ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক Logo ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু Logo তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ Logo গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি খোঁজার কাগজ দেওয়া হবে না: ড. মুহাম্মদ ইউনূস Logo শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ১০ দিন ধরে অচল চুয়েট Logo রোনালদো ছাড়লেন পর্তুগালের ক্যাম্প, পর্তুগালের ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে গেলেন ৫ লাখ অনুসারী Logo হাড় ভাঙা ঠেকাতে ক্যালসিয়াম-ভিটামিন ডির সুফল নেই—দাবি নতুন গবেষণায় Logo আন্তর্জাতিক কফি দিবস: আপনিও কি ‘কফি হাউস’ গানের রমা, সুজাতা, মঈদুল, নিখিলেশ আর অমলের সঙ্গে নিজের মিল খুঁজছেন? Logo বাবার মুখে পাউরুটি তুলে দেওয়া সেই শিশুকে স্কুলে ফেরালেন ইউএনও Logo নিকনের প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া ছবি ও ভিডিওতে এআই ব্যবহারের অভিযোগ

তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ

দেশে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা সামান্য বাড়লেও তা এখনও অত্যন্ত অপ্রতুল পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জাতীয় জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মাত্র সাড়ে ১০ শতাংশ নাগরিক এই আইনটি সম্পর্কে জানেন। অথচ এর আগে ২০১৯ সালে এই সচেতনতার হার ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ গত কয়েক বছরে আইনটি নিয়ে মানুষের জানাশোনা কিছুটা বাড়লেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি।

সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ এবং তথ্য অধিকার ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এই জরিপটি পরিচালিত হয়। দেশজুড়ে তিন হাজার ২০০ সাধারণ নাগরিকের অংশগ্রহণে এই জরিপ সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা ও আপিল কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎকার এবং তথ্য কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করে এই পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, যারা আইনটি সম্পর্কে জানেন তাদের মধ্যেও তথ্য চেয়ে আবেদন করার প্রবণতা খুবই কম। সচেতন নাগরিকদের মাত্র সাড়ে চার শতাংশের বেশি মানুষ কখনো তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন। তবে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তথ্যের ভূমিকা যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে নাগরিকদের ইতিবাচক ধারণা রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন যে বর্তমান বা ভবিষ্যতে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের তথ্যের প্রয়োজন হতে পারে।

আইনটির সফল বাস্তবায়নে বড় বাধা হলো সঠিক ধারণার অভাব এবং প্রশাসনিক জটিলতা। তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে ধারণা থাকলেও আবেদন করার নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রক্রিয়া অনেকেরই অজানা। এছাড়া তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তাদের অনেকেরই এই আইন ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। অন্যদিকে, যারা তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন তাদের বড় একটি অংশ নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার সম্মুখীন হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক

তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ

প্রকাশিত ০১:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

দেশে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা সামান্য বাড়লেও তা এখনও অত্যন্ত অপ্রতুল পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জাতীয় জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মাত্র সাড়ে ১০ শতাংশ নাগরিক এই আইনটি সম্পর্কে জানেন। অথচ এর আগে ২০১৯ সালে এই সচেতনতার হার ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ গত কয়েক বছরে আইনটি নিয়ে মানুষের জানাশোনা কিছুটা বাড়লেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি।

সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ এবং তথ্য অধিকার ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এই জরিপটি পরিচালিত হয়। দেশজুড়ে তিন হাজার ২০০ সাধারণ নাগরিকের অংশগ্রহণে এই জরিপ সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা ও আপিল কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎকার এবং তথ্য কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করে এই পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, যারা আইনটি সম্পর্কে জানেন তাদের মধ্যেও তথ্য চেয়ে আবেদন করার প্রবণতা খুবই কম। সচেতন নাগরিকদের মাত্র সাড়ে চার শতাংশের বেশি মানুষ কখনো তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন। তবে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তথ্যের ভূমিকা যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে নাগরিকদের ইতিবাচক ধারণা রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন যে বর্তমান বা ভবিষ্যতে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের তথ্যের প্রয়োজন হতে পারে।

আইনটির সফল বাস্তবায়নে বড় বাধা হলো সঠিক ধারণার অভাব এবং প্রশাসনিক জটিলতা। তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে ধারণা থাকলেও আবেদন করার নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রক্রিয়া অনেকেরই অজানা। এছাড়া তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তাদের অনেকেরই এই আইন ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। অন্যদিকে, যারা তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন তাদের বড় একটি অংশ নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার সম্মুখীন হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।