ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo টাইগারদের সহকারী কোচ হলেন মালিবাংওয়ে মাকেতা Logo ৪৩, ৪৪ ও ৪৮তম বিসিএস: গেজেটবঞ্চিত সুপারিশপ্রাপ্তদের দ্রুত নিয়োগের দাবি Logo পিছিয়ে পড়েও ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র ইতালির Logo হোস্টেল মালিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, ঢাকা কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে মারধর Logo রাকসুর এক বছর: শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যা রয়েই গেছে Logo ২২ বছর পর জিম্বাবুয়ে সফরে যাচ্ছে ইংল্যান্ড Logo ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে ককরোচ জনতা পার্টি Logo মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: ছেলে বললেন, ‘ফেসবুক দেখে জাজ করেন’ Logo বাবার মুখে রুটি তুলে দেওয়া সেই শিশুর হাত ধরে স্কুলে নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও Logo সেপ্টেম্বর মাসে হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৭০ সংবাদকর্মী

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে, দেশের প্রায় সত্তর শতাংশ নাগরিক মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিকেই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে, যা আগামী নির্বাচনের ফলাফলের ওপর জোরালো প্রভাব রাখতে পারে।

জরিপে অংশ নেওয়া সিংহভাগ উত্তরদাতা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করেছেন। তাদের মতে, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী নীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর কারণে বাজারে বর্তমান এই অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মুদি দোকান থেকে শুরু করে জ্বালানি তেল এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রতিটি পণ্যের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার পেছনে ট্রাম্পের নীতিগত ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন এই ভোটাররা।

নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারাভিযানেও অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতির বিষয়টি প্রধান এজেন্ডা হিসেবে উঠে আসছে। সাধারণ মানুষের এই আর্থিক দুর্ভোগকে পুঁজি করে বিরোধী দলগুলো বর্তমান প্রশাসনের পাশাপাশি সাবেক প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে নানামুখী সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটারদের এই ক্ষোভ ও হতাশা শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সে কীভাবে প্রতিফলিত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন অর্থনীতির এই সংকট কেবল কোনো একক নেতার কারণে তৈরি হয়নি, এর পেছনে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা জটিল অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে। তবে রাজনৈতিক ময়দানে ভোটারদের সহানুভূতি অর্জনের জন্য নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার বিষয়টিকে এই মুহূর্তে প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলা চলে, এবারের নির্বাচনে মুদ্রাস্ফীতিই নির্ধারণ করে দেবে মার্কিন রাজনীতির পরবর্তী গতিপথ।

জনপ্রিয়

টাইগারদের সহকারী কোচ হলেন মালিবাংওয়ে মাকেতা

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক

প্রকাশিত ০২:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে, দেশের প্রায় সত্তর শতাংশ নাগরিক মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিকেই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে, যা আগামী নির্বাচনের ফলাফলের ওপর জোরালো প্রভাব রাখতে পারে।

জরিপে অংশ নেওয়া সিংহভাগ উত্তরদাতা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করেছেন। তাদের মতে, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী নীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর কারণে বাজারে বর্তমান এই অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মুদি দোকান থেকে শুরু করে জ্বালানি তেল এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রতিটি পণ্যের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার পেছনে ট্রাম্পের নীতিগত ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন এই ভোটাররা।

নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারাভিযানেও অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতির বিষয়টি প্রধান এজেন্ডা হিসেবে উঠে আসছে। সাধারণ মানুষের এই আর্থিক দুর্ভোগকে পুঁজি করে বিরোধী দলগুলো বর্তমান প্রশাসনের পাশাপাশি সাবেক প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে নানামুখী সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটারদের এই ক্ষোভ ও হতাশা শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সে কীভাবে প্রতিফলিত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন অর্থনীতির এই সংকট কেবল কোনো একক নেতার কারণে তৈরি হয়নি, এর পেছনে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা জটিল অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে। তবে রাজনৈতিক ময়দানে ভোটারদের সহানুভূতি অর্জনের জন্য নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার বিষয়টিকে এই মুহূর্তে প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলা চলে, এবারের নির্বাচনে মুদ্রাস্ফীতিই নির্ধারণ করে দেবে মার্কিন রাজনীতির পরবর্তী গতিপথ।