ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা, ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo রোনালদোকে ছাড়াই আরও একটা দারুণ জয় পর্তুগালের Logo প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৭০৭টি স্কুলে ৬০৫ শিক্ষকের পদ শূন্য, পিছিয়ে শিক্ষার্থীরা Logo ইসলামী আন্দোলন ও সাহিত্যে মাওলানা আবদুর রহীমের অবদান স্মরণীয় Logo নারীর প্রতি সহানুভূতি: ইসলাম কীভাবে মূল্যায়ন করে Logo বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে এআইইউবি Logo যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক Logo ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু Logo তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ Logo গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি খোঁজার কাগজ দেওয়া হবে না: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সিটির ১০০ টাকা স্পনসর আয়ের সাড়ে ৮৭ টাকাই ছিল ভুয়া

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে গঠিত স্বাধীন কমিশনের তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গোপনীয় নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ক্লাবটির বাণিজ্যিক আয় নিয়ে বড় ধরণের জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। প্রিমিয়ার লিগের কঠোর আর্থিক বিধিমালা এবং নিয়মনীতি ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই অভিনব পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্লাবটির মোট স্পনসরশিপ আয়ের বড় একটা অংশই ছিল সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বাস্তবতাবর্জিত। হিসাব করে দেখা গেছে, স্পনসর বাবদ আয় করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে সাতাশি টাকাই ছিল আসলে ভুয়া ও ভিত্তিহীন। অর্থাৎ কাগজে-কলমে যে বিশাল অংকের স্পনসর দেখানো হয়েছিল, তার বাস্তব কোনো অর্থনৈতিক ভিত্তি বা অস্তিত্ব ছিল না। প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান আর্থিক তদন্তে এই বিষয়টি অন্যতম প্রধান অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ক্লাবগুলোর জন্য নির্ধারিত অর্থনৈতিক সুশৃঙ্খলতা বা লাভ ও টেকসই বিধিমালা (পিএসআর) বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্পনসরশিপের এই ভুয়া অঙ্কগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই কৃত্রিম উপায়ে আয় বাড়িয়ে দেখানোর মাধ্যমে ক্লাবটি মূলত তাদের প্রকৃত আর্থিক অবস্থাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে প্রিমিয়ার লিগের অন্যান্য ক্লাবগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় তারা অনৈতিক সুবিধা ভোগ করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এই ধরনের বড় অংকের আর্থিক জালিয়াতি প্রমাণিত হলে ক্লাবটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। পয়েন্ট কাটা থেকে শুরু করে বড় অঙ্কের জরিমানা কিংবা অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার খড়গ ঝুলছে এই ক্লাবটির ওপর। ভবিষ্যতে ইংলিশ ফুটবলের সার্বিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই তদন্তের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয়

মা তো নেই, এখন আপনাদেরই উচিত আমাকে দেখে রাখা, ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিটির ১০০ টাকা স্পনসর আয়ের সাড়ে ৮৭ টাকাই ছিল ভুয়া

প্রকাশিত ০১:০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে গঠিত স্বাধীন কমিশনের তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গোপনীয় নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ক্লাবটির বাণিজ্যিক আয় নিয়ে বড় ধরণের জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। প্রিমিয়ার লিগের কঠোর আর্থিক বিধিমালা এবং নিয়মনীতি ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই অভিনব পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্লাবটির মোট স্পনসরশিপ আয়ের বড় একটা অংশই ছিল সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বাস্তবতাবর্জিত। হিসাব করে দেখা গেছে, স্পনসর বাবদ আয় করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে সাতাশি টাকাই ছিল আসলে ভুয়া ও ভিত্তিহীন। অর্থাৎ কাগজে-কলমে যে বিশাল অংকের স্পনসর দেখানো হয়েছিল, তার বাস্তব কোনো অর্থনৈতিক ভিত্তি বা অস্তিত্ব ছিল না। প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান আর্থিক তদন্তে এই বিষয়টি অন্যতম প্রধান অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ক্লাবগুলোর জন্য নির্ধারিত অর্থনৈতিক সুশৃঙ্খলতা বা লাভ ও টেকসই বিধিমালা (পিএসআর) বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্পনসরশিপের এই ভুয়া অঙ্কগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই কৃত্রিম উপায়ে আয় বাড়িয়ে দেখানোর মাধ্যমে ক্লাবটি মূলত তাদের প্রকৃত আর্থিক অবস্থাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে প্রিমিয়ার লিগের অন্যান্য ক্লাবগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় তারা অনৈতিক সুবিধা ভোগ করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এই ধরনের বড় অংকের আর্থিক জালিয়াতি প্রমাণিত হলে ক্লাবটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। পয়েন্ট কাটা থেকে শুরু করে বড় অঙ্কের জরিমানা কিংবা অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার খড়গ ঝুলছে এই ক্লাবটির ওপর। ভবিষ্যতে ইংলিশ ফুটবলের সার্বিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই তদন্তের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।