ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসাদ আলম সিয়ামকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার করার সিদ্ধান্তে ভারতের সম্মতি

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে পেশাদার কূটনীতিক আসাদ আলম সিয়ামকে নিয়োগ দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ঢাকা গ্রহণ করেছিল, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে ভারত সরকার। কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত পরিচিত মুখ আসাদ আলম সিয়ামের এই নিয়োগ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে নতুন হাইকমিশনারের অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে কাজে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আসাদ আলম সিয়ামের নাম ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও নিয়ম অনুযায়ী নয়াদিল্লি সেই প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত প্রদান করেছে। সাধারণত দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার অংশ হিসেবে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বাগতিক দেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এই অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আসাদ আলম সিয়ামের নয়াদিল্লিতে মিশন প্রধান হিসেবে যোগদানের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো।

কূটনৈতিক অঙ্গনে আসাদ আলম সিয়াম এর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মিশনে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পেশাগত জীবনে তিনি তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান বহুমুখী অংশীদারিত্ব, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, এবং আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে তিনি নতুন দায়িত্বে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং চলমান বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয় হবেন।

খুব শীঘ্রই তিনি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শীর্ষ পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে বর্তমান হাইকমিশনারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভাল করবেন এবং উভয় সরকারের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ সমন্বয় করবেন। তার এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রত্যাশা করছেন।

জনপ্রিয়

রিফাত চৌধুরীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান চঞ্চলের

আসাদ আলম সিয়ামকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার করার সিদ্ধান্তে ভারতের সম্মতি

প্রকাশিত ০২:০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে পেশাদার কূটনীতিক আসাদ আলম সিয়ামকে নিয়োগ দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ঢাকা গ্রহণ করেছিল, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে ভারত সরকার। কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত পরিচিত মুখ আসাদ আলম সিয়ামের এই নিয়োগ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে নতুন হাইকমিশনারের অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে কাজে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আসাদ আলম সিয়ামের নাম ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও নিয়ম অনুযায়ী নয়াদিল্লি সেই প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত প্রদান করেছে। সাধারণত দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার অংশ হিসেবে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বাগতিক দেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এই অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আসাদ আলম সিয়ামের নয়াদিল্লিতে মিশন প্রধান হিসেবে যোগদানের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো।

কূটনৈতিক অঙ্গনে আসাদ আলম সিয়াম এর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মিশনে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পেশাগত জীবনে তিনি তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান বহুমুখী অংশীদারিত্ব, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, এবং আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে তিনি নতুন দায়িত্বে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং চলমান বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয় হবেন।

খুব শীঘ্রই তিনি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শীর্ষ পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে বর্তমান হাইকমিশনারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভাল করবেন এবং উভয় সরকারের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ সমন্বয় করবেন। তার এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রত্যাশা করছেন।