও বসার জায়গা পাচ্ছেন না। ফলে স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে গ্রন্থাগার বন্ধ হওয়ার আগেও টেবিলে ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে যাওয়া হয়। পরদিন গ্রন্থাগার খোলার পরও সেই আসনগুলো দখলকৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এতে আসন ব্যবস্থাপনায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে এবং সীমিত আসনের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ পরিস্থিতির সমাধানে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— উপস্থিত না থেকে ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে আসন সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি অনুপস্থিত থাকলে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই সামগ্রী সরিয়ে নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, প্রতিদিন গ্রন্থাগার বন্ধের আগে টেবিল-চেয়ারে ফেলে রাখা সামগ্রী সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা এবং বিষয়টি কার্যকর করতে দৃশ্যমান নোটিশ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা।

শিক্ষার্থীদের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে গ্রন্থাগারের আসন ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত পাঠকদের জন্য একটি অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা আবেদনটি গ্রহণ করেছেন এবং আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে বিষয়টির একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন।

উল্লেখ্য, আবেদনপত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ও বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মোট ৫৬ জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেছেন। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মুক্তিকে প্রকাশ্য সমর্থন ওমর সানীর

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে ‘কৃত্রিমভাবে আসন দখল’ বন্ধে শিক্ষার্থীদের আবেদন

প্রকাশিত ১১:৪১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কৃত্রিমভাবে আসন দখল এবং দীর্ঘ সময় আসন আটকে রাখার প্রবণতা বন্ধ করে সুষ্ঠু ও সমতাভিত্তিক পাঠের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে গ্রন্থাগারিক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (২৮ জুন) জমা দেওয়া ওই আবেদনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শিক্ষার্থী বই, খাতা কিংবা অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী টেবিল-চেয়ারে রেখে দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকছেন। এতে আসনগুলো কার্যত দখল হয়ে থাকায় প্রকৃত পাঠকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও বসার জায়গা পাচ্ছেন না। ফলে স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে গ্রন্থাগার বন্ধ হওয়ার আগেও টেবিলে ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে যাওয়া হয়। পরদিন গ্রন্থাগার খোলার পরও সেই আসনগুলো দখলকৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এতে আসন ব্যবস্থাপনায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে এবং সীমিত আসনের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ পরিস্থিতির সমাধানে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— উপস্থিত না থেকে ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে আসন সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি অনুপস্থিত থাকলে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই সামগ্রী সরিয়ে নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, প্রতিদিন গ্রন্থাগার বন্ধের আগে টেবিল-চেয়ারে ফেলে রাখা সামগ্রী সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা এবং বিষয়টি কার্যকর করতে দৃশ্যমান নোটিশ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা।

শিক্ষার্থীদের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে গ্রন্থাগারের আসন ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত পাঠকদের জন্য একটি অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা আবেদনটি গ্রহণ করেছেন এবং আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে বিষয়টির একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন।

উল্লেখ্য, আবেদনপত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ও বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মোট ৫৬ জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেছেন। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।