ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অনেক সময় মনে হয়েছে নিজেকে শেষ করে দিই, বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে শ্রাবন্তী Logo বাঁধনের দৃঢ় ঘোষণা, ‘কেস ফাইল না করে ভেনিস ছাড়ছি না’ Logo র‌্যাব বিলুপ্ত হয়ে পাস হচ্ছে এসআরবি বিল, সংসদীয় কমিটির অনুমোদন Logo ডেঙ্গুতে বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড Logo আওয়ামী লীগে শেখ সেলিমকে নিয়ে আলোচনা কেন Logo ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে সরকারি চাকরিতে স্বজনপ্রীতির সুযোগ বাড়াচ্ছে সরকার Logo নাসা গ্রুপের নজরুল ও তার স্ত্রীর ৮৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দের নির্দেশ Logo মিথিলার দ্বিতীয় সংসারও কি ভেঙে গেল? স্বামী সৃজিতের কথায় ইঙ্গিত Logo আংটি হারিয়ে কি সত্যিই রাজত্ব হারিয়েছিলেন সুলাইমান (আ.)? Logo হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার

নাসা গ্রুপের নজরুল ও তার স্ত্রীর ৮৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দের নির্দেশ

নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং তার স্ত্রী নাসরিন ইসলামের মালিকানাধীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে থাকা বিশাল অঙ্কের অর্থ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ এই নির্দেশ দেন। আদালতের এই আদেশের ফলে যুক্তরাজ্যের জার্সিতে অবস্থিত একটি ব্যাংকে থাকা প্রায় ৫৩ লাখ পাউন্ড অবরুদ্ধ করা হয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ আনুমানিক ৮৫ কোটি টাকা।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, জার্সির ইউবিএস ব্যাংকে ‘ওয়ান ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে এই অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত মালিক হলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তার স্ত্রী নাসরিন ইসলাম। আইল অব ম্যানের ঠিকানায় নিবন্ধিত হওয়ার পর ২০১৯ সালের শেষ দিকে ওই ব্যাংক হিসাবটি খোলা হয়েছিল এবং চলতি বছরের আগস্ট মাসের হিসাব অনুযায়ী সেখানে ৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড জমা ছিল।

তদন্তকারী সংস্থাটির পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছে যে, নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং তার সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিশাল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। দেশের ২৬টি ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করার পাশাপাশি বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পাচারকৃত অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যুক্তরাজ্য, জার্সি ও হংকংয়ের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, বিদেশে এই ধরনের বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি। এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে দাখিল করা আয়কর বিবরণীতে এই সমস্ত বৈদেশিক সম্পদের তথ্য সম্পূর্ণভাবে গোপন করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ইতিপূর্বে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং একটি মামলায় ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

অনেক সময় মনে হয়েছে নিজেকে শেষ করে দিই, বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে শ্রাবন্তী

নাসা গ্রুপের নজরুল ও তার স্ত্রীর ৮৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দের নির্দেশ

প্রকাশিত ০৫:৫৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং তার স্ত্রী নাসরিন ইসলামের মালিকানাধীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে থাকা বিশাল অঙ্কের অর্থ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ এই নির্দেশ দেন। আদালতের এই আদেশের ফলে যুক্তরাজ্যের জার্সিতে অবস্থিত একটি ব্যাংকে থাকা প্রায় ৫৩ লাখ পাউন্ড অবরুদ্ধ করা হয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ আনুমানিক ৮৫ কোটি টাকা।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, জার্সির ইউবিএস ব্যাংকে ‘ওয়ান ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে এই অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত মালিক হলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তার স্ত্রী নাসরিন ইসলাম। আইল অব ম্যানের ঠিকানায় নিবন্ধিত হওয়ার পর ২০১৯ সালের শেষ দিকে ওই ব্যাংক হিসাবটি খোলা হয়েছিল এবং চলতি বছরের আগস্ট মাসের হিসাব অনুযায়ী সেখানে ৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড জমা ছিল।

তদন্তকারী সংস্থাটির পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছে যে, নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং তার সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিশাল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। দেশের ২৬টি ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করার পাশাপাশি বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পাচারকৃত অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যুক্তরাজ্য, জার্সি ও হংকংয়ের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, বিদেশে এই ধরনের বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি। এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে দাখিল করা আয়কর বিবরণীতে এই সমস্ত বৈদেশিক সম্পদের তথ্য সম্পূর্ণভাবে গোপন করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ইতিপূর্বে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং একটি মামলায় ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে।